১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনে ফোনে অর্ডার দিলেই হাজির মদ, বেআইনি পাচার চক্রের দু’জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ

Published by: Sulaya Singha |    Posted: April 11, 2020 10:51 am|    Updated: April 11, 2020 10:51 am

An Images

অর্ণব আইচ: ফোন করলেই হাজির মদ। প্রচন্ড গরমের মধ্যে দুপুরবেলায় চিল্ড বিয়ার? প্রয়োজনে সেই ব্যবস্থা করে দিত শহরের একটি চক্র। তার সঙ্গে ক্রেতাদেরও জানিয়ে দিত যে, পুলিশ বা আবগারি দপ্তরের বহু লোককে তারা চেনে। তাই ধরা পড়ার কোনও ভয় নেই। এভাবেই লকডাউনের মধ্যে বেআইনি মদের ব্যবসা চালাচ্ছিল আনন্দপুর এলাকার এক কারবারি। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আবগারির গোয়েন্দাদের সাহায্যে নোনাডাঙা থেকে এই পাচার চক্রের মাথা আনন্দপুরের সুবোধ হালদার ও তার সঙ্গী বাসন্তীর বিজয় সর্দারকে গ্রেপ্তার করেন পূর্ব কলকাতার আনন্দপুর থানার আধিকারিকরা।

[আরও পড়ুন: রাতের কলকাতায় হেনস্তার শিকার রুপান্তরকামী, গায়ে ঢালা হল কেরোসিন!]

পুলিশ জানিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই এই চক্রটি লকডাউন ভেঙে রাস্তায় বেরিয়ে বেআইনিভাবে মদ বিক্রি করছিল। বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ও সোশ্যাল মিডিয়ার সাহায্যে তারা নিজেদের ফোন নম্বর ছড়িয়ে দিয়েছিল। কেউ তাদের ফোন করলে তিনগুণ দামে বাইপাস বা তার আশপাশের কোথাও মদ পৌঁছে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দিত। তার জন্য ব্যবহার করত নিজেদের গাড়িও। অনেক সময়ই গাড়ির উইন্ডস্ক্রিনে লেখা থাকত জরুরি পরিষেবা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শুক্রবার পুলিশ ফাঁদ পাতে। ক্রেতা সেজে নোনাডাঙার কাছে অপেক্ষা করতে বলে। অর্ডার ডেলিভারি দিতে দুজন ২৩টি দেশি মদের বোতল ও ২২টি বিয়ারের বোতল নিয়ে গাড়িতে করে হাজির হয়। সেখানেই হাতেনাতে গ্রেপ্তার করা হয় দু’জনকে।

এদিকে, লকডাউনের মধ্যেও দোকান ভেঙে চুরি। নিউ মার্কেটের একটি কাপড়ের দোকানের লক ভেঙে ভিতর থেকে দামি জিনস-প্যান্ট নিয়ে পালায় চোরেরা। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করেন নিউ মার্কেট থানার আধিকারিকরা। পুলিশ জানিয়েছে, লকডাউনের পর থেকেই নিউ মার্কেটের কাপড়ের দোকান শুনসান। সেই সুযোগেই হানা দেয় দুষ্কৃতীরা। দোকানের লক ভেঙে ভিতরে ঢুকে প্রচুর প্যান্ট নিয়ে পালায় তারা। দোকানের মালিকের অভিযোগের ভিত্তিতে শুরু হয় তদন্ত। সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখেন নিউ মার্কেট থানার আধিকারিকরা। তার সঙ্গে নেওয়া হয় খোঁজখবরও। সেই সূত্র ধরেই করবর্ধন লেনে হানা দিয়ে লাল্টু মল্লিক নামে এক তরুণকে পুলিশ ধরে ফেলে। তার কাছ থেকে পাওয়া যায় দশটি জিনস-প্যান্ট। তাকে জেরা করে ওই এলাকায় আরও এক তরুণের বাড়িতে পুলিশ হানা দেয়। কবির মল্লিক নামে ওই তরুণের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আরও ১৬টি প্যান্ট। ধৃতদের জেরা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: ‘মমতার কথা শুনবেন না, ঘরে থাকুন’, ফুলের বাজারে ভিড়ের ভিডিও টুইট করে আরজি বাবুলের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement