Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘রাষ্ট্রপতি পদের অসম্মান ও অপব্যবহার করছে বিজেপি’, ‘প্রোটোকল’ ভঙ্গের অভিযোগ ওড়ালেন মমতা

রাষ্ট্রপতি শিলিগুড়িতে পা রাখার পর প্রটোকল মেনেই সেখানে যান শিলিগুড়ির মেয়র, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক, শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার। প্রথা মেনেই রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা ও বিদায় জানানো হয়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ২৩:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২৬, ২৩:২৭

options
link
‘রাষ্ট্রপতি পদের অসম্মান ও অপব্যবহার করছে বিজেপি’, ‘প্রোটোকল’ ভঙ্গের অভিযোগ ওড়ালেন মমতা zoom
রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চেয়ে চতুর্থ চিঠি তৃণমূলের

রাষ্ট্রপতির মতো দেশের সর্বোচ্চ সম্মানীয় পদকে হাতিয়ার করে বাংলায় ভোটের রাজনীতি করছে বিজেপি! দ্রৌপদী মুর্মুর বঙ্গ সফরে শিলিগুড়িতে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিত না থাকার ঘটনাকে হাতিয়ার করে শুরু হয়েছে কুৎসা। যাতে যোগ দিয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। তবে রাজ্যসরকারের তরফে প্রোটোকল ভঙ্গের যে অভিযোগ তুলে খোদ প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপির ছোট-বড় নেতারা সরব হয়েছেন তা পুরোপুরি খারিজ করলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, ‘কোনও প্রটোকল ভঙ্গ হয়নি।’ বিধি মেনেই অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে রাষ্ট্রপতিকে। শুধু তাই নয়, বিজেপি নিজেদের দলীয় স্বার্থে দেশের সর্বোচ্চ পদকে অসম্মান ও অপব্যবহার করছে বলে সরব হলেন তিনি।

শনিবার রাষ্ট্রপতিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডেলে গোটা ঘটনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তিনি লিখেছেন, ‘বেসরকারি সংস্থা আন্তর্জাতিক সাঁওতাল কাউন্সিল শিলিগুড়িতে তাঁদের সম্মেলনে মাননীয়া রাষ্ট্রপতিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে এই অনুষ্ঠানের পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছিল না। এই বিষয়ে জেলা প্রশাসনের তরফে রাষ্ট্রপতি সচিবালয়কে লিখিতভাবে অবহিত করা হয় এবং ফোনেও বিষয়টি জানানো হয়। রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ের আধিকারিকরা গত ৫ মার্চ সভাস্থল পরিদর্শন করেন। সেখানেও তাঁদের এই বিষয়ে জানানো হয়। তারপরও এই কর্মসূচি নির্ধারিত দিনে বহাল রাখা হয়।’

Advertisement

সম্মানীয় রাষ্ট্রপতি শিলিগুড়িতে পা রাখার পর প্রোটোকল মেনেই সেখানে যান শিলিগুড়ির মেয়র, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক, শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার। প্রথা মেনেই রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা ও বিদায় জানানো হয়।

এরপর মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, ‘সম্মানীয় রাষ্ট্রপতি শিলিগুড়িতে পা রাখার পর প্রোটোকল মেনেই সেখানে যান শিলিগুড়ির মেয়র, দার্জিলিংয়ের জেলাশাসক, শিলিগুড়ির পুলিশ কমিশনার। প্রথা মেনেই রাষ্ট্রপতিকে অভ্যর্থনা ও বিদায় জানানো হয়। ওই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রীর তরফে স্বাগত জানানো বা মঞ্চে থাকার কোনও পরিকল্পনাই ছিল না। জেলা প্রশাসন সেখানে উপস্থিত থাকায় প্রোটোকল ভাঙার প্রশ্নই ওঠে না।’ এরপরই সুর চড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী লিখেছেন, ‘বিজেপি নিজেদের দলীয় স্বার্থে দেশের সর্বোচ্চ পদকে অসম্মান ও অপব্যবহার করছে। এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’

উল্লেখ্য, বঙ্গ সফরে এলেও তাঁকে স্বাগত জানাতে আসেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই ঘটনায় শনিবার সরব হয়েছিলেন খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি বলেন, ”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমার ছোট বোনের মতো। আমিও বাংলারই মেয়ে। বাংলার মানুষকে আমি ভালোবাসি। মমতা বোধহয় রাগ করেছেন, তাই আমাকে স্বাগত জানাতে তিনি নিজে আসেননি, কোনও মন্ত্রীও আসেননি। যাই হোক, এটা ব্যাপার নয় কোনও।”

রাষ্ট্রপতির সেই মন্তব্যের পর সোশাল মিডিয়ায় সরব হন প্রধানমন্ত্রী মোদি। রাষ্ট্রপতির সেই বার্তা সোশাল মিডিয়ায় শেয়ার করে মোদি লেখেন, ‘এটি লজ্জাজনক এবং অভুতপূর্ব। গণতন্ত্র এবং জনজাতি সম্প্রদায়ের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী মানুষজন সকলেই মর্মাহত। জনজাতি সম্প্রদায় থেকেই উঠে আসা রাষ্ট্রপতি মহোদয়ার প্রকাশিত বেদনা ও উদ্বেগ ভারতের মানুষের মনে গভীর দুঃখের সঞ্চার করেছে। পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সত্যিই সমস্ত সীমা লঙ্ঘন করেছে। রাষ্ট্রপতির প্রতি এই অসম্মানের জন্য তাদের প্রশাসনই দায়ী। এটিও অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক যে সাঁওতাল সংস্কৃতির মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়কে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এতো হালকাভাবে দেখছে। রাষ্ট্রপতির পদ রাজনীতির ঊর্ধ্বে এবং এই পদের গরিমা সর্বদা রক্ষা করা উচিত। আশা করা যায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসের শুভবুদ্ধির উদয় হবে।’ এই ঘটনায় এবার মুখ খুললেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.