১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘দোকান, বাজার বন্ধ নিয়ে গুজব ছড়ালেই হবে শাস্তি’, জরুরি বৈঠকে কড়া হুঁশিয়ারি মমতার

Published by: Sayani Sen |    Posted: March 19, 2020 7:59 pm|    Updated: March 19, 2020 7:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা ইতিমধ্যেই থাবা বসিয়েছে বাংলায়। রাজ্যের উচ্চপদস্থ আমলার লন্ডন ফেরত ছেলের শরীরে মিলেছে করোনা সংক্রমণের প্রমাণ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যজুড়ে ত্রাহি ত্রাহি রব। অনেকেই বলছেন, করোনা সতর্কতায় স্কুল-কলেজের মতো জমায়েত এড়াতে বন্ধ হতে পারে দোকান-বাজারও। যা নিয়ে রীতিমতো শঙ্কিত আমজনতা। তবে পরিস্থিতি সামাল দিতে আসরে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের সমস্ত দোকান, বাজার খোলা থাকবে বলেই সাফ জানিয়ে দিলেন তিনি। আতঙ্কের আবহে গুজবে কান না দেওয়ার আরজি রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও করোনা নিয়ে চলছে জোর আলোচনা। তারই মাঝে মারণ চিনা ভাইরাস নিয়ে ছড়াচ্ছে গুজবও। ঠিক যেমন দু-একদিন ধরেই শোনা যাচ্ছে করোনা সতর্কতায় এবার ঝাঁপ বন্ধ হবে রাজ্যের বেশিরভাগ দোকানপাটেরও। তার জেরে ইতিমধ্যে অনেকেই বাড়িতে বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী কিনে রাখতে শুরু করেছেন। তৈরি হয়েছে আতঙ্ক। এই গুজবে কান না দেওয়ার বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার নবান্নে সরকারি এবং বেসরকারি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকে তিনি বলেন, “দোকান চলবে। বাজার খোলা থাকবে। না হলে খাব কী? ২৪X৭ আমাদের কাজ করতে হবে। যারা গুজব রটাবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নিন। সীমান্ত সিল হলেও যথেষ্ট পণ্য মজুত রয়েছে।” করোনা সতর্কতায় আপাতত সমস্ত স্কুল, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তবে সরকারি আধিকারিকদের মুখ্যমন্ত্রী এদিন নির্দেশ দেন, “ছোট ছোট পড়ুয়াদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিতে হবে চাল। অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের চালে যেন কোনও ঘাটতি না হয়।”

[আরও পড়ুন:  ‘ব্যবসা না করে এগিয়ে আসুন’, করোনা মোকাবিলায় নার্সিংহোম কর্তৃপক্ষকে বার্তা মমতার]

মারণ চিনা ভাইরাস প্রসঙ্গে যাতে কোনও গুজব সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে না পড়ে সেদিকেই নজর কলকাতা পুলিশের। সম্প্রতি টুইট করেন পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। তিনি লেখেন, “গুজবে কান দেবেন না। সত্যতা যাচাই করার আগে কোনও কিছু বিশ্বাস করবেন না। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিরোধে যাবতীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিন। নিরাপদ থাকুন, সুস্থ থাকুন।” এদিন গুজব ছড়ানোর দায়ে লালবাজারে ডেকে পাঠানো হয় অন্তত পনেরোজনকে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement