Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
সোনা

স্ত্রী’র কাছে সোনা পাওয়া যায়নি, জেলা পুলিশের রিপোর্টে স্বস্তি অভিষেকের

তৃণমূল যুব সভাপতির স্ত্রী’কে নিয়ে জোরদার চর্চায় জল ঢালল রিপোর্ট৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০১৯, ১২:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৭, ২০১৯, ১২:০২

options
link
স্ত্রী’র কাছে সোনা পাওয়া যায়নি, জেলা পুলিশের রিপোর্টে স্বস্তি অভিষেকের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে বিমানবন্দরে সোনা-সহ আটকের মুখে পড়েছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী৷ সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় ভোটের বাজারে বেশ তোলপাড় শুরু হয়েছিল৷ এমনকী অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সাংবাদিক সম্মেলন করে স্ত্রী’র পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে৷ ঘটনার ব্যাখ্যা শোনা গিয়েছে তাঁর মুখে৷ আপাতভাবে বিষয়টি নিয়ে চর্চা থামলেও, চোরাস্রোত আছে এখনও৷

                                       [ আরও পড়ুন : সরকারি কমিটিতে অনাস্থা সত্ত্বেও দু্র্নীতির নথি পেশ করবেন এসএসসি চাকরিপ্রার্থীরা]

এই পরিস্থিতিতেই অভিষেক-জায়াকে কিছুটা স্বস্তি দিল উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পুলিশ৷ নির্বাচন কমিশনারের কাছে পেশ করা রিপোর্টে উল্লেখ, কোনও সোনা বাজেয়াপ্ত হয়নি৷ বাজেয়াপ্তর তালিকায় কোনও সোনা ছিল না৷ এর সঙ্গে যুক্ত সব বিভাগ থেকে তথ্য,প্রমাণ নিয়ে পুলিশ রিপোর্ট পেশ করেছে বলে খবর৷ জেলা পুলিশের দেওয়া এই রিপোর্ট পাঠানো হবে দিল্লি নির্বাচন কমিশনে৷ ঘটনা নিয়ে যাঁরা রাজনৈতিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার উদ্দেশে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, জেলা পুলিশের রিপোর্ট তাঁদের বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে ঠেলে দিল বলেই মনে করছে তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ মহল৷

Advertisement

রবিবার তৃণমূল যুব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এনিয়ে সাংবাদিক বৈঠকের পর থেকেই  বিমানবন্দরে তাঁর স্ত্রীর সোনা-সহ ধরা পড়ার ইস্যুতে  রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও প্রকট হয়। অভিষেকের অভিযোগ ছিল, ভোটের আগে দিল্লির চাপে তাঁর স্ত্রী’কে হেনস্তা করেছেন শুল্ক দপ্তরের আধিকারিকরা। বিজেপি এবং সিপিএম নেতারা তাঁর স্ত্রী রুজিরার বিরুদ্ধে ভুয়ো খবর ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন সাংসদ। তারপরই একযোগে সিপিএম-বিজেপি-কংগ্রেস অভিষেককে ঘিরে তৃণমূলকেই আক্রমণের নিশানা করেছেন৷ বেশ কয়েকটি প্রশ্ন তোলা হয়েছিল৷ শুল্ক দপ্তরের এলাকায় পুলিশ কেন গিয়েছিল? অভিষেকের স্ত্রী’কে গ্রিন চ্যানেল দিয়ে বের করে দেওয়ার নির্দেশ কেন দেওয়া হল ? কাস্টমসের আধিকারিকরা ব্যাগ তল্লাশি করতে চাইলে, তাদের বাধা দেওয়া হল কেন? কেন পরীক্ষা করতে দেওয়া হয়নি সুটকেস? পুলিশ কেন শুল্ক দপ্তরের কাজে বাধা দিল?  কেন্দ্রীয় সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে এতে সিবিআই তদন্তের প্রয়োজন বলে দাবি করেছিলেন বাম পরিষদীয় দলনেতা তথা সিপিএম বিধায়ক সুজন চক্রবর্তী৷

                                 [ আরও পড়ুন : লাং ফাংশান টেস্ট করছেন চতুর্থ শ্রেণির কর্মী! আতঙ্ক চিত্তরঞ্জন ক্যানসার হাসপাতালে]

কিন্তু জেলাশাসকের রিপোর্ট পেশের পর তৃণমূলের তরফে এনিয়ে আরও সুর চড়ানো হয়েছে৷ অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, এ থেকেই বোঝা যাচ্ছে গোটা ঘটনাই উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, রাজনৈতিক ফায়দা তোলার জন্য সাজানো৷ 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.