১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘ভয়ংকর বিপদে গণতন্ত্র’, ফেসবুকের ‘পক্ষপাতিত্ব’ নিয়ে অমিত মালব্যকে বিঁধলেন নুসরত

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: September 2, 2020 6:03 pm|    Updated: September 2, 2020 7:59 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “গনতন্ত্র তো সাংঘাতিক বিপদে!” পক্ষপাতদুষ্ট ফেসবুক ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ফের বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্যকে (Amit Malviya) বিঁধলেন নুসরত জাহান। বিরোধী দলের মুখপাত্রের সঙ্গে তৃণমূল সাংসদের এই সংঘাত অবশ্য নতুন কিছু নয়! তবে এবার ফেসবুকের সঙ্গে গেরুয়া শিবিরের সূত্র নিয়ে মুখ খুলেছেন সাংসদ-অভিনেত্রী নুসরত জাহান (Nusrat Jahan )।

বিগত কয়েক দিন ধরেই ফেসবুক (Facebook) ইন্ডিয়ার আধিকারিকদের সঙ্গে কেন্দ্রের শাসকদল বিজেপির ঘনিষ্ঠতার বিষয়ে বিভিন্ন জল্পনা তৈরি হয়েছে। উঠেছে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগও। যা নিয়ে ইতিমধ্যেই ফেসবুক প্রধান মার্ক জুকারবার্গকে চিঠি পাঠিয়েছেন তৃণমূল সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন। এবার সেই বিষয়ে বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্যকে একহাত নিলেন বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান।

বিরোধীপক্ষকে কোনওরকম রেয়াত না করেই নুসরতের কড়া মন্তব্য, “আপনাদের মধ্যে কি কোনও নীতিবোধ অবশিষ্ট রয়েছে আর! সত্যিই অবিশ্বাস্য যে, কীভাবে বিজেপির নেতারা ফেসবুকের মতো একটি পাবলিক ফোরামকে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার জন্য ব্যবহার করে চলেছে। সাংঘাতিক বিপদে গনতন্ত্র!”

[আরও পড়ুন: বারাণসীর ৩৫০টি মাঝি পরিবারের দায়িত্ব নিলেন সোনু, মিলল রাজনীতিতে যোগের ইঙ্গিত!]

সম্প্রতি এক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধী শিবির ও তাদের সমর্থকদের ৪৪টি ফেসবুক পেজের রিচ কমিয়ে দেওয়া হয়েছিল সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মের নীতিবিরোধের অভিযোগের অছিলায়। যাদের মধ্যে ১৪টি পেজ এখনই নেই। আর সেই বিষয়টিকে হাতিয়ার করেই অমিত মালব্যকে কড়া ভাষায় বিঁধেছেন নুসরত।

তৃণমূলের অভিযোগ ছিল দলের নেতা ও সমর্থকদের ফেসবুকে পোস্টের রিচ কমিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এরকম পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ ফেসবুকের মতো একটি প্লাটফর্মের কাছ থেকে কাম্য নয়। সূত্রের খবর, গত ২৮ অগাস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভায় মমতার ভাষণের পর তৃণমূল নেতা ও সমর্থকদের বহু পোস্টের রিচ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। উপরন্তু সম্প্রতি জানা গিয়েছে যে, ফেসবুক ইন্ডিয়ায় সবথেকে বেশি যে ১০ জন বিজ্ঞাপন দিয়েছেন তাঁদের মধ্যে চার জনের সঙ্গে বিজেপির যোগাযোগ রয়েছে। এমনকী এর মধ্যে তিনজন নিজেদের ঠিকানার পরিবর্তে দিল্লিতে অবস্থিত বিজেপির কেন্দ্রীয় অফিসের ঠিকানা নথিভুক্ত করেছেন। এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই প্রবল বিতর্ক তৈরি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলে।

[আরও পড়ুন: ৮ ঘণ্টা ম্যারাথন জেরার পরও সন্তুষ্ট নয় CBI, ফের তলব রিয়ার মা-বাবা ও সিদ্ধার্থ পিঠানিকে]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement