Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
পার্শ্ব শিক্ষক

আন্দোলনরত পার্শ্ব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার, হুঁশিয়ারি পার্থর

উপযুক্ত বেতন কাঠামোর দাবিতে ২৫ দিন ধরে আন্দোলন করছেন পার্শ্ব শিক্ষকরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ২০:৪৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০১৯, ২০:৪৯

options
link
আন্দোলনরত পার্শ্ব শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে সরকার, হুঁশিয়ারি পার্থর zoom
Advertisement

দীপঙ্কর মণ্ডল: লাগাতার আন্দোলনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে স্কুলে অনুপস্থিত পার্শ্ব শিক্ষকরা। এবার তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চলেছে রাজ্য সরকার। ইতিমধ্যেই তাঁদের শোকজ করা হয়েছে। তবে, তা নিয়ে মাথাব্যাথা নেই আন্দোলনকারীদের। পার্শ্ব শিক্ষক ঐক্য মঞ্চের যুগ্ম আহ্বায়ক ভগীরথ ঘোষ জানিয়েছেন, যতদিন না বেতন কাঠামো ঘোষণা হবে, ততদিন আন্দোলন চলবে। বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বামফ্রন্ট উঠে যাওয়ার সময় নির্দিষ্ট প্রকল্পে পার্শ্ব শিক্ষকদের নিয়োগ করেছিল। তখন পদ্মের পাপড়ি ফোটেনি। আমরা কেন সমালোচিত হব? ওরা ধরেই নিয়েছে ধরনায় বসব। আর কিছু টাকা বাড়াব। এটা তো কারখানা নয়। এটা নাগরিক তৈরি করার কাঠামো। একটা মিথ্যে নিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।”


কেন্দ্রীয় সরকার পার্শ্ব শিক্ষকদের বেতন বা ভাতা খাতে কোনও টাকা দেয় না বলেও দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। সল্টলেকে বিকাশ ভবনের সামনে পার্শ্বশিক্ষকদের ধরনা ২৫ দিনে পড়ল। ২১ দিন ধরে ৩৫ জন শিক্ষক অনশনও করছেন। তাঁদের মূল দাবি পার্শ্ব শিক্ষকদের জন্য সরকারকে বেতন কাঠামো ঘোষণা করতে হবে। শিক্ষামন্ত্রী এদিন বলেন, “কেন্দ্র থেকে আমরা ১৭ হাজার কোটি টাকা পাই। বেতন বা ভাতা খাতে কোনও আলাদা টাকা আসে না। যে বোদ্ধারা গিয়ে ভাষণ দিচ্ছেন। তাঁরা আদালতে গিয়ে বলুন। আদালত কি স্কুলে যেতে না বলেছে? সরকার যথেষ্ট সহ্য করেছে। আমরা ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলতে দেব না।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘যত খুশি ঘুরুন, শুধু সরকারের টাকা নষ্ট করবেন না’, ধনকড়কে তো পার্থর]

আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে গত ১১ নভেম্বর থেকে ধরনায় বসেছেন পার্শ্ব শিক্ষকরা। পরে শুরু হয়েছে অনশনও। কয়েকজন পার্শ্ব শিক্ষক ইতিমধ্যেই অসুস্থ। বিরোধী রাজনৈতিক নেতারা সহমর্মিতা জানিয়েছেন। পার্থবাবু এ প্রসঙ্গে বলেন, “স্কুলে অচলাবস্থা তৈরি করে ক্ষোভ বা বিক্ষোভ দেখালে ছাত্রছাত্রীদেরই ক্ষতি। এটা রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দেখা উচিত। সমাধানসূত্র বের করতে গেল যে আর্থিক ভিত্তি দরকার সবসময় তা থাকে না। আপনারা ধরনা এবং অনশন করে নিজেদের আর অসুস্থ করবেন না। ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটাবেন না।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.