Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২৫ আগস্ট ২০২৬
RG Kar Hospital

স্ট্রেচার না পেয়ে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু রোগীর? ফের কাঠগড়ায় আর জি কর

হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের বিরুদ্ধে অব্যবস্থার অভিযোগে সুর চড়িয়েছেন তিনি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৩:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২৩, ২০২৬, ১৩:১৪

options
link
স্ট্রেচার না পেয়ে হাঁটতে গিয়ে মৃত্যু রোগীর? ফের কাঠগড়ায় আর জি কর zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

লিফট বিভ্রাটে রোগীর পরিবারের এক সদস্যের মৃত্যুর পর ফের অঘটন। এবার আর জি করে (RG Kar Hospital) শ্বাসকষ্টের রোগীর মৃত্যু। নিহতের পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, হাসপাতালে ট্রমা কেয়ারে প্রাথমিক চিকিৎসার পর শৌচালয়ে যেতে হত রোগীকে। অভিযোগ, সেই সময় স্ট্রেচার পাননি তিনি। হেঁটে যাওয়ার পথেই মৃত্যু হয় প্রৌঢ়ের। হাসপাতালে ট্রমা কেয়ার সেন্টারের বিরুদ্ধে অব্যবস্থার অভিযোগে সুর চড়িয়েছেন তিনি।

রবিবার গভীর রাতে আচমকা বুকে ব্যথা শুরু হয় বিশ্বজিৎ সামন্ত নামে ওই ব্যক্তির। পরিবারের লোকজন তাঁকে তড়িঘড়ি আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে আসেন। ঘড়ির কাঁটায় তখন রাত সাড়ে তিনটে হবে। সঙ্গে ছিলেন ছেলে ও স্ত্রী। পরিবারের লোকজনের দাবি, হাসপাতালে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে তাঁর। তারপর ড্রপ লেখেন চিকিৎসক। সেটা দেওয়া হয়। তাতে খানিকটা ঠিক হন বিশ্বজিৎবাবু। এরপর তাঁর শৌচাগারে যাওয়ার প্রয়োজন হয়। পরিবারের লোকজনের অভিযোগ, সেই সময় কোনও স্ট্রেচার ছিল না। চিকিৎসক তাঁদের ট্রমা কেয়ারের বাইরে সুলভ শৌচালয়ে রোগীকে নিয়ে যেতে বলেন বলেও দাবি পরিবারের। সেখানে দোতলায় শৌচালয়। বাধ্য হয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রোগীকে। শৌচালয় থেকে বেরনো মাত্রই আরও অসুস্থ হয়ে পড়েন ওই ব্যক্তি। অচেতন হয়ে যান। মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ। মৃত্যু হয় রোগীর।

Advertisement

পরিবারের দাবি, “চিকিৎসক বাড়ির লোককে বলতে পারতেন, আমরা হাসপাতালের বেডের কাছেই শৌচকর্মের ব্যবস্থা করতে পারতাম। কিন্তু কিছু বলা হয়নি। বাইরে অসুস্থ রোগীকে সিঁড়ি ভেঙে নিয়ে যেতে হয়েছে। তারপরেই মৃত্যু।” ট্রমা কেয়ার সেন্টারের অব্যবস্থার ফলে ওই ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে বলেই অভিযোগ পরিবারের লোকজনের। এই ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে পরিবারের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করা হয়নি। আর জি করের (RG Kar Hospital) মতো প্রথম সারির সরকারি হাসপাতালে কেন সামান্য স্ট্রেচারের বন্দোবস্ত হল না, স্বাভাবিকভাবেই তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.