স্টাফ রিপোর্টার: রাজ্যসভা ভোটে দলীয় প্রার্থী জেতানোর জন্য প্রয়োজনীয় বিধায়ক থাকায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে। কিন্তু সিপিএম-কংগ্রেস ও আইএসএফ জোটের কোনও প্রার্থী না থাকায় নওশাদ সিদ্দিকির (Nawsad Siddique) ভোট তারা পাবেই বলে বিজেপির একটি সূত্র আশাবাদী। কথাবার্তাও নাকি চলছে।
বিজেপি সূত্রের খবর, নওশাদের ভোটকে তারা হিসাবের মধ্যেই ধরছে। তবে আইএসএফ সূত্রে এখনও এ খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি। তৃণমূল সূত্রের বক্তব্য, যাঁর জোটের প্রার্থী নেই, সেই বিধায়ক ভোট দিতে গেলে ধরেই নিতে হবে তিনি বিজেপিকে ভোট দিতে যাচ্ছেন। কারণ, ইতিমধ্যেই কৈলাস বিজয়বর্গীয় ও নিত্যানন্দ রাইয়ের পিএ—র সঙ্গে নওশাদের হোয়াটস আপ চ্যাট যেমন ফাঁস হয়েছে, তেমনই মোদি সরকারের বাহিনীর নিরাপত্তা নিয়ে ঘুরছেন নওশাদ। এসব থেকেই ওঁকে বিজেপি বলেই হিসাব করা হচ্ছে।
[আরও পড়ুন: রাজ্যসভার নিশ্চিত আসনে প্রার্থী হতে বঙ্গ বিজেপিতে দ্বন্দ্ব! স্বপনকে আটকাতে মরিয়া মিঠুন]
গত বিধানসভা ভোটের সময় বিজেপি নেতারা নওশাদকে ঘুঁটি হিসেবে যে ব্যবহার করেছিলেন তা ফাঁস হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে প্রমাণিত হয়েছে। ভাঙড়ের তৎকালীন আইসিকে সরাতে নওশাদ বার্তা পাঠিয়েছিলেন কৈলাস ও নিত্যানন্দ রাইয়ের পিএ-কে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে দেখা গিয়েছে কৈলাসের সঙ্গে নওশাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। বিজেপি সূত্রে খবর, এবারও রাজ্যসভা ভোটের জন্য প্রয়োজনে কৈলাসকে বলা হবে নওশাদের সঙ্গে কথা বলতে। সম্প্রতি নওশাদের নিরাপত্তায় কেন্দ্র সাতজন সিআইএসএফ রক্ষীকে দিয়েছে। ফলে বিজেপির প্রতি নওশাদের কৃতজ্ঞতার ব্যাপারও রয়েছে।
[আরও পড়ুন: ২১ জুলাই শুরু তৃণমূলের লোকসভার প্রচার, শহিদ দিবসের পোস্টার নিয়ে নয়া নির্দেশিকা দলে]
সর্বশেষ খবর
-
একশোর বদলে পাঁচশোর নোটের টোপ! কমিশনের লোভে ব্যবসায়ী পেলেন সাদা কাগজের টুকরো
-
তৃণমূল জমানায় অবহেলা! দুর্যোগ-বিধ্বস্ত উত্তরবঙ্গকে স্বমহিমায় ফেরাতে আড়াইশো কোটি বরাদ্দ শুভেন্দুর
-
নিজের গড় রেজিনগরেই হারের ভয়! উপনির্বাচনে বাম-কংগ্রেস-তৃণমূল মহাজোট চাইছেন হুমায়ুন
-
আপত্তি শুধু ‘সেক্যুলার’ কংগ্রেসের! নিয়ম মেনে বন্দে মাতরম পুরোটা দাঁড়িয়ে সম্মান আবদুল্লাদের
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থীই দিতে পারবে না তৃণমূল? সর্বদলীয় বৈঠকে গড়হাজিরায় উঠছে প্রশ্ন