Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
SIR in West Bengal

এসআইআরের জেরে মানসিক চাপ, বাঁশদ্রোণীতে আত্মঘাতী এইআরও!

মৃতার নাম মালবিকা রায় ভট্টাচার্য। বয়স ৪৮ বছর। স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআরের কাজে প্রচণ্ড চাপের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্বামী অমলেশ ভট্টাচার্য।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১৩:৪৪

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১, ২০২৬, ১৩:৪৪

options
link
এসআইআরের জেরে মানসিক চাপ, বাঁশদ্রোণীতে আত্মঘাতী এইআরও! zoom
কাজের অত্যাধিক চাপ সামলাতে না পেরে 'আত্মঘাতী' ডায়মন্ড হারবারের এইআরও, দাবি পরিবারের।

এসআইআরের (SIR in West Bengal) ‘বলি’ এইআরও! কাজের অত্যাধিক চাপ। সামলাতে না পেরে ‘আত্মঘাতী’ ডায়মন্ড হারবারের এইআরও, দাবি পরিবারের। দক্ষিণ কলকাতার বাঁশদ্রোণী এলাকার এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কীটনাশক খেয়ে গুরুতর অসুস্থ হওয়ার পর টানা দু’দিন চিকিৎসার শেষে মঙ্গলবার শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। বাঁশদ্রোণী থানায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে।

মৃতার নাম মালবিকা রায় ভট্টাচার্য। বয়স ৪৮ বছর। তিনি ডায়মন্ড হারবারে ১ ব্লকের এডুকেশন অফিসার ছিলেন। এসআইআর (SIR in West Bengal) প্রক্রিয়ায় এইআরও-র দায়িত্ব পালন করছিলেন। পরিবারের অভিযোগ, বিগত কয়েক মাস ধরে এসআইআরের অত্যধিক কাজের চাপে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন মালবিকা। সেই চাপই আত্মঘাতী হওয়ার প্রধান কারণ বলেও দাবি তাঁদের। 

Advertisement

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার রাতে মেয়ের সঙ্গে শুতে যান মালবিকা। গভীর রাতে আচমকা অসুস্থ হয়ে বমি শুরু হয় তাঁর। স্বামী অমলেশ ভট্টাচার্য জিজ্ঞাসা করলে, মালবিকা কীটনাশক পান করার কথা জানান। দ্রুত তাঁকে এলাকার একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় পরের দিন রাতে অন্য একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই মঙ্গলবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয় এইআরও-র।

স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় এসআইআরের কাজে প্রচণ্ড চাপের অভিযোগ তুলে সরব হয়েছেন স্বামী অমলেশ ভট্টাচার্য। তাঁর দাবি, “এসআইআরের কাজ শুরু হওয়ার পর থেকেই স্ত্রীর প্রচণ্ড চাপ পড়ছিল। এ নিয়ে শেষ কয়েক মাস ধরে মানসিক অবসাদ ভুগছিল। প্রায়ই বলত এত কাজের চাপ নেওয়া যাচ্ছে না, চাকরি ছেড়ে দিতে হবে। শেষ পর্যন্ত সেই চাপ আর সহ্য করতে পারল না। তাই হয়তো এই চরম সিদ্ধান্ত নেয়।” পুলিশ জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু হয়েছে। সবদিক খতিয়ে দেখে তদন্ত করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.