Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sarada and Rose Valley chit fund case

সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ পার, ইডি মামলায় জামিন সারদা ও রোজভ্যালি কর্তার

তাঁদের জেলমুক্তি কবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২২, ০৮:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২২, ০৮:৪৭

options
link
সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ পার, ইডি মামলায় জামিন সারদা ও রোজভ্যালি কর্তার zoom

স্টাফ রিপোর্টার: সারদা (Sarada Chit Fund Case) এবং রোজ ভ্যালির (Rose Valley Chit Fund Case) তদন্তে ইডি মামলায় জামিন পেলেন দুই সংস্থার দুই কর্ণধার সুদীপ্ত সেন ও গৌতম কুন্ডু। বুধবার বিচারভবনে বিশেষ আদালতে তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে। যে সব আইনি ধারায় তাঁরা অভিযুক্ত, তাতে সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদের সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার কারণেই বিচারক দুই আলাদা মামলায় তাঁদের জামিন দেন। ব্যক্তিগত এক লক্ষ টাকার বন্ডে তাঁদের জামিন হল। মামলা এবং বিচার প্রক্রিয়া চলবে। তবে এই গুরুত্বপূর্ণ মামলায় জামিন হলেও অন্যান্য মামলার কারণে তাঁদের জেলমুক্তি কবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছে।

সুদীপ্ত সেনের (Sudipta Sen) আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী আদালতের কাছে ৪২৮ ধারায় আবেদন জানান, যেহেতু তাঁর মক্কেল নির্ধারিত অভিযোগগুলির সর্বোচ্চ সাজার বেশি সময় জেলে আছেন, তাই তাঁকে এই মামলা থেকে মুক্তি দেওয়া হোক। রোজ ভ্যালির কর্ণধার গৌতম কুন্ডুর (Goutam Kundu) জন্যেও একই যুক্তিতে মুক্তির আবেদন জানানো হয়। বিচারক অবশ্য দুজনকেই শাস্তির মেয়াদ শেষের জন্য পুরো মুক্তি দেননি। তিনি ৪৩৬ ধারায় জামিন মঞ্জুর করেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘এখনই শুধরে যান, নাহলে মারধর করা হবে’, পুলিশকে হুমকি দিয়ে বিতর্কে তৃণমূল বিধায়ক]

সুদীপ্ত সেন এবং গৌতম কুন্ডু দুজনেই আপাতত কলকাতার (Kolkata) প্রেসিডেন্সি জেলে রয়েছেন। ইডির মামলায় জামিন পেলেও রাতারাতি তাঁদের জেলমুক্তি কঠিন। কারণ সিবিআই এবং রাজ্য পুলিশের মামলা রয়েছে। ভিনরাজ্যেও মামলা রয়েছে। সুদীপ্ত সেনের মামলার সংখ্যা গৌতম কুন্ডুর থেকে বেশি। বেশ কয়েকটি মামলায় জামিন হলেও তিনি বেল বন্ড জমা দেননি।

তাঁদের যুক্তি, সর্বোচ্চ সাজার মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তাঁরা সংশ্লিষ্ট মামলা থেকে পুরো মুক্তি চান। ইডি (Enforcement Directorate) সূত্রে খবর, এঁদের বন্দি রেখে তদন্তের প্রয়োজন আর নেই। তদন্ত নিজস্ব গতিতে চলবে। তবে ইডি এই জামিন খারিজে উচ্চ আদালতে যাবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। আদালতে শুনানির যা গতিপ্রকৃতি, তাতে সেই সম্ভাবনা কম। ইডি এখন দুই কোম্পানির সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও উদ্ধারে জোর দিচ্ছে। এই কাজে সুফলও মিলছে।

[আরও পড়ুন: দুধের ছেলেকে নিয়ে পরপুরুষের সঙ্গে ঘর ছেড়েছিলেন, তিনমাস পর সেই বধূ ঘরে ফিরলেও ফিরল না শিশু]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.