স্টাফ রিপোর্টার: রাজীব কুমারের খোঁজে এবার কালীঘাট মন্দিরে গেল সিবিআই। রবিবার সন্ধ্যায় সিবিআই আধিকারিকদের কাছে খবর আসে, রাজীব কুমারের মা ও স্ত্রী কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিতে গিয়েছেন। সেই খবর পেয়েই সিবিআইয়ের একটি টিম সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বেরিয়ে কালীঘাটে যায়। যখন সিবিআই আধিকারিকরা কালীঘাটে পৌঁছান, ততক্ষণে পুজো দিয়ে বেরিয়ে পড়েছেন রাজীব কুমারের পরিজনরা। সিবিআই আধিকারিকরা মন্দিরের পুরোহিত ও আরও কয়েকজন সেবায়েতের সঙ্গে কথা বলেন। মন্দিরের আশপাশে কিছুক্ষণ থাকেন টিমের সদস্যরা। তার পর তাঁরা কালীঘাট থেকে বেরিয়ে আসেন।
[আরও পড়ুন: বায়ুসেনার শক্তি বাড়াতে আরও ৩৬টি রাফালে যুদ্ধবিমান কিনছে ভারত!]
এদিকে সারদার পর এবার রোজভ্যালি মামলাতেও রাজীব কুমারকে জেরা করতে চেয়ে তাঁর বাড়িতে নোটিস দিল সিবিআই। রবিবার পার্ক স্ট্রিটে প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমারের আবাসনে গিয়ে নোটিস দেন সিবিআইয়ের পাঁচজন আধিকারিক। এদিকে, সোমবারই হাই কোর্টে রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন করতে পারেন তাঁর আইনজীবীরা। সারদা মামলায় আরও কিছু তথ্য চেয়ে ডিসি (পোর্ট) সৈয়দ ওয়াকার রাজাকে চিঠি দিয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর, তিনি সিআইডির স্পেশাল সুপার পদে থাকার সময় শুল্ক দপ্তরের সঙ্গে চিটফান্ডের ‘সিট’-এর একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে রাজীব কুমার উপস্থিত ছিলেন বলে সিবিআইয়ের কাছে খবর। বৈঠকে কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছিল ও সেই বিষয়ক কোনও নথিপত্র আছে কি না, সিবিআইয়ের আধিকারিকরা ডিসি (পোর্ট)-এর কাছে জানতে চেয়েছেন। যদিও অসুস্থতার কারণে এই পুলিশকর্তা এখন ছুটিতে। তিনি এই চিঠির বিষয়ে কিছু জানেন না বলে জানিয়েছেন।
[আরও পড়ুন: ফের ধাক্কা রাজীব কুমারের, আগাম জামিনের আবেদন খারিজ আলিপুর আদালতেও]
জানা গিয়েছে, এর আগে একবার রোজভ্যালি মামলায় রাজীব কুমারকে সিবিআই জেরা করে। চিটফান্ড মামলায় যে ‘সিট’ গঠন করা হয়, তার দায়িত্বে ছিলেন রাজীব কুমার। রোজভ্যালি মামলার তদন্ত শুরু করে সিবিআই ‘সিট’-এর কাছ থেকে কিছু নথিপত্র চায়। সিবিআইয়ের অভিযোগ, বহু নথিপত্র তাদের হাতে আসেনি। এই বিষয়ে তদন্ত করতেই সোমবার ১১টায় সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআইয়ের দফতরে রাজীব কুমারকে তলব করা হয়েছে। এদিকে, শনিবার আলিপুর আদালতে রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ হয়ে যায়। সোমবার তাঁর আইনজীবীরা হাই কোর্টে রাজীব কুমারের আগাম জামিনের আবেদন করতে পারেন। এদিনও রাজীব কুমারের সন্ধানে সিবিআই কলকাতা ও তার আশপাশে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালায়। এদিন আলিপুর বডিগার্ড লাইন্সে সিবিআই টিম গিয়ে রাজীব কুমারের দু’জন দেহরক্ষী তথা দুই পুলিশকর্মীকে জেরা করে। তাঁদের সঙ্গে রাজীব কুমারের শেষ কোথায় দেখা হয়েছিল, তা জানতে চায় সিবিআই। এদিন সিবিআইয়ের একটি টিম একটি পরিবহণ সংস্থার কর্তা-সহ চারজন ব্যবসায়ীকেও জেরা করে। সাম্প্রতিককালে ওই পরিবহণ সংস্থার কর্তা রাজীব কুমারের কোনও গন্তব্যের বিমান বা ট্রেনের টিকিট কেটে দিয়েছেন কি না, তা সিবিআই জানতে চেয়েছে। এ ছাড়াও তিনি তাঁর পরিচিত ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন কি না, তা-ও জানার চেষ্টা করছে সিবিআই।
সর্বশেষ খবর
-
বৃদ্ধের খাবারে ঘুমের ওষুধের কড়া ডোজ, আলমারি ‘সাফ’ করে গায়েব পরিচারিকা!
-
পরিবর্তনের দুর্গোৎসবে শুধু ‘বড়’ নয়, ‘ছোট’দের পুজোর উদ্বোধনেও মুখ্যমন্ত্রী, তৈরি হচ্ছে তালিকা
-
কলকাতায় বিশ্বকাপারদের হ্যাটট্রিক! ব্রাজিল-উরুগুয়ের পর ফের বিদেশি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত
-
কলকাতার বধূকে চাকরির লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশে পাচার! অবশেষে সীমান্ত পেরিয়ে ফিরলেন মধুমিতা
-
৪ নেতাকে সাসপেন্ড, এক্তিয়ার মনে করিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সভানেত্রীকে শোকজ করল বিজেপি!