সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুরসভায় ঢুকে উপ পুরপ্রধানের গায়ে হাত তোলাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র বিরাটি। অভিযোগের তির, এক নির্মাণ সংস্থার ঠিকাদারের দিকে। অভিযোগ, ওই ঠিকাদার আচমকাই উপ পুরপ্রধানের ঘরে ঢুকে তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। মারধরের জেরে আঘাত পেয়েছেন উত্তর দমদম পুরসভার উপ পুরপ্রধান শেখ নাজিমুদ্দিন। এদিকে রমজান মাসে উপ পুরপ্রধানের গায়ে হাত তোলার ঘটনায় বিক্ষোভ শুরু করেন তাঁর অনুগামীরা। লাগোয়া বিরাটি স্টেশনে বসে শুরু হয় অবরোধ বিক্ষোভ। এই বিক্ষোভের জেরে কাজের দিনে শিয়ালদহ বনগাঁ শাখায় ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিপাকে পড়েন নিত্যযাত্রীরা। অনেক সাধ্য সাধনায় প্রায় ঘণ্টাখানেক অবরোধের পর বিক্ষোভ তুলে নেন আক্রান্ত উপ পুরপ্রধানের অনুগামীরা।
[প্রকাশিত জয়েন্ট এন্ট্রান্সের ফল, প্রথম সাউথ পয়েন্টের অভিনন্দন বসু]
জানা গিয়েছে, উত্তর দমদম পুরসভায় গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে জেরবার শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস। এখানে পুরপ্রধান কল্যাণ কর ও উত্তর দমদম শহর তৃণমূলের সভাপতি বিধান বিশ্বাসের একটি গোষ্ঠী রয়েছে। অন্যদিকে এদিনের আক্রান্ত উপ পুরপ্রধানেরও পৃথক গোষ্ঠী রয়েছে। দুই তরফের অনুগামীদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই চলতেই থাকে। পুরসভার উদ্যোগে যে নির্মাণের কাজকর্ম হত তারজন্য নির্দিষ্ট একটি ঠিকাদার সংস্থা ছিল। সেই সংস্থা বেশকিছু জায়গায় পুরসভার কাজের বরাত পায়নি। উপ পুরপ্রধান সংস্থাটিকে কাজের বরাত দেননি বলে খবর। অভিযোগ, এই কারণেই নাকি বুধবার পুরসভায় ঢুকে উপ-পুর প্রধানের উপরে হামলা করে ওই নির্মাণ সংস্থার ঠিকাদার। কেন তাকে বরাত দেওয়া হয়নি, জানতে চেয়ে উত্তরের অপেক্ষা না করেই তাঁর গায়ে হাত তোলে। রোজা করছিলেন শেখ নাজিমুদ্দিন, সেই অবস্থাতেই তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। এদিকে পুরসভায় মার খাচ্ছেন উপ পুরপ্রধান। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে যান তাঁর অনুগামীরা। হামলাকারীকে তাঁরাও বেধড়ক মারধর করেন বলে অভিযোগ। এদিকে ঠিকাদার সংস্থার মালিকের মারধরের খবর পেয়ে বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত। শুরু হয়ে যায় দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি। এর জেরে দু’তরফের ১০ জন আহত হন। তাঁদের বিভিন্ন হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

অন্যদিকে রমজান মাসে উপ পুরপ্রধানের গায়ে হাত তোলায় সুবিচার চেয়েছেন শেক নাজিমুদ্দিনের অনুগামীরা। দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে নিমতা থানা ঘেরাও করে তাঁরা বিক্ষোভও দেখান। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। দলীয় কোন্দলের আঁচ পেয়ে ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামেন। এদিকে সৌগতবাবুর সঙ্গে বিরুদ্ধ গোষ্ঠী বিধান বিশ্বাসের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। সে খবর জানে শেখ নাজিমুদ্দিনের অনুগামীরা। তাই হুড়োহুড়ির মধ্যে সৌগত রায়ের গায়েও ধাক্কা লাগে। তিনি গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের ঘটনায় সমঝোতা করে সমাধানে আসার পথ বাতলান। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
[ফের ক্যাপটিভ ব্রিডিং আলিপুর চিড়িয়াখানায়, নয়া অতিথির অপেক্ষা আধিকারিকদের]
সর্বশেষ খবর
-
গণেশ পুজোতেও ভিজবে কলকাতা? দক্ষিণবঙ্গে ফের নিম্নচাপের খাঁড়া! উত্তরেও জারি বৃষ্টি
-
‘মুসলিমদের থেকে হিন্দুরাই বেশি বিফ খায়!’, বলেই বিতর্কে ‘ঝিলিক’ তিথি
-
চ্যাম্পিয়নশিপ রাউন্ডে প্রতিপক্ষ কোল ইন্ডিয়া, প্রথম একাদশে একাধিক পরিবর্তন মোহনবাগানের
-
এক রেজিনগর দখলে একাধিক বিধায়ককে দায়িত্ব! সংখ্যালঘু গড়ে পদ্ম ফোটাতে মেগা পরিকল্পনা বিজেপির
-
বিধানসভায় পেশ বহুচর্চিত ‘অধ্যাপক বদলি’ বিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষমতার ‘খর্ব’ নিয়ে প্রশ্ন বিরোধীদের