সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুধু বাংলাই নয়, ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Election 2024) বাংলার বাইরেও জিতবে তৃণমূল কংগ্রেস। একুশে জুলাইয়ের শহিদ সমাবেশের মঞ্চ থেকে রীতিমতো হুঙ্কার ছাড়লেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বুঝিয়ে দিলেন, জাতীয় স্তরে আগামী দিনে বিজেপির বিকল্প হিসাবে দেখা যাবে তৃণমূলকেই।
একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বাংলায় বিপুল জয়ের পর রাজ্যের বাইরে সংগঠন বিস্তারের কাজ শুরু করেছে তৃণমূল। খোদ দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একাধিক রাজ্যে সংগঠন দেখাশোনা করছেন। গোয়া, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসমের মতো রাজ্যে তৃণমূলের (TMC) সংগঠন এখন যথেষ্ট শক্তিশালী। সীমিত সময়ে অভাবনীয় সাফল্যও পেয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই গোয়ার বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল লড়াই করেছে। আগামী দিনে মেঘালয়, অসম-সহ অন্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করবে তৃণমূল। তবে এ রাজ্যের শাসকদলের আসল লক্ষ্য যে লোকসভা নির্বাচন, সেটা একুশের মঞ্চে দাঁড়িয়ে বুঝিয়ে দিলেন অভিষেক।
[আরও পড়ুন: বসিরহাটে বসে উত্তরাখণ্ডের প্রধান বিচারপতির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক, গ্রেপ্তার বাংলার রাজিবুল]
তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক একুশের সভা থেকে জানিয়েছেন, এবারের শহিদ সমাবেশের মঞ্চ শুধু পঞ্চায়েত নির্বাচনের লড়াইয়ের সোপান নয়, দেশ থেকে বিজেপিকে (BJP) উৎখাত করার লড়াইয়ের সূত্রপাতের মঞ্চ। সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপিকে উৎখাত করার মঞ্চ। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় একুশের মঞ্চ থেকে বলেছেন, “২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে বাংলাতে তো তৃণমূল জিতবেই, মানুষের আশীর্বাদে বাংলার বাইরেও একাধিক রাজ্যে জিতবে। সে ত্রিপুরা হোক, মেঘালয় হোক, তৃণমূল জিতবে।”
[আরও পড়ুন: ‘প্রকল্প হবে বাংলার নামেই, না হলে কেন্দ্রের টাকা লাগবে না’, হুঙ্কার অভিষেকের]
Trinamool Congress stands for the people, stands for the grassroots, for their interests.
– Shri @abhishekaitcWe are not a party of hoarders and profiteers. Those who come to us with that goal have no space in our family.#ShahidDibas pic.twitter.com/dZWYvkdCgF
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) July 21, 2022
তবে বিজেপির বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে জিততে হলে দলের নেতা ও কর্মীদের যে আরও শৃঙ্খলাবদ্ধ হতে হবে, সেটাও এদিনের সভা থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। অভিষেক সভা থেকে বলেছেন, “তৃণমূল নিজেদের করে খাওয়ার জায়গা নয়, তৃণমূল করতে হলে মানুষের কথা ভাবতে হবে। কোনও দাদাকে ধরে পঞ্চায়েতের টিকিট পাওয়া যাবে না, মানুষের সার্টিফিকেট আনতে হবে।” দলীয় কর্মীদের একপ্রকার হুঁশিয়ারি দিয়ে অভিষেক জানিয়ে দিয়েছেন, হয় তৃণমূল করতে হবে, নাহয় ঠিকাদারি করতে হবে। দুটো একসঙ্গে হবে না। তৃণমূল (TMC) মানুষের জন্য, নিজেদের করে খাওয়ার জায়গা নয়। একুশের মঞ্চ থেকেই গণতান্ত্রিক, গঠনমূলক এবং মানুষের জন্য সরকার গড়ার ডাক দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ।