BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

মুখ্যমন্ত্রীর সতর্কবার্তার পরও হুঁশ ফিরছে না, ফের দুর্গাপুজো নিয়ে ভুয়ো পোস্ট করে ধৃত ২

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: September 10, 2020 9:57 pm|    Updated: September 10, 2020 10:02 pm

An Images

অর্ণব আইচ: পুজো নিয়ে ফের সোশ্যাল মিডিয়ায় (Social Media) ভুয়ো পোস্ট ছড়ানোর অভিযোগে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার ২। এক আগে একই অভিযোগে বারাকপুর এলাকা থেকে পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল দুই যুবক। লালবাজারের সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার কেশবচন্দ্র মণ্ডল ও শুভজিৎ ঘোষ নামে দুজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। তাঁদের মধ্যে একজনের বাড়ি দক্ষিণ শহরতলির রিজেন্ট পার্ক এলাকায়। অন্যজন থাকেন পূর্ব কলকাতার পঞ্চসায়রে।

সম্প্রতি পুজো নিয়ে একটি ভুয়ো ফেসবুক (Facebook) পোস্ট হয়। তাতে সরকার ও পুলিশের নাম ছিল। এই পোস্ট গোটা রাজ্যে তোলপাড় ফেলে দেয়। ওই পোস্টে বলা হয়েছিল, পুজোর সময় নাইট কারফিউ চলবে, অষ্টমীর অঞ্জলিতে ফুল থাকবে না, সিঁদুরখেলা হবে না, প্যান্ডেল ঘুরে ঘুরে ঠাকুর দেখাও যাবে না। এই পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে হোয়াটসঅ্যাপেও। যদিও রাজ্য সরকার বা পুলিশ কেউই দুর্গাপুজো নিয়ে এখনও কোনও নিয়মাবলি প্রকাশ করেনি। তা সত্বেও সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টে সাধারণ মানুষ থেকে পুজো উদ্যোক্তা – প্রত্যেকেই বিভ্রান্ত হন।

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা, রয়েছেন হোম আইসোলেশনে]

এ নিয়ে সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দেন। সেইসঙ্গে সকলকে হুঁশিয়ারিও দেন যে এ ধরনের ভুয়ো পোস্টের ক্ষেত্রে কড়া পদক্ষেপ নেওয়া হবে প্রশাসনের তরফে। এরপরই তৎপর হয় পুলিশ প্রশাসন। বুধবার বারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ দু’জনকে গ্রেপ্তার করে সোদপুরের ঘোলা থেকে। একইসঙ্গে তদন্ত চালায় লালবাজারের সাইবার থানাও। বৃহস্পতিবার কেশব ও শুভজিৎকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের দাবি, তারা মজা করার জন্যই এই পোস্ট ছড়িয়েছে তারা। যদিও এই ভুয়া পোস্ট ছড়ানোর পিছনে ধৃতদের অন্য কোনও উদ্দেশ্য ছিল কি না, তা জানতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির পরও যে ভুয়ো পোস্ট থেকে বিরত থাকছে না অনেকেই, আজকের গ্রেপ্তারি তার প্রমাণ।

[আরও পড়ুন: চিকিৎসার অভাবে ইছাপুরের তরুণের মৃত্যুতে কড়া শাস্তি নার্সিংহোমের, জমা দিতে হবে ৫ লক্ষ টাকা]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement