Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
দুর্ঘটনা

ভোরের শহরে পরপর দুর্ঘটনা, চিৎপুরে একজনকে পিষে দিল গাড়ি

ঘটনার তদন্তে চিৎপুর থানার পুলিশ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৯, ১৫:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০১৯, ১৫:৪৮

options
link
ভোরের শহরে পরপর দুর্ঘটনা, চিৎপুরে একজনকে পিষে দিল গাড়ি zoom

অর্ণব আইচ:  শহর কলকাতায় পথের বলি ১।  আহত ১ প্রৌঢ়ও। পৃথক দুটি ঘটনা ঘটেছে চিৎপুর থানা এলাকার খগেন চ্যাটার্জি রোড ও পাইকপাড়ায়। জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম অর্জুন জয়সওয়ারা। আহত জহর দাস। ইতিমধ্যেই পৃথক দুটি ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে চিৎপুর থানার পুলিশ।

[আরও পড়ুন: সাময়িক স্বস্তি অর্জুনের, আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর সুপ্রিম কোর্টের]

বুধবার ভোরে ৫.৫০ নাগাদ প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে চিৎপুর থানা এলাকার পাইকপাড়ায়। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে দ্রুত গতিতে ধেয়ে আসা একটি গাড়ি পাইকপাড়ার কাছে এক পথচারীকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত হন ওই প্রৌঢ়। রক্তাক্ত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে আর জি কর হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে সেখানেই চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তি। সূত্রের খবর, আহত প্রৌঢ়ের নাম জহর দাস। পাইকপাড়ার বাসিন্দা ওই প্রৌঢ়। জানা গিয়েছে, যে গাড়িটি জহরবাবুকে ধাক্কা দিয়ে চম্পট দিয়েছে সেই গাড়ি ও চালকের খোঁজে ইতিমধ্যেই তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ

Advertisement

এর ঘণ্টা দুয়েকের ব্যবধানে ফের পথ দুর্ঘটনা ঘটে চিৎপুর থানার খগেন চ্যাটার্জি স্ট্রিট এলাকায়। জানা গিয়েছে, এদিন সকাল ৭.৫০ নাগাদ খগেন চ্যাটার্জি স্ট্রিট সংলগ্ন রেলগেট এলাকায় এক পথচারীকে ধাক্কা দিয়ে চম্পট দেয় একটি গাড়ি। রক্তাক্ত অবস্থায় ওই পথচারীকে উদ্ধার করে আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, মৃত ব্যক্তির নাম অর্জুন জয়সওয়ারা। ৪৬ জি লকগেট এলাকার বাসিন্দা ওই ব্যক্তি।

[আরও পড়ুন: ফের উত্তপ্ত তুফানগঞ্জ, বিজেপি কার্যালয়ে হামলায় কাঠগড়ায় তৃণমূল]

প্রসঙ্গত, প্রায় প্রতিদিনই শহর কলকাতার পাশাপাশি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক দুর্ঘটনার খবর প্রকাশ্যে আসে। দুর্ঘটনা রুখতে একাধিক উদ্যোগও নিয়েছে রাজ্য সরকার। চালু করেছে সেফ ড্রাইভ সেভ লাইফ প্রকল্প। জোরকদমে তাঁর প্রচারও করা হচ্ছে সরকারের তরফে। কিন্তু তা সত্বেও বারবার দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটছে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে কি ফাঁক থেকে যাচ্ছে প্রচারেই? সচেতন হচ্ছেন না নাগরিকরা? উঠছে প্রশ্ন। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.