Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Mamata Banerjee

‘অবিচার হয়েছে’, প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর দাবি মমতার

আলিপুরের সরকারি অতিথি ভবনে রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্য়পাল। সেখানেই দেখা হয় তাঁদের।

Advertisement
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ২০:৩৪

link
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়
ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: মার্চ ১০, ২০২৬, ২০:৩৪

options
link
‘অবিচার হয়েছে’, প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে সাক্ষাতের পর দাবি মমতার zoom
প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে সাক্ষাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। নিজস্ব চিত্র

ধর্মতলার ধরনা প্রত্যাহারের পরই রাজ্যের প্রাক্তন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আলিপুরের সরকারি অতিথি ভবনে রয়েছেন প্রাক্তন রাজ্য়পাল। সেখানেই দেখা হয় তাঁদের। সাক্ষাৎ শেষে বেরিয়ে মমতার দাবি, ভোটের আগে প্রাক্তন রাজ্যপাল বোসের সঙ্গে অবিচার হয়েছে।

মমতার দাবি, “ওঁর প্রতি যা অন্যায় হয়েছে। অবিচার হয়েছে। ভোটের আগে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।”

মমতা বলেন, “উনি কাল চলে যাচ্ছেন। ওঁর সঙ্গে অনেকদিন কাজ করেছি। ওঁর পরিবারকেও আমি চিনি। বাংলার শিষ্টাচার হিসাবে আমি তাঁর শুভকামনা করি। ওঁর প্রতি যা অন্যায় হয়েছে। অবিচার হয়েছে। ভোটের আগে ওঁকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা পুরোপুরি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আমার মনের কথা ওঁকে বলে এসেছি। আমি অনুরোধ করেছি আপনি বাংলায় এতদিন ছিলেন। বাংলাকে ভালো বোঝেন। আবার বাংলায় আসুন।”

Advertisement
Mamata-2
প্রাক্তন রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ছবি: ফেসবুক

গত ৫ মার্চ সন্ধ্যায় আচমকা বাংলার রাজ্যপালের পদ থেকে সিভি আনন্দ বোসের ইস্তফা দেওয়ার খবর মেলে। তারপর থেকেই এই ইস্তফার কারণ নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। কোনও চাপের মুখে তাঁর এই সিদ্ধান্ত, এমন মতপ্রকাশ করে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, এই খবরে তিনি অত্যন্ত বিস্মিত। এনিয়ে জল্পনা যখন তুঙ্গে, সেসময় শনিবার এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করে আনন্দ বোস জানান, “বাংলায় আমার ইনিংস শেষ হতে চলেছে। বাংলার মানুষদের কাছে স্নেহ ও শুভেচ্ছার জন্য ঋণী। কেরলম আমার রাজ্য। আমি কেরলমে বিকশিত ভারতের লক্ষ্যে কাজ করব। এই মহান লক্ষ্যে আমি জাতীয় নেতৃত্বের নির্দেশনায় কাজ করব। নিজের রাজ্যকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করব।” আর রবিবার কলকাতায় পা রেখে তিনি ফের জানালেন, ইস্তফা দেওয়া তাঁর সচেতন সিদ্ধান্ত। আনন্দ বোসের ছোট্ট মন্তব্য, ‘কারণ সঠিক সময় বলব।’এভাবে বোস যে ধোঁয়াশা জিইয়ে রাখলেন সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.