Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

কোন জাদুমন্ত্রে সাত-সাতটা নির্বাচন জিতেছিল বামেরা? ফিরে দেখা অভিজ্ঞতার আয়নায়

অনেকেই বলেন, সিপিএম পার্টিতে যতদিন অনিল বিশ্বাস ছিলেন, ততদিন তিনি পার্টির জয়লাভকে সুনিশ্চিত করার জন্য সবরকম সাম, দান, দণ্ড, ভেদ নীতি প্রয়োগ করতে জানতেন।

Advertisement
জয়ন্ত ঘোষাল
জয়ন্ত ঘোষাল

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১২:৫০

link
জয়ন্ত ঘোষাল
জয়ন্ত ঘোষাল

শেষ আপডেট: মার্চ ১৩, ২০২৬, ১২:৫০

options
link
কোন জাদুমন্ত্রে সাত-সাতটা নির্বাচন জিতেছিল বামেরা? ফিরে দেখা অভিজ্ঞতার আয়নায় zoom
কোন জাদুতে ৭বার জিতে সরকার গড়েছিল সিপিএম? বঙ্গভোটের ইতিহাসের কথা। অলংকরণ: সোমোশ্রী দাস

ভোটের আবহ। নির্বাচনী ইস্তেহার, দেওয়াল লিখন, প্রচার। নানা দলের নানা মত – মিটিং, মিছিল, বৈঠক। বাংলার ভোট চিরকাল একই ধাঁচের থাকেনি। সময় বদলেছে, বদলেছে ভোটের চরিত্র, বিবিধ রং-রূপ। বাংলার ভোট-ইতিহাসের কম জানা-অজানা নানা কিস্‌সা নিয়ে ধারাবাহিক কলম। বঙ্গভোটের ইতিহাসের আজ দ্বিতীয় পর্ব

‘পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি’ কথাটা আজকের নয়। সিপিএম জমানা থেকেই। আজকের মতো ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, সোশাল মিডিয়া ছিলন না তখন। লুম্পেন, সমাজবিরোধীদের দিব্যি পুষত সিপিএম! আত্মনিয়ন্ত্রণ, সংশোধনের বহু কথাই বলেছে সিপিএম তখন। গণশক্তি কিনেও কেউ কেউ প্রমাণ করার চেষ্টা করত – আমরা পার্টির লোক। পশ্চিমবঙ্গে পরপর সাত-সাতটা নির্বাচনে সিপিএম জিতেছিল।‌ ’৭৭ সালে রাইটার্সে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর ’৮২, ’৮৩, ’৯১, ’৯৬, ২০০১ – তারপর ২০০৬। বারবার জিতেছিল বামফ্রন্ট। ২৯৪টি বিধানসভা আসন। প্রত্যেকবারই দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আদায় করা চাট্টিখানি ব্যাপার ছিল না। এমনকী, ২০০১ সালে বামফ্রন্টের প্রধান শরিক সিপিএম একাই ২৯৪টি আসনের অর্ধেক পেয়ে গিয়েছিল।

Advertisement

‘পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি’ কথাটা আজকের নয়। সিপিএম জমানা থেকেই। আজকের মতো ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, সোশাল মিডিয়া ছিলন না তখন। লুম্পেন, সমাজবিরোধীদের দিব্যি পুষত সিপিএম! আত্মনিয়ন্ত্রণ, সংশোধনের বহু কথাই বলেছে সিপিএম তখন। গণশক্তি কিনেও কেউ কেউ প্রমাণ করার চেষ্টা করত – আমরা পার্টির লোক। 

আজ‌, এত বছর পর এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজা দরকার। কী করে সিপিএম এই অসাধ্যসাধন করেছিল? কোন জাদুবলে? পশ্চিমবঙ্গের মানুষ কী তবে মার্কসীয় মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে বিপ্লবী গণচেতনায় এ রাজ্যে সমাজতন্ত্র স্থাপনের স্বপ্ন দেখে ফেলেছিল? বাস্তব চিত্র কিন্তু বিপরীত সত্যকেই চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিল।

১৯৮৭ সালের বিধানসভা ভোটের কিছুদিন আগের কথা। আমার চার দশক সাংবাদিকতা হয়ে গেল। একথা কোথাও কখনও লিখিনি, বলিওনি। নিজের কথা তো। নিজের অভিজ্ঞতা।‌ হাওড়ার শিবপুর ট্রামডিপোর কাছে মন্দিরতলায় ছিল আমাদের পৈতৃক বাড়ি। যেখানে এখন নবান্ন।‌ ট্রামডিপোতে নেমে বাড়ি ফিরতাম। সেদিন ট্রামডিপো নেমে শর্টকাটের জন্য একটা সরু গলি দিয়ে হনহন করে হাঁটছিলাম।‌ হাওড়ার গলিগুলিকে তখন আকছার বেনারসের গলির তুলনা করা হত। হঠাৎ চার-পাঁচজন যুবক অন্ধকারের মধ্যে অতর্কিতে সামনে এসে আমাকে ঘিরে ফেলল।‌ ওদের মধ্যমণি – লিডার গোছের যুবকটি আমার বুকে‌ একটা রিভলবার ঠেকিয়ে বলেছিল, প্রতিদিন সিপিএমের বিরুদ্ধে লিখছিস, এবার এসব বন্ধ করতে হবে। তা নাহলে এখনই দেওয়ালে ক্যালেন্ডার করে দেব। আসলে হাওড়ার এক স্কুলের সচিব ছিল এক প্রভাবশালী সিপিএম নেতা। তার সঙ্গে প্রধান শিক্ষিকার চূড়ান্ত বিবাদ নিয়ে তখন আমি নিয়মিত লিখে চলেছি। সেই শিক্ষিকা, সিপিএমের জুলুম, দুর্নীতি, অন্যায্য ব্যবহারের কথা বলেই চলেছেন, আর আমিও লিখেই চলেছি। ভোটের আগে বিরোধীপক্ষ, সেসময় কংগ্রেস, এ ঘটনা নিয়ে হট্টগোল জুড়ে দিয়েছে। বুকে রিভলবার। জীবনে প্রথমবার এহেন অভিজ্ঞতা।‌ বয়সও কাঁচা। হতে পারে তখন আমার অবস্থা হয়েছিল অনেকটা জয়বাবা ফেলুনাথের লালমোহন গাঙ্গুলিরই মতো। আমাকে মেরে ফেলার অভিপ্রায় ওদের ছিল না। ভয় দেখানোই ছিল ওদের উদ্দেশ্য।

ওদের মধ্যমণি – লিডার গোছের যুবকটি আমার বুকে‌ একটা রিভলবার ঠেকিয়ে বলেছিল, প্রতিদিন সিপিএমের বিরুদ্ধে লিখছিস, এবার এসব বন্ধ করতে হবে। তা নাহলে এখনই দেওয়ালে ক্যালেন্ডার করে দেব। আসলে হাওড়ার এক স্কুলের সচিব ছিল এক প্রভাবশালী সিপিএম নেতা। তার সঙ্গে প্রধান শিক্ষিকার চূড়ান্ত বিবাদ নিয়ে তখন আমি নিয়মিত লিখে চলেছি। সেই শিক্ষিকা, সিপিএমের জুলুম, দুর্নীতি, অন্যায্য ব্যবহারের কথা বলেই চলেছেন, আর আমিও লিখেই চলেছি।

তখন হাওড়ার পুলিশ কমিশনার ছিলেন প্রসূন মুখোপাধ্যায়। প্রতিদিন অফিস আসার সময় কোর্ট চত্বরে এসপি অফিসে একপ্রস্থ আড্ডা মেরে আসতাম।‌ পরদিন সকালে, কথায় কথায় প্রসূনবাবুকে আগের রাতের ঘটনা বলতেই তিনি একটা ‘এফআইআর’ করে নিতে বললেন। তিনি বলছেন, আমি না জানালে বা না শুনলে তা একরকম হত – এখন যখন আমি শুনে ফেলেছি, যদি কোনও ব্যবস্থা না নিই তবে তোমরাই বলবে: ‘সাংবাদিকদের উপর হামলার ঘটনাতে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নিল‌ না।’ সে আবার আরেকটা ঝামেলা হবে! আরেকটা ‘ইস্যু’ হবে।

সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাস। ফাইল ছবি

আত্মকথন মার্জনা করবেন। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কাহিনি দিয়ে শুরু করলাম আজকের পর্বটি। শুধু একথাটা বলার জন্যই যে, সিপিএম ভোটে বারবার জিতেছে। সেদিন জেলায় জেলায় ছিল শাসকদলের ভয়াবহ আধিপত্যকামিতার কাহিনি। আলিমুদ্দিন স্ট্রিটের শিক্ষা সেল যেমন স্কুল-কলেজের শিক্ষক শুধু নয়, ছাত্র সংগঠনগুলিকেও নিয়ন্ত্রণ করত। আবার জেলায় জেলায় পার্টিগুলিতে ব্যাপকভাবে ঢুকে পড়েছে লুম্পেন, সমাজবিরোধী, মাফিয়ারাজ। পরবর্তীকালে সিপিএম সেকথা স্বীকারও করেছিল।‌ আত্মশুদ্ধি, মতাদর্শগত প্রচার, বিপ্লবী গণচেতনা ছড়িয়ে দেওয়ার ডাক – এসবও ছিল।

কিন্তু ২০০৬ সালে সপ্তমবারের জন্য বামফ্রন্ট যখন ক্ষমতায় আসে তখন স্লোগান ছিল: কৃষি আমাদের ভিত্তি এবং শিল্প আমাদের ভবিষ্যৎ। আসলে ভোটে জেতার জন্য দরকার ছিল আলাদা ম্যানেজমেন্ট। আর সেই ম্যানেজমেন্ট ওই লুম্পেনদের বাদ দিয়ে ছিল না।‌ তাদের সাহায্য ছাড়া ভোটে জেতার কৌশল রচনা করা হবে কী করে? অনেকেই বলেন, সিপিএম পার্টিতে যতদিন অনিল বিশ্বাস ছিলেন, ততদিন তিনি পার্টির জয়লাভকে সুনিশ্চিত করার জন্য সবরকম সাম, দান, দণ্ড, ভেদ নীতি প্রয়োগ করতে জানতেন।

আসলে ভোটে জেতার জন্য দরকার ছিল আলাদা ম্যানেজমেন্ট। আর সেই ম্যানেজমেন্ট ওই লুম্পেনদের বাদ দিয়ে ছিল না।‌ তাদের সাহায্য ছাড়া ভোটে জেতার কৌশল রচনা করা হবে কী করে? অনেকেই বলেন, সিপিএম পার্টিতে যতদিন অনিল বিশ্বাস ছিলেন, ততদিন তিনি পার্টির জয়লাভকে সুনিশ্চিত করার জন্য সবরকম সাম, দান, দণ্ড, ভেদ নীতি প্রয়োগ করতে জানতেন।

ভোটার তালিকা সংশোধন থেকে দলীয় মেশিনারির কাজ করা শুরু করত। ২৯৪ আসনের প্রতিটি বুথে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ সিপিএম শুরু করে দিত অনেক আগে। দলের কর্মীদের যেভাবে সিপিএম পেত, সেভাবে বিরোধী কংগ্রেসের কর্মীদের দেখা যেত না। ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পরেও বহু জায়গায় প্রার্থী হওয়ার জন্য কংগ্রেসে যতটা গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, মারামারি দেখেছি, ততটা দলের সংগঠনকে মজবুত করার জন্য সুশৃঙ্খল প্রয়াস দেখতে পাইনি। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পার্টি কর্মীদের ম্যানিং, বুথ দখল বা বুথ ক্যাপচারিং প্রত্যন্ত গ্রামের কোনও কোনও এলাকায় হলেও শহর-মফস্বল এলাকায় তা হত‌ না। সেদিন ভোটার তালিকাতেই জল মেশানো হত বলে অভিযোগ উঠত। অর্থাৎ, ভোট শুরু হওয়ার আগেই ভোটার তালিকাতেই অর্ধেক কাজ হয়ে যেত। ভুয়ো ভোটার, মৃত ভোটাররা ভোট দেয় – এই অভিযোগ সেদিনও উঠত।‌ বুথ জ্যাম করা হত ক্যাডারদের দিয়ে। বারবার ছাপ্পা ভোটের অভিযোগও উঠত। টি এন সেশনের মতো শক্তিশালী মুখ্য নির্বাচনী কমিশনার প্রচুর হম্বিতম্বি করলেও শেষপর্যন্ত বাস্তবে এসব ভুয়ো ভোটার খুঁজে বের করতে তিনিও সক্ষম হন‌নি। তাঁর জমানাতেই জ্যোতি বসু আবার ক্ষমতায় ফিরে এসেছিলেন।

বাম জমানায় সবচেয়ে বেশি সময়ের মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু। ফাইল ছবি

তবে জ্যোতি বসু যা পেরেছিলেন, তা বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সময় সিপিএম তা পারল না।‌ প্রশ্ন হল, কী করেই বা সিপিএম এতদিন ক্ষমতায় ছিল? আর কেনই বা বুদ্ধদেববাবুকে এনে সরকার বা দলকে সিপিএমের ‘নবীনতর নতুন অধ্যায়’ বলে চিহ্নিত করা সত্ত্বেও কেন বঙ্গদেশের ভোটের ইতিহাসে কমিউনিস্টদের শেষরক্ষা হল না? ক্ষমতায় থাকার সময় রাজ্য কমিটি থেকে জেলা কমিটি, তারপর লোকাল কমিটি, যাকে বলা হত ‘এলসি’ এসবই ছিল প্রবল ক্ষমতাশালী সব সংগঠন।‌ সরকারি ভরতুকি আর প্রকল্পের সুযোগ-সুবিধা দলীয় কর্মীদের পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি! সেসবও কিন্তু বাম জমানায় চরমে উঠেছিল। এই পরিষেবার ভিত্তিতে গড়ে উঠেছিল পার্টিতন্ত্র। রাজ্য কংগ্রেস তখন ব্যস্ত জেলায় জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, অন্তর্দ্বন্দ্বের কাহিনি নিয়ে।‌ সেসময় কংগ্রেসের প্রার্থী বাছাই নিয়ে প্রিয়-সুব্রত-সোমেন গোষ্ঠীর লড়াই কি কম হয়েছে? পরে দেখা গেল মমতার আন্তরিক সিপিএম বিরোধী লড়াইকে মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করল। সিপিএমের প্রতি মোহভঙ্গের পর্ব শুরু হল। সে এক মুষল পর্ব।

রাজ্য কংগ্রেস তখন ব্যস্ত জেলায় জেলায় গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, অন্তর্দ্বন্দ্বের কাহিনি নিয়ে।‌ সেসময় কংগ্রেসের প্রার্থী বাছাই নিয়ে প্রিয়-সুব্রত-সোমেন গোষ্ঠীর লড়াই কি কম হয়েছে?

Buddhadeb Bhattacharya
সিপিএম জমানার শেষ মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। ফাইল ছবি

আসলে দেশ বা রাজ্যের উন্নয়ন, আর ভোটে জেতা – দু’টি বিষয় কিন্তু সম্পূর্ণ পৃথক। ভোটে জেতার জন্য মানুষকে খুশি রাখা দরকার। তার জন্য গ্রামে গ্রামে পরিষেবা দিতে হয়। সিপিএম জমানায় আমাদের সাংবাদিকতায় একটা শব্দবন্ধ জনপ্রিয় হয়েছিল, বলা হত ‘পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি’। ’৮৭ সালের নির্বাচনের আগে বর্ধমানের নানা গ্রামে গিয়ে দেখেছিলাম, তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছ থেকে ‘আইআরডিপি’ প্রকল্পে গরিব মেয়েদের সেলাই মেশিন দেওয়া হচ্ছে। জেলা প্রশাসন সামনে থাকলেও আসলে পার্টি বেনিফিসিয়ারি তালিকা তৈরি করত। পার্টির বিরোধিতা যারা করবে তাদের সেলাই মেশিন দেওয়া হবে না। সেসময় এত চ্যানেল, এত সোশাল মিডিয়া, এত ইউটিউব ছিল না। গ্রামে গিয়ে মানুষজনের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানতে পেরেছি যে, সিপিএম সমর্থক নয়, এমন মানুষজনও পার্টির চাঁদা দিয়ে আর ‘গণশক্তি’ কাগজ কিনে প্রমাণ করার চেষ্টা করত যে, আমরাও পার্টির লোক। শেষ পর্যন্ত তারা কাকে ভোট দিত, তা অবশ্য সবসময় জানা যেত না।‌

পার্টির বিরোধিতা যারা করবে তাদের সেলাই মেশিন দেওয়া হবে না। সেসময় এত চ্যানেল, এত সোশাল মিডিয়া, এত ইউটিউব ছিল না।

জ্যোতি বসু মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময়ই শহরে অপরাধের সংখ্যা বাড়তে লাগল। আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে লাগল। একদিকে স্বপ্নভঙ্গের পর্ব। বেকারত্ব বাড়ছে, আর্থিক সংকট বাড়ছে। সমাজবিরোধী কার্যকলাপ স্বভাবতই বাড়ছে। আর অন্যদিকে বিকল্প তৈরি হচ্ছে।‌ কংগ্রেসের সমস্ত নেতা সুযোগ পেয়েছিলেন প্রথমে জ্যোতি বসু ও পরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে সরিয়ে ক্ষমতায় আসতে। তাঁরা সক্ষম হননি।‌ পেরেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

mamata banerjee
২০১১ সালে সিপিএম শাসন শেষে রাজ্যের ক্ষমতায় এলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

কিন্তু বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে কেন সিপিএমের পতনের শেষ পেরেকটি পুঁততে হল? নন্দীগ্রামে গুলি চলার পর সেই শেষের শুরু আমরা দেখলাম। কী হয়েছিল সিঙ্গুর-নন্দীগ্রামে? যার জন্য শেষপর্যন্ত সিপিএম শেষরক্ষা করতে পারল না? ভোটের সেই ইতিহাসের কথা নিয়ে আসছি খুব শীঘ্রই আবার।

(ক্রমশ)

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.