SIR নিয়ে উত্তাল রাজ্য-রাজনীতি। বৃহস্পতিবার অধিবেশনে এই ইস্যুতে বিধানসভা উত্তাল হওয়ার আশঙ্কা করছিল সব মহল। এদিন অধিবেশন শুরু হতেই এসআইআর (Bengal SIR) নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেয় তৃণমূল। কিন্তু আলোচনায় সম্মতি দিলেন না স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে না। তাতেই উষ্মাপ্রকাশ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আমরা প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিলাম। আগে কেন জানানো হল না?”
এই বিষয়ে আরও খবর
এদিন স্পিকার জানান, সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা যাবে না। পাশাপাশি তিনি জানান, শুধুমাত্র রাজ্যপালের ভাষণ নিয়েই আলোচনা হবে। এরপরই শুভেন্দু বলেন, “বিজ়নেস অ্যাডভাইজ়রি (বিএ) কমিটির রেজলিউশন সকালে জানানো হয়েছিল। আচমকা সেটা বদলে দেওয়া হচ্ছে। স্পিকার লিস্ট দিন। আমাদের জানানো হল এসআইআর নিয়ে আলোচনা হবে। আমরা তৈরি হয়ে এলাম। কিন্তু এখন বলছেন বলা হবে না। তাহলে কেন আগে বলা হল না?” এরপরই শুভেন্দু প্রশ্ন করেন, অধিবেশনে কারা বক্তৃতা করবেন, সেই বক্তাদের তালিকা নেই কেন? স্পিকার জানান, সরকার পক্ষ থেকে শুধু মুখ্যমন্ত্রী বলবেন। বিরোধী দলনেতাকে ১০ মিনিট বলার সময় দিয়েছেন স্পিকার। তাতে শুভেন্দুর পালটা কটাক্ষ, “না বলতেই দিতে পারতেন।”
শুভেন্দু প্রশ্ন করেন, অধিবেশনে কারা বক্তৃতা করবেন, সেই বক্তাদের তালিকা নেই কেন? স্পিকার জানান, সরকার পক্ষ থেকে শুধু মুখ্যমন্ত্রী বলবেন। বিরোধী দলনেতাকে ১০ মিনিট বলার সময় দিয়েছেন স্পিকার। তাতে শুভেন্দুর পালটা কটাক্ষ, “না বলতেই দিতে পারতেন।”
এদিন অধিবেশনে অনুপ্রবেশ নিয়ে রাজ্যকে নিশানা করেন শুভেন্দু করেন। বলেন, “অনুপ্রবেশ সমস্যায় ডেমোগ্রাফি বদল হচ্ছে। ৮ বার স্বরাষ্ট্রসচিব চিঠি দিয়েছেন জমির জন্য। কাঁটাতার দেওয়া যায়নি জমি সমস্যার কারণে। বিরোধী দলের সাংসদ বিধায়করা আক্রান্ত হচ্ছেন।” এর পালটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “অনুপ্রবেশের কথা মাথায় ঢুকেছে। বাংলাকে টার্গেট করা হচ্ছে? আপনার প্রতিবাদ করা উচিত ছিল না যখন পরিযায়ী শ্রমিকদের মারা হচ্ছিল?”



