Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
Siksha Mission Fund

শিক্ষা মিশনের টাকা আটকানো ‘অমানবিক’, তোপ দেগে ফের কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যের

 ‘পিএমশ্রী’ প্রকল্পে রাজ্য যুক্ত না হওয়ার কারণেই রাজ্যের প্রতি এই বঞ্চনা বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৪, ১৫:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০২৪, ১৫:০৭

options
link
শিক্ষা মিশনের টাকা আটকানো ‘অমানবিক’, তোপ দেগে ফের কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্যের zoom
Advertisement

দিপালী সেন: সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি রাজ্য সরকারের। এই প্রেক্ষাপটে আরও একবার শিক্ষাখাতে রাজ্যকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে সরব হলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ‘পিএমশ্রী’ প্রকল্পে রাজ্য যুক্ত না হওয়ার কারণেই রাজ্যের প্রতি এই বঞ্চনা বলে অভিযোগ দীর্ঘদিনের।

এবিষয়ে এদিন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেন, “সমগ্র শিক্ষা মিশনের সঙ্গে পিএমশ্রী প্রকল্পের কোনও সম্পর্ক নেই। পিএমশ্রী প্রকল্পে কেন সই করিনি, তার পিছনেও যুক্তি রয়েছে। যে প্রকল্পের নাম পিএমশ্রী, সেখানে ৬০ শতাংশ টাকা কেন্দ্রীয় সরকার ও ৪০ শতাংশ টাকা রাজ্য সরকার দিচ্ছে। তাহলে খুব যুক্তিসঙ্গতভাবে এটার অন্য কোনও শ্রী নাম হওয়া উচিত। বা পিএমশ্রী-সিএমশ্রী নাম হওয়া উচিত। কিন্তু, ওরা পিএমশ্রী নাম চাপিয়ে দিতে চাইছে এবং সেখানে রাজ্য সরকার সই করেনি বলে সমগ্র শিক্ষা মিশনের অর্থ আটকে রেখেছে।” কেন্দ্রের এই পদক্ষেপকে ‘নিষ্ঠুর’, ‘অমানবিক’, ‘বর্বোরচিত’ আখ্যা দিয়ে ব্রাত্য বসু আরও বলেন, “বারবার ভোটে হেরে যাওয়ার পরেই বা সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্রীয় ধাঁচায় স্বাধীনতার পর এই ধরনের বৈমাত্রিসূলভ আচরণ করা হচ্ছে, ত্যাজ্য করে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। গোটা দেশে ৪ জুনের আগে যে স্বৈরাতান্ত্রিক লক্ষণ প্রতিভাত হচ্ছিল এবং ৪ জুনের পর আবার গণতন্ত্রের পথে ভারতবর্ষ ফিরে আসবে বলে যে আশা দেখা হচ্ছিল, এই ধরনের পদক্ষেপ তার একটা অন্তরায়।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: মুখ্যমন্ত্রী থেকে বিরোধী দলনেতা, আড়াই দশক পর ওড়িশায় ‘কুরসি বদল’ নবীন পট্টনায়েকের]

গত আর্থিক বর্ষে কেন্দ্রের কাছ থেকে সমগ্র শিক্ষা মিশন খাতে রাজ্যের ১৫০০ থেকে ১৭০০ কোটি টাকা পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু, দু’টি ভাগে মিলেছিল মাত্র ৩১১ কোটি। তৃতীয় ভাগে এ রাজ্যকে আরও ৪৮৫ কোটি টাকা দেওয়ার জন্য অনুমোদন দিয়েছিল কেন্দ্রের অভ্যন্তরীণ অর্থ বিভাগ (আইএফডি)। তা সত্ত্বেও রাজ্যকে সেই অর্থ দেওয়া হয়নি। এ নিয়ে আগেও সরব হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। তিনি নিজে ও শিক্ষা সচিব চিঠি পাঠিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা সচিবকে। কিন্তু, লাভ হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, কেন্দ্র থেকে রাজ্য অর্থ পাওয়ার পর তার একটা নির্দিষ্ট অংশ ব্যবহারের প্রমাণ দেখালে পরবর্তী ভাগের বরাদ্দকৃত অর্থের জন্য আবেদন জানানো যায়। কিন্তু, যেহেতু গত আর্থিক বর্ষে তৃতীয় ভাগের অর্থ আসেনি, তাই পরবর্তী ভাগের জন্যও দাবি জানাতে পারেনি রাজ্য।

সূত্রের খবর, এর ফলে সবমিলিয়ে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে সমগ্র শিক্ষা মিশন খাতে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা পায়নি রাজ্য। নতুন তথা ২০২৪-২৫ আর্থিক বর্ষে সমগ্র শিক্ষা মিশন খাতে রাজ্যকে ১৬০০ কোটি বরাদ্দ করেছিল কেন্দ্র। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত বরাদ্দকৃত অর্থের প্রথম ভাগের টাকা আসেনি রাজ্যের কাছে। যা মে মাসের মধ্যেই রাজ্যের কাছে চলে আসার কথা ছিল। এই পরিস্থিতিতে প্রকল্পের পাওনা অর্থ চেয়ে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠাল রাজ্য।

[আরও পড়ুন: ভোটে ধাক্কার পরেই ‘অন্নদাতা’দের কল্যাণ মোদির! ১৪ শস্যের MSP বাড়াল কেন্দ্র

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.