৩ কার্তিক  ১৪২৬  সোমবার ২১ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজীব কুমারের সঙ্গে সিবিআইয়ের লুকোচুরি খেলায় নতুন অধ্যায় যুক্ত হল। কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনরা তথা রাজ্যের গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বে থাকা দুঁদে পুলিশ অফিসারের খবর নাকি জানেন না খোদ ডিজি বীরেন্দ্র। সিবিআইকে লেখা চিঠিতে এমনটাই জানিয়েছেন তিনি।  সোমবার বিকেলে বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটের মাধ্যমে রাজ্য পুলিশের ডিজি বীরেন্দ্র সিবিআইকে একটি চিঠি লিখেছেন। তাতে বলা হয়েছে, এই মুহূর্তে রাজীব কুমার কোথায় আছেন, সেটা নবান্নও জানে না।

[আরও পড়ুন: রাজীব কুমারের খোঁজ পেতে সরাসরি নবান্নে সিবিআই, চিঠি নিয়ে গেলেন ২ প্রতিনিধি]

রবিবারই নবান্নে গিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। রাজ্যের সচিবালয়ে দুটি চিঠি ধরিয়ে এসেছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। চিঠিতে হাই কোর্টের রায়ের কপি সংযুক্ত করে জানানো হয়, সিবিআই রাজীব কুমারকে জেরা করতে চায়, কিন্তু তাঁকে পাওয়া যাচ্ছে না। রাজীব কুমার সিবিআইকে আগেই জানিয়েছেন, তিনি শনিবার থেকে ছুটিতে রয়েছেন। ছুটিতে থাকা পুলিশ আধিকারিক কোথায় রয়েছে, তা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ হিসেবে জানার কথা ডিজির। সেই সূত্রেই, রাজীব কুমার কোথায় আছেন, বা কোন নম্বরে ফোন করলে তাঁকে পাওয়া যাবে, ডিজির কাছে জানতে চেয়েছিল সিবিআই। ডিজি সিবিআইয়ের চিঠির যে উত্তর দিয়েছেন তাতে সাফ জানানো হয়েছে, রাজীব কুমার এখন কোথায় আছেন, তা ডিজিও জানেন না। কলকাতার প্রাক্তন ডিজি ছুটিতে যাওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে কোনওরকম যোগাযোগ হয়নি রাজ্য প্রশাসনের। ডিজি জানিয়ে দিয়েছেন, রাজীবের সঙ্গে তাঁরা যোগাযোগের চেষ্টাও করেছিলেন, কিন্তু কোনওভাবেই যোগাযোগ করা যায়নি। রাজ্যের তরফে এই জবাবের পর সিবিআই আধিকারিকরা যারপরনাই অসন্তুষ্ট বলেই সূত্রের খবর। কারণ, সাধারণত কোনও শীর্ষস্থানের পুলিশ আধিকারিক ছুটিতে থাকলেও তাঁর সম্পর্কে তথ্য থাকার কথা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে। কিন্তু, এক্ষেত্রে উঠে আসছে অসহযোগিতার তত্ত্ব। 

[আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের সঙ্গে টক্কর, গ্রেপ্তারি এড়াতে বারাসত আদালতের দ্বারস্থ রাজীব কুমার]

 সোমবার সকালেই বারাসত আদালতে গিয়ে কলকাতার প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার আগাম জামিনের আবেদন করেছেন। তা গৃহীত হওয়ার পর আবেদনপত্রের প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে সিবিআইকেও। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি। এর ঘণ্টাখানেক কাটতে না কাটতেই আরেক ধাপ এগিয়ে যায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। একতরফা শুনানি আটকাতে সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল করে তাঁরা। এরপরই ডিজির এই পালাটা চিঠি। এরপর সিবিআইয়ের কী পদক্ষেপ হয় সেটাই দেখার। 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং