গরম-বর্ষাকাল জুড়ে যা না চাইতেও মানুষের রোজের সঙ্গী হয়ে যায়, তা হল ঘাম! খানিকক্ষণ রোদের নিচে থাকলেই পোশাক ঘামে জবজবে হয়ে আটকে যায় শরীরের সঙ্গে। বাড়ি থেকে যদি ডিওড্রেন্ট অথবা পারফিউম লাগিয়েও বেরনো হয়, তবে তা কর্মক্ষেত্রে পৌঁছানর আগেই ফিকে হতে শুরু করে। তাছাড়া বাড়িতে যারা থাকেন, সর্বক্ষণ সেন্ট-আতর মেখে থাকার প্রশ্ন আসে না। কিন্তু ঘাম কি আর থেমে থাকে? রান্নাঘরে খানিকক্ষণ কাজের পরেই ঘামে ভেজা পোশাক যেন চেপে বসে শরীরে। এমনিতেও কৃত্রিম সুগন্ধী ব্যবহারের হাজারও ক্ষতিকারক দিক রয়েছে। কী করা যায় তবে?
জানেন কি, যদি সত্যিই শরীরের দুর্গন্ধ দূর করতে চান, তবে রয়েছে সহজ প্রাকৃতিক সমাধান (natural deodorants)। ব্যবহারের পদ্ধতি জেনে নিলেই কেল্লাফতে!

গোলাপ জল
খাঁটি গোলাপ জলে প্রাকৃতিক অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যাস্ট্রিনজেন্ট গুণ রয়েছে, যা ত্বককে সতেজ রাখে এবং শরীরের দুর্গন্ধের জন্য দায়ী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।
১০০ মিলি গোলাপ জলের সঙ্গে ২ টেবিলচামচ জল মিশিয়ে স্প্রে বোতলে ভরে রাখুন। স্নানের পর বগল, ঘাড় এবং হাঁটুর পেছনে স্প্রে করুন।
ফিটকিরি
প্রাচীনকাল থেকেই প্রাকৃতিক ডিওডোরেন্ট হিসেবে ব্যবহার হয়ে চলেছে ফিটকিরি। এর অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণ দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়াকে দমন করে এবং ত্বকের উন্মুক্ত পোরস্ সাময়িকভাবে সংকুচিত করতে সাহায্য করে।
স্নানের পর ফিটকিরির টুকরো ভিজিয়ে বগলে, ঘাড়, পায়ের ভাঁজে হালকাভাবে ঘষুন। ধোয়ার প্রয়োজন নেই, স্বাভাবিকভাবে শুকিয়ে যেতে দিন।
চন্দন গুঁড়ো
চন্দন তার শীতল ও সুগন্ধি গুণের জন্য অত্যন্ত পরিচিত। এটি অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে এবং ত্বককে মনোরম সুগন্ধে ভরিয়ে রাখে।
২ টেবিল চামচ চন্দন গুঁড়ো, প্রয়োজনমতো গোলাপ জলে গুলে পেস্ট তৈরি করে বগল ও পায়ে লাগান। ১০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন।
নিম
নিম শক্তিশালী জীবাণুনাশক গুণের জন্য সুপরিচিত। নিয়মিত ব্যবহার শরীরের দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে।
এক মুঠো নিমপাতা ২ লিটার জলে ফুটিয়ে নিন। ঠান্ডা করে ছেঁকে তা স্নানের জলের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

কর্নস্টার্চ ও অ্যারারুট পাউডার
অতিরিক্ত আর্দ্রতা শোষণ করে এবং ঘামগ্রন্থি বন্ধ না করেই শরীর শুষ্ক রাখতে সাহায্য করে।
অর্ধেক কাপ অ্যারারুট পাউডার, এক চা-চামচ কর্নস্টার্চ, ১ টেবিলচামচ চন্দন গুঁড়ো একসঙ্গে মিশিয়ে স্নানের পর পরিষ্কার ও শুকনো ত্বকে হালকাভাবে ঘষে নিন।
অনেক সময় খাদ্যাভ্যাসের কারণেও শরীরে দুর্গন্ধ হয়। তাই এই সময়ে অতিরিক্ত রসুন, অ্যালকোহল, অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার এবং অতিরিক্ত চিনিযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলাই ভালো।
সর্বশেষ খবর
-
ইনস্টাগ্রামে যৌন নির্যাতন সংক্রান্ত কনটেন্ট! বিতর্কে মেটা
-
বিশ্বের শক্তিশালী পাসপোর্টের তালিকায় ফের পিছোল ভারত, কোথায় বাংলাদেশ-পাকিস্তান?
-
চুরি বন্ধ হতেই হু হু করে বাড়ছে রাম মন্দিরের আয়, দৈনিক কত অনুদান জমা পড়ছে দানবাক্সে?
-
সিপিএম জমানায় উত্থান, তৃণমূল আমলে বালি পাচারে বিশাল সাম্রাজ্য! মাফিয়া অজয় গ্রেপ্তার
-
‘রোনাল্ডোর ইগোই বোতলবন্দি করে দিচ্ছে পর্তুগালকে’, সিআর সেভেনকে নিয়ে বিস্ফোরক ইব্রাহিমোভিচ