২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

স্টাফ রিপোর্টার: মৃত্যুকে তাঁরা কাছ থেকে দেখেছেন। কিন্তু ভয় পাননি। সেই গল্পই স্মরণ করলেন একঝাঁক মৃত্যুঞ্জয়ী। বোস ইনস্টিটিউটের রসায়নের প্রফেসর কিংবা বাহাত্তর ছুঁই-ছুঁই বৃদ্ধা। রসায়নের অধ্যাপককে ব্লাড ক্যানসার ছোবল মেরেছিল ২০০৭ সালে। সেই লড়াইয়ের শুরু। অসুখ মাথায় করেই রসায়নের ভারী ভারী বই লিখেছেন। আজ তিনি অনেকটাই সুস্থ। তাঁকে পাশে নিয়ে কর্কট রোগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মধুছন্দা কর জানিয়েছেন, “ক্যানসার আর মৃত্যু সমার্থক নয়। সঠিক চিকিৎসা করা গেলে ক্যানসারকেও হারানো সম্ভব।”

ক্যানসারের সঙ্গে নিজের লড়াইয়ের কাহিনি শুনিয়েছেন বছর বাহাত্তরের এক বৃদ্ধাও। ব্রেস্ট ক্যানসার ধরা পড়ার পরেও দমে যাননি তিনি। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, প্রতি এক লক্ষ মহিলায় ১০ জন স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত। এক মাত্র জীবনযাত্রার ধরন পরিবর্তন করলেই এই হিসেব বদলানো যাবে। অনুষ্ঠানের নাম ‘সাথী ২০১৯।’ শনিবার ছিল ১০তম ‘ক্যানসার সারভাইভার মিট।’ মৃত্যুকে যাঁরা হারিয়ে দিয়েছেন তাঁদের মজলিশি আড্ডা। রোটারি সদনে ক্যানসার আক্রান্তদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা রজত গঙ্গোপাধ্যায়। বছর দশেক আগের কথা। তাঁরও বাবার ক্যানসার ধরা পরেছিল। জানিয়েছেন, “ক্যানসার ধরা পড়ার পরেও দীর্ঘদিন বেঁচে ছিলেন আমার বাবা। ক্যানসার তাঁর জীবন ছিনিয়ে নিতে পারেনি। নিজে বিশ্বাসও করতেন ক্যানসারকে হারিয়ে জীবনের মূলস্রোতে ফেরা যায় সহজেই।”

[আরও পড়ুন: ডেঙ্গু নিধনে সাফাই অভিযান, নিজের হাতেই জঞ্জাল পরিষ্কার ফিরহাদ হাকিমের]

স্তন ক্যানসার ক্রমশই বাড়ছে। তবে এটাকে নেতিবাচক হিসেবে দেখতে রাজি নন ক্যানসার চিকিৎসক ডা. মধুছন্দা কর। বরং বলছেন, আগে স্তন ক্যানসার হলেই মানুষ চিকিৎসকের কাছে আসতে দোনামনা করতেন। এখন পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। আক্রান্তরা চিকিৎসকের কাছে আসছেন। তাই আমরা জানতেও পারছি বেশি করে। স্তন ক্যানসার বাড়ার জন্য ‘লাইফ স্টাইল’-কেই দায়ী করছেন ক্যানসার গবেষক চিকিৎসক ডা. মধুছন্দা কর। তাঁর কথায়, “আজকাল অনেকেই দেরিতে বিয়ে করছেন। চল্লিশ ছুঁইছুঁই বয়সে বিয়ে স্তন ক্যানসারের অন্যতম কারণ।” তবে স্তন ক্যানসার প্রাথমিক অবস্থায় এলে আশি শতাংশকেই সম্পূর্ণ সুস্থ করা সম্ভব বলে জানিয়েছেন তিনি। চিকিৎসকদের পরামর্শ, “মহিলারা নিজেরা স্তনে হাত দিয়ে দেখুন। যদি কখনও টিউমার জাতীয় কিছু অনুভব করেন সত্বর চিকিৎসকের কাছে আসা উচিত। দেরিতে সন্তান ধারণ করার জন্যেও স্তন ক্যানসার বাড়ছে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।  

স্তন ক্যানসারের পাশাপাশি নতুন এক ধরনের ক্যানসার মাথা চাড়া দিচ্ছে। ফাস্টফুডের দিকে এ প্রজন্মের ঝোঁক বেশি। সে জন্য পাল্লা দিয়ে বাড়ছে কোলন ক্যানসার। ডা. মধুছন্দা কর জানিয়েছেন, শাক সবজি, পর্যাপ্ত পরিমাণে খেতে হবে। তবেই কোলন ক্যানসারে লাগাম পরানো যাবে। তাঁর কথায়, ক্যানসারকে অনেকে পাইলস ভেবে ভুল করেন। মলত্যাগের সময় রক্ত পড়ছে অনেকেই ভাবেন পাইলস। কিন্তু আদতে তা রেক্টাম ক্যানসার। 

[আরও পড়ুন: ‘নিরাপত্তারক্ষীদের গাফিলতিতেই সর্বনাশ’, ইকো পার্কে শিশুমৃত্যুতে FIR পরিবারের ]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং