২৬ আষাঢ়  ১৪২৭  শনিবার ১১ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

করোনা: হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও অ্যাজিথ্রোমাইসিন নিয়ে নয়া গবেষণা অক্সফোর্ডের

Published by: Bishakha Pal |    Posted: May 12, 2020 6:18 pm|    Updated: May 12, 2020 11:18 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা সংক্রমণ রুখতে এবার নতুন পদক্ষেপ নিল অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়। হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ও অ্যাজিথ্রোমাইসিনের ট্রায়াল রান শুরু করতে চলেছেন বিজ্ঞানীরা। যাদের শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছে, তাদের মধ্যে এই পরীক্ষা চালাবেন তাঁরা। এছাড়া বয়স্ক ও দুর্বল লোকদের, যাদের আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা বেশি, তাদের উপরও সমীক্ষা শুরু হবে। এছাড়া চিকিৎসক, নার্স ও প্যারামেডিক্যাল স্টাফের উপরেও চলবে গবেষণা। ব্রিটেনের ৫০০টিরও বেশি কার্যালয়ে ড্রাগের ট্রায়াল হবে।

অক্সফোর্ডের তরফে জানানো হয়েছে, হাইড্রোক্সিলোকুইকিন এবং অ্যান্টিবায়োটিকগুলি সাধারণত ব্যাকটিরিয়া সংক্রমণের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রেও সেগুলি কার্যকরী হবে কিনা, হলেও কতটা, তা জানতেই শুরু হচ্ছে এই ট্রায়াল। প্রবীণদের মধ্যে যাঁদের বয়স ৫০ থেকে ৬৫ বছর বা তার বেশি তাঁদের ট্রায়ালের জন্য বেছে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া মধুমেহ বা হাঁপানির মতো দীর্ঘস্থায়ী অসুখ যাঁদের রয়েছে তাঁদেরও উপরও পরীক্ষা চলবে। স্বাস্থ্যকর্মী ও চিকিৎসকদের একটি নির্দিষ্ট ডোজে দেওয়া হবে এই ওষুধ। এছাড়া যাদের সংক্রমণ তেমন মারাত্মক নয়, তাঁদেরও উপরেও এই ড্রাগ প্রয়োগ করা হবে। ওষুধ তাঁদের উপরেও কাজ করছে কিনা, আর করলেও কতদিনে তার সাড়া পাওয়া যাচ্ছে, তা জানার জন্যযই এই পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

[ আরও পড়ুন: ভারতে হামলা চালাবে পাকিস্তানি ফৌজ! যুদ্ধের জিগির তুললেন পাক মন্ত্রী ]

বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া এই মহামারিকে নিরসন করার জন্য ১০০টিরও বেশি প্রকল্প শুরু করেছেন গবেষকরা। হাইড্রোক্সাইক্লোরোকুইনকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প করোনার সম্ভাব্য ওষুধ হিসেবে সমর্থন করলেও এটি বিজ্ঞানীদের থেকে ছাড়পত্র পায়নি। বরং এ ব্যাপের স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট ডোজ মেনে চলতে হবে। আমেরিকার ওষুধ নিয়ন্ত্রকারী সংস্থা জরুরি অবস্থায় এই ড্রাগ ব্যবহারের নিদান দিয়েছেন। যেসব রোগীর অক্সিজেন লেভেল কম বা যাদের শ্বাসকষ্টে সহায়তা প্রয়োজন তাদের ক্ষেত্রেই জরুরি ভিত্তিতে এই ড্রাগ ব্যবহারের কথা জানানো হয়েছে।

হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন সাতদিন নির্দিষ্ট ডোজে খেলে করোনা প্রতিরোধ সম্ভব কিনা, তা দেখা হবে এই ট্রায়ালে। এমনকী এটি করোনার উপসর্গ কমায় কিনা, তাও দেখা হবে। এছাড়া ট্রায়াল হবে অ্যাজিথ্রোমাইসিনেরও। সাধারণত সর্দি-কাশি ও জ্বরের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা হয়। ১৫ দিনের মধ্যে অংশগ্রহণকারীদের লক্ষণগুলির উপর ভিত্তি করে পরীক্ষায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

[ আরও পড়ুন: দাউদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র লস্করের, ভারতে ২৬/১১-র ধাঁচে হামলার ছক পাকিস্তানের ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement