Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
TikTok

ইন্দো-চিন সংঘর্ষের জের, আমেরিকায় নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক

ভারতের পথে হেঁটেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই শর্ট ভিডিও অ্যাপ নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২২, ২১:১৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৫, ২০২২, ২১:১৬

options
link
ইন্দো-চিন সংঘর্ষের জের, আমেরিকায় নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমেরিকায় নিষিদ্ধ হতে চলেছে টিকটক। এটি নিষিদ্ধ করার জন্য তিন মার্কিন আইন প্রণেতা মঙ্গলবার একটি বিল উত্থাপন করেছেন। চিনা অ্যাপের বিরুদ্ধে মার্কিন নাগরিকদের উপরে নজরদারির অভিযোগ উঠেছে সেদেশে। প্রসঙ্গত গালওয়ানে চিনের সঙ্গে উত্তেজনা শুরুর পরেই ভারতে টিকটক-সহ কয়েকশো চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করেছিল নয়াদিল্লি। এবার ভারতের পথে হেঁটেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও এই শর্ট ভিডিও অ্যাপ নিষিদ্ধ হতে চলেছে।

সম্প্রতি প্রকাশিত রিপোর্টে জানানো হয়েছে রিপাবলিকান মার্কো রুবিও, তাঁর সহকর্মী মাইক গ্যালাঘের এবং ডেমোক্র্যাট রাজা কৃষ্ণমূর্তি এই আইন এনেছেন। এই আইনের অধীনে চিন ও রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা যে কোনও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিষিদ্ধ হবে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: নীরব মোদিকে ভারতে ফেরানোর পথ পরিষ্কার, শেষ আবেদনও খারিজ লন্ডন হাই কোর্টে ]

এক বিবৃতিতে রুবিও জানিয়েছেন, বেজিং নিয়ন্ত্রিত টিকটক নিষিদ্ধ করার এটাই সঠিক সময়। বাইডেন প্রশাসনের দিকে আঙুল তুলে তিনি জানিয়েছেন, “টিকটক থেকে মার্কিন ব্যবহারকারীদের সুরক্ষিত করতে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।” দীর্ঘদিন ধরেই টিকটক-এর মাদার কোম্পানি বাইটডান্সের বিরুদ্ধে মার্কিন গ্রাহকদের ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করার অভিযোগ উঠছে। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে চিনা টেক সংস্থাটি। ২০২০ সালেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আদালতে গিয়েছিল চিনা সংস্থাটি। পরে আদালতের সিদ্ধান্তে সেই দেশে নিষিদ্ধ করা সম্ভব হয়নি টিকটক।

প্রসঙ্গত, গালওয়ানের পর ফের চিন (China) সীমান্তে  ভারতীয় সেনার উপর আক্রমণ লালফৌজের। গত ৯ ডিসেম্বর অরুণাচলের তাওয়াংয়ের (Tawang) কাছে ইয়াংসে এলাকায় দু’দেশের সেনা সংঘর্ষে জড়ায় বলে খবর। তাতে জখম হয়েছেন কমপক্ষে ২০ থেকে ৩০ জন ভারতীয় সেনা। এই পরিপ্রেক্ষিতে চিন সীমান্তে দেশের নিরাপত্তায় বাড়তি জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রতি মুহূর্তে সীমান্তে নজরদারি রয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের। এই অবস্থায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের নির্দেশে বিভিন্ন সীমান্তে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি যুদ্ধাস্ত্র। সূত্রের খবর, পশ্চিমবঙ্গের বায়ুসেনা ঘাঁটি হাসিমারাকে (Hasimara) সতর্ক করা হয়েছে। সেখানে ইতিমধ্যেই দু’টি রাফালে (Rafale) যুদ্ধবিমান রয়েছে। তাকে প্রস্তুত রাখার নির্দেশ এসেছে। যে কোনও মুহূর্তে যাতে প্রয়োজনে ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে।

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় (LAC) চিনের হামলার খবর পেয়েই সেনার তিন প্রধানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Sing)। এই হামলার পালটা কড়া জবাব কীভাবে দিতে হবে, সেই স্ট্র্যাটেজি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। তার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) সঙ্গেও বৈঠকে বসেছিলেন রাজনাথ। এরপরে সংসদে বার্তা দিয়ে তিনি জানিয়ে দেন, হামলা হলেও তা প্রতিরোধ করা সম্ভব হয়েছে। সেরকম ক্ষয়ক্ষতি হয়নি ভারতীয় জওয়ানদের।

[আরও পড়ুন: এবার লুসাইল স্টেডিয়ামে আটতলা থেকে পড়ে মৃত্যু নিরাপত্তা কর্মীর, ফের বিতর্ক বিশ্বকাপে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.