২৯ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গরমে প্যাচপেচে ঘাম। ভিড় ট্রেনে-বাসে সহযাত্রীর গায়ে গা লাগলে বা হ্যান্ডেল ধরা ঊর্ধ্ববাহুর কাছাকাছি হলেই গা-টা গুলিয়ে ওঠে। ঘামের এই দুর্গন্ধ থেকে বাঁচতে ও অন্যকে বাঁচাতে বডি স্প্রে, ডিওডারেন্ট-ই ভরসা। বিজ্ঞাপনের দাবি অনুযায়ী বিপরীত লিঙ্গের মানুষকে আকর্ষণ করার অন্যতম সহজ উপায় নাকি মনোমোহিনী এই সুগন্ধী। যদিও বিজ্ঞান বলছে, যৌন জীবনে সুগন্ধীর ভূমিকা রয়েছে। বডি-স্প্রে বা ডিওডারেন্ট-এর গন্ধে সঙ্গী বা সঙ্গিনী যেমন আকর্ষিত হয় তেমনই এই সুগন্ধীর বিভিন্ন উপাদান যৌন মিলনে বাদ সাধে।

[ আরও পড়ুন: OMG! পর্নহাব-এ এলিয়েনদের যৌনজীবন জানতে বেশি আগ্রহী মানুষ ]

গবেষণা বলছে কৃত্রিম এই সুগন্ধীতে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরুষের যৌন জীবন। যার জন্য মূলত দায়ী থ্যালেট। এই রাসায়নিক সুগন্ধীকে দীর্ঘস্থায়ী করে। কিন্তু সেই সঙ্গে কমিয়ে দেয় যৌন মিলনের সুখ। থ্যালেটের কু-প্রভাবে মূলত পড়ে যৌন হরমোনের উপর। হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হতেই দ্রুত কমতে থাকে পুরুষের যৌন কামনা। পুরুষাঙ্গ শিথিল হয়, পাশাপাশি কমতে থাকে স্পার্ম কাউন্ট। যার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবার পরিকল্পনাতে। তুলনায় কম হলেও থ্যালেটের কু-প্রভাব পড়ে মহিলাদের যৌন জীবনেও।

শুধু থ্যালেটই নয়, বিশেষজ্ঞরা বলছেন যৌন সুখ কেড়ে নেওয়ার মতো আরও উপাদান রয়েছে এই সব সুগন্ধীতে। আপাত নিরীহ প্রপিলিন গ্লাইকল ছদ্ম ইস্ট্রোজেনের মতো কাজ করে। ফলে মহিলাদের শরীরে যৌন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়। অনেকটা একইরকম কাজ করে প্যারাবেনস নামে রাসায়নিক। মূলত প্রিজারভেটিভ হিসাবে কাজ করলেও মহিলা-পুরুষ উভয়ের শরীরেই ছদ্ম ইস্ট্রেজেনের ভূমিকা পালন করে। ফলে প্রকৃত হরমোনের ভারসাম্য সম্পূণর্ভাবে নষ্ট হয়ে যায়। কাম আসক্তি তো কমেই সঙ্গে বাড়তে থাকে স্তন ও প্রস্টেট ক্যানসারের আশঙ্কা। ঘামে উপস্থিত বিভিন্ন দুর্গন্ধ সৃষ্টিকারী জীবাণুকে ধ্বংস করতে ট্রাইক্লোসনের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু জীবাণু ধ্বংস করেই থেমে থাকে না ওই রাসায়নিক। পাশাপাশি পুরুষের স্পার্ম উৎপাদনেও বাধা সৃষ্টি করে। স্পার্ম ও যৌনাঙ্গের স্বাস্থ্যহানির জন্যও দায়ী ট্রাইক্লোসন। একই সঙ্গে ইস্ট্রোজেন, অ্যান্ড্রোজেন, থাইরয়েড হরমোনের ভারসাম্য সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়। 

[ আরও পড়ুন: ফ্রেঞ্চ কিসেই তৃপ্ত ভালবাসা, জানেন শরীরে কী মারাত্মক রোগ ঢুকছে? ]

ইস্ট্রোজেন মূলত মহিলাদের কাম আসক্তি বাড়িয়ে যৌন মিলনকে উপভোগ্য করে। কিন্তু ছদ্ম ইস্ট্রোজেন প্রকৃত হরমোনের কার্যকারিতা কমায়। অন্যদিকে পুরুষ শরীরে ইস্ট্রোজেনের আধিক্য টেস্টোস্টেরনের ক্ষরণ কমায়। ফলে পুরুষের যৌন উষ্ণতা প্রশমিত হয়।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং