BREAKING NEWS

১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  বুধবার ২ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

টিকটকের বিকল্প অ্যাপ তৈরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন মেদিনীপুরের ছাত্র

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: June 30, 2020 10:18 pm|    Updated: June 30, 2020 10:38 pm

An Images

সম্যক খান, মেদিনীপুর: সদ্য টিকটক-সহ মোট ৫৯টি চিনা অ্যাপসের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর মঙ্গলবারই টিকটকের মতো অ্যাপ- ‘ইনোসেন্স’ লঞ্চ করে তাক লাগিয়ে দিলেন মেদিনীপুরের ১৭ বছরের ছাত্র প্রিয়াংশু সিং। তার দাবি, এই অ্যাপ টিকটকের (TikTok) তুলনায় অনেক বেশি নিরাপদ। যেখানে ব্যক্তিগত তথ্য সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে। এদিন ভার্চুয়াল সভার মধ্য দিয়ে কলকাতায় বসে সাংসদ দিলীপ ঘোষ প্রিয়াংশুর তৈরি ওই অ্যাপের উদ্বোধন করেন।

মেদিনীপুরের এক বেসরকারী স্কুলের দ্বাদশ শ্রেনীর ছাত্র প্রিয়াংশু। বাড়ি তাঁতিগেড়িয়ায়। বাবা কুমার রাজীব রঞ্জনের রেডিমেড কাপড়ের দোকান আছে। মা রিঙ্কি সিং গৃহবধু। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান বলেছেন, লকডাউনের সময় ঘরে বসে থাকা অবস্থাতেই কিছু একটা করার ভাবনা ঢোকে তার মাথায়। ঘরে বসে সময় নষ্ট না করে দেশের জন্য কিছু একটা করার ভাবনা চলছিল তাই তখন থেকেই। ইন্টারনেট ঘেঁটে নানানরকম চর্চা করার পর প্রিয়াংশু নিজে নতুন ওই অ্যাপস তৈরি করেন।

আগে থেকেই অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে তাঁর প্রচুর আগ্রহ ছিল। গত নভেম্বরে আইআইটিতে দু’দিনের সাইবার সিকিউরিটি ওয়ার্কশপে যোগ দিয়ে অনেককিছু জানতেও পেরেছিলেন। সেখান থেকে সাইবার অ্যাটাক রোখার অনেক কৌশল রপ্ত করেছিলেন প্রিয়াংশু। সেসব কৌশলই এবার প্রয়োগ করলেন নিজের তৈরি ‘ইনোসেন্স’ অ্যাপে। এখন গুগল ইঞ্জিনে সার্চ করলেই পাওয়া যাবে এই অ্যাপটি। পাওয়া যাচ্ছে ইনোসেন্সের ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজেও। খুব শীঘ্রই মোবাইলের প্লে-স্টোরেও তা পাওয়া যাবে বলে জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: ‘২০২১ পর্যন্ত সরকারই থাকবে না’, ফ্রি রেশন ইস্যুতে মমতাকে তোপ দিলীপের]

প্রিয়াংশুর কথায়, অল ইন ওয়ান সাইবার টিম প্রাইভেট লিমিটেডের সিইও শিবম সিং তাঁকে অনেক সাহায্য করেছেন। এখনও পর্যন্ত প্রায় এক লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গিয়েছে তার ওই অ্যাপটি বানাতে গিয়ে। আপাতত ব্যবসার কথা ভাবছেন না প্রিয়াংশু। তাঁর টার্গেট ‘ইউজার্স’ সন্তুষ্টি। তিনি চান আগামী দিনে তার তৈরি এই অ্যাপ যেন ‘মেড ইন ইন্ডিয়া’ হিসেবে নেটদুনিয়ায় ঝড় তোলে। যেখানে সবাই বলতে পারে ভারতের তৈরি জিনিসও বিশ্বকে কাঁপাতে পারে।

ছেলের এই আবিষ্কারে খুশি তাঁর বাবা রাজীববাবুও। তিনি বলেছেন, “ছেলে প্রায় সবসময়ই ল্যাপটপ ও মোবাইল নিয়ে বসে থাকত। গত নভেম্বরে ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির পরিক্ষাতেও ২০০ র‌্যাংক করেছে সে। দেশের জন্য ছেলে কিছু করতে পারলেই তাঁর গর্ব হবে।”

[আরও পড়ুন: ‘মহিলাদের গায়ে হাত তুললে চামড়া তুলে নেব’, ফের আক্রমণাত্মক অগ্নিমিত্রা পল]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement