৮ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২৩ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় চোখ রাখলেই দেখতে পাবেন, ‘নমো এগেন’ বা ‘ম্যায় ভি চৌকিদার’ অভিযানের পোস্টার। সেই সঙ্গে জ্বলজ্বল করছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি, এবং তাঁর বিভিন্ন প্রকল্পের পোস্টার। ভাবছেন প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা এতটাই যে আপনার ওয়ালে বা বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ঘুরে ঘুরে তাঁর ছবি এমনিতেই আসছে! কিন্তু এমনটা সত্যি নাও হতে পারে। হতেই পারে, এসব তাঁর পেইড প্রমোশন। আসলে, তথাকথিত প্রচার মাধ্যমের পাশাপাশি ডিজিটাল মিডিয়ার প্রচারেও লক্ষ লক্ষ টাকা ব্যয় করছে বিজেপি। এবং এক্ষেত্রেও অনেকটা পিছিয়ে বিরোধীরা।

[আরও পড়ুন: ‘সিপিএমকে আক্রমণ করব না’, ওয়ানড় থেকে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে বললেন রাহুল]

ইন্টারনেট সমীক্ষক সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্ডিয়ার সমীক্ষা অনুযায়ী ফেব্রুয়ারির ১৯ তারিখের পর থেকে শুধুমাত্র গুগলকে বিজ্ঞাপন বাবদ রাজনৈতিক দলগুলি দিয়েছে ৩ কোটি ৭৬ লক্ষ টাকা। যার এক তৃতীয়াংশই দিয়েছে বিজেপি। মোট ৫৫৪টি বিজ্ঞাপনে বিজেপি খরচ করেছে ১ কোটি ২১ লক্ষ টাকা। গুগলে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নিরিখে গেরুয়া শিবিরের ধারে কাছে নেই কংগ্রেস-সহ অন্য জাতীয় দলগুলি। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশের প্রধান বিরোধী দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস। তাঁরা খরচ করেছে মোট, ১ কোটি ৪ লক্ষ টাকা। আশ্চর্যজনকভাবে বিজেপির ধারেকাছে নেই কংগ্রেস। গুগলকে দেওয়া বিজ্ঞাপনের নিরিখে তাঁরা রয়েছে ষষ্ঠ স্থানে। মাত্র ৫৪ হাজার ১০০ টাকার বিজ্ঞাপন দিয়েছে রাহুল গান্ধীর দল। এবছর অবশ্য বিজ্ঞাপন নিয়ে বেশ কড়াকড়ি করছে গুগল। টাকা দিলেই বিজ্ঞাপন দেওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য প্রয়োজন পড়ছে নির্বাচন কমিশনের অনুমতির।

[আরও পড়ুন: ভোট মিটলেই প্রচুর কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত বিএসএনএলের!]

আসলে, নবীন প্রজন্মকে আকৃষ্ট করার সেরা মাধ্যম যে সোশ্যাল মিডিয়াই, তা অনেক আগেই টের পেয়েছিল বিজেপি। ২০১৪ নির্বাচনেও তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছিল গেরুয়া শিবিরের প্রচারের মূল অস্ত্র। এবারেও সেই একই পথে দিল্লি জয়ের প্রচেষ্টায় বিজেপি। অথচ কংগ্রেস এবং অন্য বিরোধী দলগুলি এখনও সোশ্যাল মিডিয়াকে ততটা গুরুত্ব দিচ্ছে না, আর গুরুত্ব দিলেও আর্থিক অনটন হয়তো বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং