১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একই শব্দ বা বাক্য কখনও কখনও দু’রকম অর্থ বহন করে থাকে। বন্ধুমহলে সেসব কথা বেশ জনপ্রিয়। ফেসবুকও কিন্তু ব্যতিক্রম নয়। জনপ্রিয় এই সোশ্যাল সাইটে এমন অনেক ইমোজি রয়েছে যার অর্থ আপাত দৃষ্টিতে একরকম হলেও এতে অন্তর্নিহিত থাকে আরও একটি মানে। অনেক সময় যৌন সুরসুরি দিতেও ছাড়ে না সেসব ইমোজি। এবার সেই ইমোজিগুলির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করল ফেসবুক। এককথায় ফেসবুক হয়ে উঠেছে ‘সংস্কারি’ ফেসবুক।

ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা ইনস্টাগ্রাম ব্যবহারকারীরা বেশ ভালই বুঝতে পারছেন কোন ইমোজিগুলির কথা বলা হচ্ছে। হ্যাঁ, ঠিক ধরেছেন। এই যেমন বেগুন, পিচ ফল কিংবা তিনফোঁটা জলের বিন্দু। প্রেমিক-প্রেমিকাদের মধ্যে এসব ইমোজি প্রায়ই ব্যবহৃত হয়। আসলে পুরুষ যৌনাঙ্গ কিংবা মহিলার গোপনাঙ্গ বোঝাতে ফল হয়ে ওঠে প্রতীকী। আবার তিনটি জলের বিন্দুর মাধ্যমে বোঝানো হয় বীর্জপাত। তাই এবার থেকে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে এসব বন্ধ।

Emoji

[আরও পড়ুন: প্রতিমাসে ৩৫ টাকা রিচার্জ আর বাধ্যতামূলক নয়, নতুন অফার ভোডাফোনের]

এখানেই শেষ নয়, গোপনাঙ্গ ঢেকে রাখা, নিতম্ব কিংবা স্তনবৃন্তের মতো ইমোজিগুলিও আর ব্যবহার করা যাবে না এই সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে। আসলে যৌনতা উদ্রেগকারী কোনওরকম ইমোজি ব্যবহার করতে নারাজ ফেসবুক। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত। কোনও ইউজার যদি সেক্স চ্যাটে এধরনের ইমোজি ব্যবহার করেন, কিংবা এইসব ইমোজি পাঠিয়ে যৌনতার প্রস্তাব দেন, সেক্ষেত্রে তাঁর প্রোফাইল খতিয়ে দেখা হবে কিংবা ইমোজিটি মুছে দেওয়া হবে।

emoji

অনেকে ফেসবুকের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানালেও একাংশ ক্ষোভে ফেটে পড়েছে। তাদের দাবি, এভাবে ইমোজির ব্যবহার বন্ধ করে দেওয়ায় পর্নতারকা এবং যৌনকর্মীরা বেশ সমস্যায় পড়ছেন। কারণ তারা অনেক সময়ই এগুলি ব্যবহার করে নেটদুনিয়ায় যৌনতা উসকে দিয়ে থাকেন। শুধু তাই নয়, বন্ধুমহলে হাসি-ঠাট্টার মধ্যেও অনেক সময় এধরনের ইমোজি ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আবার অনেকে ভুলবশতও ইমোজিগুলি পোস্ট করে থাকেন। সেক্ষেত্রে তাঁদেরও বিপাকে পড়তে হবে। তবে এসব বিষয় ‘সংস্কারি’ ফেসবুক কি বুঝবে? সেটাই বড় প্রশ্ন।

[আরও পড়ুন: এবার থেকে গুগলে এই শব্দটি লিখে সার্চ করলে আর পাওয়া যাবে না!]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং