Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬

PUBG’র নেশা, গেম খেলতে গিয়ে বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা ওড়াল ছেলে

ছেলেকে শাস্তি দিতে স্কুটারের দোকানে কাজ করার নির্দেশ বাবার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২০, ২১:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৪, ২০২০, ২১:২০

options
link
PUBG’র নেশা, গেম খেলতে গিয়ে বাবা-মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা ওড়াল ছেলে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ড্রাগের নেশা সর্বনাশা। ভিডিও গেমের নেশাও খুব একটা ব্যতিক্রম নয়। সম্প্রতি নেশার কারণেই মারাত্মক একটি ঘটনা ঘটেছে পাঞ্জাবে। পাবজি খেলতে গিয়ে এক কিশোর তার বাবা-মায়ের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে ১৬ লক্ষ টাকা উধাও করে দিয়েছে। অ্যাপ কেনা, টুর্নামেন্টের উত্তীর্ণ হওয়া ও পাবজির প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কিনতে গিয়ে এই টাকা খরচ করেছে সে।

১৬ বছরের ওই ছেলেটি তাঁর বাবা-মাকে জানিয়েছিল যে অনলাইনে পড়াশোনার জন্য তার মোবাইল দরকার। না করেননি বাবা-মা। বাবা তাঁর স্মার্টফোনটি ছেলেকে পড়াশোনার জন্য দিয়ে দেন। কিন্তু পড়াশোনা না করে সে দিব্যি ফোনে পাবজি খেলা শুরু করে। দরকার পড়লে টাকা খরচও করতে শুরু করে সে। অনলাইন লেনদেন করার সময়, ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও কার্ডের ডিটেলস দিতে থাকে। ছেলেটি জানত যে তার বাবার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের ডিটেলস স্মার্টফোনে রয়েছে। তাই টাকার লেনদেন তার কাছে খুব একটা শক্ত কাজ ছিল না। এখানেই শেষ নয়। পাবজির জন্য টাকা লেনদেনের যে মেসেজ মোবাইলে আসত, সেগুলোও মুছে ফেলত সে। সেই কারণে ব্যাংক থেকে ডেবিট হওয়ার পরও তার বাবা-মা জানতে পারেননি।

Advertisement

[ আর ওপড়ুন: আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ PUBG, এবার কি ভারতের পালা? ]

ছেলেটির বাবা জানিয়েছেন, তিনি চিকিৎসার জন্য ওই টাকা জমিয়েছিলেন। সেগুলো সব খরচ করে দিয়েছে ছেলে। শুধু তাই নয়। ছেলেটি তাঁর মায়ের অ্যাকাউন্ট থেকেও বড় অঙ্কের টাকা পাবজির পিছনে খরচ করেছে। এমনকী বাবা-মা তার জন্য যে অ্যাকাউন্টে সেভিংস করতেন, সেই টাকাও খরচ করে দিয়েছে ছেলেটি। ব্যাংক স্টেটমেন্ট দেখার পর ওই খবর জানতে পারেন ছেলেটির বাবা-মা। তবে ছেলের এমন কাণ্ড দেখে চুপ করে থাকেননি বাবা। তাকে একটি স্কুটারের দোকানে কাজে লাগিয়ে দেন। সেই সঙ্গে স্পষ্ট জানিয়ে দেন ওখানে কাজ করেই তাকে টাকা তুলতে হবে। টাকার মর্ম যাতে ছেলে বুঝতে পারে, তাই এই ‘শাস্তি’। এমনই মত ছেলেটির বাবার।

[ আরও পড়ুন: রাজ্যে প্রথম, পরিযায়ী শ্রমিকদের কর্মসংস্থানে অনলাইন পোর্টাল চালু পুরুলিয়ায় ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.