৯ ফাল্গুন  ১৪২৬  শনিবার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে স্মার্টফোন নেই, বর্তমান ভারতে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়াই কঠিন। কারও হাতে দামী মোবাইল তো কেউ সস্তায় পুষ্টিকর স্মার্টফোনেই সন্তুষ্ট। মানুষের চাহিদা অনুযায়ী তাই ভারতীয় বাজারে সবরকম মূল্যের স্মার্টফোনই বিক্রি হয়। ৫০০০ টাকার কমেও যেমন মোবাইল কেনা যায় তেমনই বিক্রি হয় লাখ টাকার ফোনও। কিন্তু একটি সংবাদমাধ্যমের খবর বলছে, যতদিন যাচ্ছে, বদলাচ্ছে ট্রেন্ড। ৫ হাজারের কম মূল্যের ফোন নাকি কেনাই বন্ধ করে দিয়েছেন ভারতীয়রা।

[আরও পড়ুন: নেটদুনিয়ায় হেনস্তার শিকার কমবয়সিরাই, ‘ডিজিটাল শিষ্টাচারে’ পিছিয়ে ভারত]

কিন্তু কেন বদলে যাচ্ছে মানুষের অভ্যাস? তাহলে কি দেশবাসীর হাতে অর্থের পরিমাণ বাড়ছে? না, ঘটনা কিন্তু তেমন নয়। আসলে সমস্যাটা মোবাইল প্রস্তুতকারকদের তরফে। ৫ হাজার টাকার কম মূল্যের মোবাইল তৈরি করে তা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দিতে যে খরচ হয়, তা বেশ ব্যয়সাপেক্ষ। আর এই দামের স্মার্টফোনের বিক্রিও দিনদিন কমছে। আকর্ষণীয় সমস্ত ফিচার পেতে আরও খানিকটা দামী ফোনের দিকে ঝুঁকছেন ক্রেতারা। তাই দিনের শেষে এই দামের স্মার্টফোন বিক্রি করে বিশেষ কোনও লাভ হয় না প্রস্তুতকারকদের। শহর ও মফস্বলের শোরুম থেকে এই দামের ফোন বিক্রি অনেকটাই এখন কম। তাহলে প্রশ্ন হল, কীভাবে আপনি এই মূল্যে ফোন কিনতে পারবেন? একমাত্র পাইকারি ব্যবসায়ীদের থেকে পেয়ে যাবেন এই ফোন। কারণ তাঁরা প্রস্তুতকারকদের থেকে একসঙ্গে একইমূল্যের অনেক ফোন কেনেন।

সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০১৯ সালে পাঁচ হাজার টাকার চেয়ে কম দামের ফোন কেনার পরিমাণ ৪৫ শতাংশ কমেছে। ২০১৮ সালে যে পরিমাণ ছিল ২৫ শতাংশ। যতদিন যাবে, এই হার আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। সমীক্ষায় আরও বলছে, এদেশে এখনও ৪৫০ মিলিয়ন ফিচার ফোন ব্যবহৃত হয়। তা সত্ত্বেও স্মার্টফোন বিক্রির উপর এর কোনও প্রভাব পড়েনি। বর্তমানে শাওমি ব্র্যান্ডের মোবাইলই এখন ৫ হাজার টাকার নিচে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয়।

[আরও পড়ুন: দেউলিয়া উইকিপিডিয়া! পেজ খুললেই টাকা চাইছেন নির্মাতারা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং