Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৩০ জুন ২০২৬

প্রকাশ্যে মহিলাদের স্তন্যদান নিয়ে সমাজের সব ট্যাবু ভেঙে দেবে এই ছবিগুলি

দেখুন সেই ছবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৭, ১৬:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১১, ২০১৭, ১৬:১৩

options
link
প্রকাশ্যে মহিলাদের স্তন্যদান নিয়ে সমাজের সব ট্যাবু ভেঙে দেবে এই ছবিগুলি zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্মার্টফোনে যুগে ছবি তোলাটা এখন কোনও ব্যাপারই নয়। প্রতিনিয়তই নানা ধরনের ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করছেন নেটিজেনরা। আর সেলফি বা নিজের ছবি নিজে তোলাটাই এখন কার্যত নেশায় পরিণত হয়েছে জেনারেশন ওয়াইয়ের। সেলফি তুলতে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে, এমন নজিরও ভুরি ভুরি। কিন্তু, নারী জীবনের যে মুহূর্তটিকে ক্যামেরাবন্দি করেছেন ইভাট্টে ইভান্স, তা সচরাচর চোখে পড়ে না। খুব খোলামেলা ভাবে বিভিন্ন উপায়ে মা হওয়া মহিলাদের স্তন্যদানের ছবি তুলেছেন তিনি।

IVENS-1

Advertisement

মাতৃত্ব। নারী জীবনের এক অন্যন্য অনুভূতি। সন্তান জন্ম দেওয়াতেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান অনেকেই। অথচ সেই সন্তানকে স্তন্যদানের মতো একটি স্বাভাবিক ঘটনাকে বাঁকা চোখে দেখে সমাজ। প্রকাশ্যে নিজের সন্তানকে স্তন্যদান করতে গিয়ে অস্বস্তিতে পড়তে হয় মহিলাদের। যেসব মহিলা বাড়িতে থাকেন, তাঁর কোনওভাবে পরিস্থিতি সামাল দেন। কিন্তু, চাকরিরতা মহিলাদের স্তন্যদান করাতে গিয়ে পদে পদে সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু, স্তন্যদানের মতো স্বাভাবিক একটি শারীরিক প্রক্রিয়াকে নিয়ে কিসের এত সমস্যা? কেনই বা মহিলাদের স্তন্যদানের জন্য আড়ালে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে? নিজের ছবির মাধ্যমে এইসব প্রশ্নই তুলে ধরতে চেয়েছেন ফটোগ্রাফার ইভাট্টে ইভান্স। তিনি বলেন, ‘মাতৃস্তন্য সবচেয়ে নিখুঁত খাবার বা উপহার, যা একজন মহিলা তাঁর সন্তানকে দিতে পারেন। তাই অকারণে সমালোচনা না করে, স্তন্যদানের গুরুত্বটা বুঝতে পারে।’  নিজের ছবির মাধ্যমে সেই বার্তাই ছড়িয়ে দিতে চেয়েছেন ইউরোপের ছোট্ট একটি দেশ লিথুয়ানিয়ার এই মহিলা ফটোগ্রাফার।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

IVENS-2

কথায় বলে, মা হওয়া কি মুখের কথা। বাস্তবিকই। ডায়াবেটিসের মতো নানা শারীরিক সমস্যার কারণে সন্তান ধারণ করতে গিয়ে সমস্যা পড়তে হয় মহিলাদের। সন্তান পাওয়ার জন্য অনেক সময় অন্যের গর্ভ ভাড়া নেন অনেক দম্পতি। প্রকৃতির কোলে তাঁদের সকলেরই স্তন্যদানের ছবি ক্যামেরাবন্দি করেছেন ইভান্স।

IVENS-3

কিন্তু, নিজের ছবির বিষয় হিসেবে স্তন্যদানকেই কেন বেছে নিলেন তিনি?  ইভাট্টা ইভান্স জানিয়েছেন, তাঁর মিমি নামে এক মহিলার আলাপ হয়েছিল। ১৯৮৫ সালে যখন তাঁদের বাড়িতে আগুন লেগে যায়, তখন মিমির বয়স ছিল মাত্র দু’বছর। প্রাণে বেঁচে গেলেও, মিমির সারা শরীর ঝলসে গিয়েছিল। পরবর্তীকালে প্লাস্টিক সার্জারি ও একাধিক অস্ত্রোপচারের পর স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছিলেন ওই মহিলা। মা-ও হয়েছিলেন। এই ঘটনাই তাঁকে স্তন্যদানের ছবি ক্যামেরাবন্দি করার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।

IVANS-4

বস্তুত, ইভাট্টা ইভান্স নিজেও দুই সন্তানের মা। তাই শুধু অন্যের স্তন্যদানের দেখেই নয়, নিজের অভিজ্ঞতাও যে প্রেরণা জুগিয়েছে, তা স্বীকার করেছেন এই মহিলা ফটোগ্রাফার।

IVANS-5

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.