২৮ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৭ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

পর্যটক টানতে পুজোর আগেই নয়া সাজে পাহাড়ের মিরিক

Published by: Sulaya Singha |    Posted: June 25, 2019 6:58 pm|    Updated: June 25, 2019 10:00 pm

An Images

শুভদীপ রায় নন্দী, শিলিগুড়ি: পাহাড়ে গন্তব্য এখন শুধু টাইগার হিল অথবা ম্যাল নয়। পুজোর আগেই আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পথে মিরিক। পর্যটকদের নজর কাড়তে সৌন্দর্যায়ন ও পরিকাঠামোগত উন্নয়নে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিয়েছে রাজ্য। গোর্খা টেরিটোরিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (জিটিএ) এবং মিরিক পুরনিগমের মাধ্যমে উন্নয়নের কাজ হবে। ১৬টি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। খরচ হবে ১৫ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকা। জিটিএ সূত্রে জানা গিয়েছে, মূলত যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাস্তার পাশাপাশি পানীয় জল সরবরাহ, বিদ্যুৎ পরিষেবা, সুইস কটেজের সংস্কার এবং মহাত্মা গান্ধী কর্ম নিশ্চয়তা প্রকল্পর কাজ করা হবে।

[আরও পড়ুন: ইউরোপীয় পর্যটকদের টানতে আমন্ত্রণমূলক ভ্রমণের পরিকল্পনা পর্যটন দপ্তরের]

মিরিক পুরনিগমের চেয়ারম্যান লাল বাহাদুর রাই বলেন, “আন্তর্জাতিকমানের পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে মিরিককে তুলে ধরা হচ্ছে। সেজন্য যোগাযোগ ব্যবস্থার উপরে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। মিরিক লেক সংলগ্ন সমস্ত ওয়ার্ড ও গ্রামীণ এলাকার পরিকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে। ইতিমধ্যে কাজের জন্য জিটিএ’কে বরাদ্দ দিয়েছে রাজ্য। পুজোর আগেই কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে।” তিনি জানিয়েছেন, পুরসভার বাইরে পঞ্চায়েত এলাকায় বেশি উন্নয়নে জোর দিয়েছে রাজ্য। সেজন্য জিটিএ’র মাধ্যমে কাজ করানো হচ্ছে। মিরিকে পৌঁছনোর ভাল রাস্তা থাকলেও আশেপাশের দর্শনীয় জায়গাগুলিতে বেহাল রাস্তার জন্য পর্যটকরা যেতে পারেন না। ওই কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দেওয়া হয়েছে।

mirik

জানা গিয়েছে, ১৬টি প্রকল্পের বরাদ্দ ১৫ কোটি ৬৪ লক্ষ ৬৩ হাজার টাকার প্রথম দফায় জিটিএ’কে দিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৬টি প্রকল্পের মধ্যে ১০টি প্রকল্প রাস্তা নির্মাণের। এজন্য ১১ কোটি ৮১ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭৬৯ টাকা বরাদ্দ হয়েছে। মিরিকের সাধুগাঁও, সৌরেনি গ্রাম পঞ্চায়েত, ওকাইতি চা বাগান, দিপালী গ্রাম, কোঠিগাঁও, গোপাল ধারা, সোউরেনি বস্তি, লেখমাথগাঁও, থুমকিগাঁও, মুরমাহ, জিম্বাগাঁও, গুরুংগাঁও, মিরিক বস্তি, লোয়ার পালযোরগাঁও, লামেটার, নাকালিধারা, নামসুগাঁও, নামসু পিকনিক স্পট, তাওয়াকোলবোটে গাঁওয়ে রাস্তা তৈরি করা হবে। কাজ শেষ হলে মিরিক পুরসভা ও পর্যটনকেন্দ্রর সঙ্গে মিরিকের সমস্ত গ্রামীণ এলাকাও পাকা রাস্তার মাধ্যমে যুক্ত হবে।

[আরও পড়ুন: খেলার সঙ্গে খাবার, বিশ্বকাপের স্পেশ্যাল মেনুতে চমক কলকাতার এই রেস্তরাঁর]

এছাড়াও ২০ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকায় মিরিক সচিবালয়ে সীমানা ও পানীয় জল সরবরাহর কাজ হবে। ১১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিয়ে মিরিক মোটেলে ১১টি ঐতিহাসিক সুইস কটেজের সংস্কার করা হবে। মিরিক ব্লকের তিনটি জোনের মহাত্মা গান্ধী কর্মনিশ্চয়তা প্রকল্প ও বিভিন্ন সামগ্রী সরবরাহের জন্য ৩ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ হয়েছে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement