Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২৬ আগস্ট ২০২৬
Kiriburu and Meghahatuburu

সবুজের সাম্রাজ্য, কলকাতা থেকে কিছুদূরের এই দুই পাহাড়ের গল্প শুনেছেন কখনও?

পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্তের লাল সূর্য দেখে মন প্রশান্তিতে ভরে যাবে। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২২, ১৭:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৩, ২০২২, ১৭:০৭

options
link
সবুজের সাম্রাজ্য, কলকাতা থেকে কিছুদূরের এই দুই পাহাড়ের গল্প শুনেছেন কখনও? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দুই পাহাড়ের গল্প শুনেছেন কখনও! এই কলকাতা থেকে কয়েকশো কিলোমিটার দূরেই দাড়িয়ে তারা। পাশাপাশি দিব্যি আছে কিরিবুরু (Kiriburu) ও মেঘাহাটুবুরু (Meghahatuburu)। সবুজের রাজত্বে অধিকার তাদের। যেখানে গেলে মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাবে সারা শরীরে।

Kiriburu-and-Meghahatuburu-1

Advertisement

ঝাড়খণ্ডের পশ্চিম সিংভূম এলাকায় অবস্থিত এই দু’টি পাহাড়। শোনা যায়, স্থানীয়দের কাছে ‘কিরি’ শব্দের অর্থ হাতি। তাই এই পর্বতকে অনেকে বন্যপ্রাণীদের নিরাপদ বাসস্থান হিসেবে উল্লেখ করেন। আবার ‘মেঘাটু’ শব্দটি মেঘ থেকে নেওয়া। অর্থাৎ এই ‘বুরু’ অর্থাৎ পাহাড়ে মেঘের আনাগোনা লেগেই থাকে।

Kiriburu-and-Meghahatuburu-2

 

[আরও পড়ুন: হোটেলে পৌঁছতে ভাড়া করতে হবে না অন্য গাড়ি, পর্যটকদের স্বস্তি দিয়ে নতুন নিয়ম সিকিমে]

কী কী দেখবেন? 

  • কিরিবুরুর ভিউ পয়েন্ট থেকে আশপাশের গোটা উপত্যকা দেখা যায়। সবুজের সেই রাজত্ব এই বর্ষাকালে আপনাকে মুগ্ধ করবে। একেবারে প্যানোরমিক ভিউ দেখতে পাবেন।
  • মেঘাটুবুরু যাবেন সূর্যাস্তের সময়। সে যেন এক স্বর্গীয় অনুভূতি। পাহাড়ের উপরে দাঁড়িয়ে লাল সূর্য দেখে মন প্রশান্তিতে ভরে যাবে। 
  • দুই পাহাড়ে আরও অনেক কিছু দেখার রয়েছে। ছোট ছোট জলপ্রপাত হয়েছে। রয়েছে এঁকে বেঁকে বয়ে চলা জলের স্রোত। 
  • কাছেই আবার রয়েছে সারান্ডা জঙ্গল। কিরিবুরু থেকে মাত্র ৫৪ কিলোমিটার দূরে। একেবারে নিঝুম ও শান্ত। চাইলে জিন্দাল শিব মন্দির দর্শন করে নিতে পারেন। আবার মনোহরপুকুরও রয়েছে। 

Saranda

কীভাবে যাবেন? 

কলকাতা থেকে কিরিবুরু ও মেঘাহাটুবুরুর দূরত্ব প্রায় চারশো কিলোমিটার। হাওড়া থেকে টাটানগরের যেকোনও ট্রেন ধরবেন। টাটানগর থেকে কিরিবুরু যাওয়ার বাস পেয়ে যাবেন। আর গাড়িতে যেতে গেলে জিপিএস অন করে নেবেন। পথের শোভা দেখতে দেখতে দিব্যি পৌঁছে যাবেন গন্তব্যে। সারা বছরই ঝাড়খণ্ডের এই জোড়া পাহাড়ের দেশে যাওয়া যায়। আবহাওয়া সবসময়ই মনোরম থাকে। কোথায় থাকবেন? তা একেবারেই আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ। একাধিক গেস্ট হাউস রয়েছে। খুঁজলে পেয়ে যাবেন রিসর্টও। 

[আরও পড়ুন: বড় চমক IRCTC’র , এবার এক ট্রেনেই ঘুরে দেখুন একাধিক তীর্থক্ষেত্র!]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.