১৫ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  শনিবার ৫ ডিসেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বাবা কা ধাবা’-র অসহায় দম্পতির নিখরচায় অপারেশন, নেটদুনিয়ায় প্রশংসা কুড়োচ্ছেন চিকিৎসক

Published by: Biswadip Dey |    Posted: October 27, 2020 7:04 pm|    Updated: October 27, 2020 7:04 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা দেশে ভাইরাল হওয়া ‘বাবা কা ধাবা’-র (Baba ka Dhaba) অশীতিপর বৃদ্ধ এবং তাঁর স্ত্রী এবার পেলেন এক নতুন উপহার। করোনা কালে রোজগারহীন হয়ে পড়া ওই দম্পতির কান্নায় ভেঙে পড়ার দৃশ্যে মন আর্দ্র হয়েছিল নেটিজেনদের। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral) হওয়ার দৌলতে রাতারাতি আবার ভিড় বেড়ে যায় তাঁর দোকানে। এবার ওই দম্পতির পাশে দাঁড়ালেন দিল্লির এক চিকিৎসক।

আশি পেরনো কান্তা প্রসাদ ও তাঁর স্ত্রী বাদামি দেবীর চোখের ছানি অপারেশন করেছেন ওই চিকিৎসক। এবং তা একেবারে নিখরচায়। টুইটারে ‘বাবা কা ধাবা’-কে ভাইরাল করেছিলেন বসুন্ধরা শর্মা নামে এক নেটিজেন। ভিডিও দেখেই সমীর সুদ নামে চিকিৎসক, যিনি বসুন্ধরার বন্ধুর বাবা, বুঝতে পেরেছিলেন যে দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধার চোখেই ছানি রয়েছে। অসহায় দম্পতির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে দেরি হয়নি তাঁর। 

[আরও পড়ুন: মুখ ভরতি ছিদ্র, কপালে শিং! গিনেস বুকে নাম তুললেন ভয়াবহ চেহারার জার্মানির এই ব্যক্তি]

অবশেষে সোমবার অপারেশন হওয়ার পরে বসুন্ধরা সেই ছবি টুইটারে শেয়ার করে লেখেন, ‘‘আমার বন্ধুর বাবা (যিনি একজন চিকিৎসক) দেখেছিলেন ‘বাবা কা ধাবা’ ভাইরাল ভিডিওটি। তখনই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন কান্তা প্রসাদ ও বাদামি দেবী, দু’জনেরই চোখে ছানি রয়েছে। উনি ওঁদের দু’জনকেই আজ স্বচ্ছ দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিলেন। অনেক ধন্যবাদ স্যার!’’ এই পোস্টটিও ভাইরাল হয়ে যায় দ্রুতই। 

 

রাস্তার পাশে ফুটপাতের উপর ছোট্ট দোকান চালাতেন বৃদ্ধ দম্পতি। অল্প কিছু টাকা দিলেই ধোঁয়া ওঠা চায়ের পাশাপাশি মিলত গরম গরম পরোটা, ভাত, সবজি। রোজগার বিরাট কিছু না হলেও দু’জনের গ্রাসাচ্ছাদনের ব্যবস্থা হয়ে যেত। সামান্য সেই রোজগারেও বাধ সেধেছিল করোনা ভাইরাস (Coronavirus)। সুস্বাদু মটর পনিরে ভরতি পাত্র সাজিয়ে রেখেও অপেক্ষাই সার হয়ে দাঁড়িয়েছিল। গ্রাহক যেন রাতারাতি কর্পূরের মতো উবে গিয়েছিল। ‘বাবা কা ধাবা’-র মালিকদের কান্নার ভিডিও তুলে পোস্ট করেছিলেন বসুন্ধরা।

[আরও পড়ুন: দেবতা দর্শনে সটান মন্দিরের ভিতর! পুরোহিতের নির্দেশ পেতেই ডেরায় ফিরে গেল ‘সংস্কারী’ কুমির]

আর তারপরই ঘটে যায় ম্যাজিক। সুসময় ফিরেছে ‘বাবা কা ধাবা’-র। আর ভ্রূকুটি নেই রোজগারহীন থাকার। নিয়মিত সেখানে ভিড় জমাচ্ছেন খদ্দেররা। এবার সেই সুসময়ে নতুন মাত্রা যোগ করলেন ড. সমীর সুদ। ফিরিয়ে দিলেন তাঁদের স্বাভাবিক দৃষ্টি।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement