সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: স্বামী এবং স্ত্রীর যৌনতার ফাঁকে তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ যে ব্যতিক্রম সে বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। তবে একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তেও নাকি প্রবেশ করছেন তৃতীয় ব্যক্তি। কিন্তু কে সে? মহিলার উত্তর শুনে মাথা ঘুরে যাওয়ার জোগাড় সকলের। কারণ, তাঁর দাবি একই সময়ে তাঁর শয্যাসঙ্গী স্বামী এবং ভগবান। এমন যৌনতায় (Sex) স্বর্গীয় সুখ পান বলেও দাবি ওই মহিলার।
এমন আজব দাবি করেছেন নিতা মারি (Nita Marie)। নেটদুনিয়ায় বছর পঁয়তাল্লিশের ওই মহিলার জনপ্রিয়তাই অন্যরকম। তিনি বেশ চর্চিত। তাঁর শেয়ার করা নয়া টিকটক ভিডিও পুরুষমনে ঝড় তোলে। সেই নিতাই যেন বোমা ফাটালেন। দাবি করেন, ঈশ্বরের সঙ্গেই নাকি যৌন সম্পর্ক রয়েছে তাঁর। শুধু ঈশ্বরই নন। সঙ্গমের সময় নিতার স্বামীও থাকেন। মহিলার দাবি, তাতেই নাকি ঐশ্বরিক যৌনসুখ লাভ করেন তিনি।
[আরও পড়ুন: লং ড্রাইভে বেরিয়ে গাড়িতেই উদ্দাম যৌনতা! পাহাড় থেকে নিচে পড়ে গেলেন দম্পতি]
ঈশ্বরের প্রতি অগাধ ভরসা নিতার। ভীষণ ঈশ্বর ভক্ত তিনি। পুজোপাঠও করেন। আর সে কারণেই ভক্তের ডাকে সাড়া দিয়ে স্বামী এবং নীতার একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তে উপরওয়ালা উপস্থিত হন বলেও দাবি তাঁর। নীতার দাবি, যৌনতায় মাতবেন মনে করলেই যে ভগবান উপস্থিত হন তা নয়। তাঁর দাবি, সঙ্গমের আগে ভগবানের কাছে প্রার্থনা করেন তিনি। সেই প্রার্থনায় সাড়া দিয়ে নীতা এবং তাঁর স্বামীর একান্ত ব্যক্তিগত মুহূর্তে হাজির হন ভগবান। আর তারপরই উদ্দাম যৌনতায় মেতে ওঠেন তিনজন।

প্রতি রাতেই কি নীতার সঙ্গে যৌনতায় মাতেন উপরওয়ালা? ভিডিও শেয়ার করে নীতার দাবি, প্রতি রাতে ভগবানকে তাঁর সঙ্গে যৌনতায় মেতে ওঠার আরজি জানান না তিনি। ঈশ্বর ব্যস্ত থাকেন। তাই প্রতি রাতে বিরক্ত করেন না। সপ্তাহে মাত্র দু-একবার স্বামীর পাশাপাশি ভগবানের সঙ্গেও যৌনতায় মেতে ‘ঐশ্বরিক সুখ’ পান মহিলা।

[আরও পড়ুন: কীভাবে সঙ্গম পছন্দ ভারতীয়দের? সমীক্ষায় উঠে এল চমকপ্রদ তথ্য]
সর্বশেষ খবর
-
কম ফ্যাটের দই মানেই ভেজাল নয়, ২৬ বছর পর হাই কোর্টে বেকসুর খালাস কৃষ্ণনগরের মিষ্টি ব্যবসায়ী
-
টাকা দিয়ে দেবীদর্শন! বদলের বঙ্গে বন্ধ হচ্ছে পুজোর ‘বিতর্কিত’ প্রিভিউ শো?
-
মন্দির ধসে পড়লেও নড়ানো যাচ্ছে না বজরংবলীকে! উজ্জয়িনীতে ‘অলৌকিক’ কাণ্ড, ভাইরাল ভিডিও
-
বনগাঁ আদালতে আইনজীবী সেজে প্রতারণা! ৩ জনকে আটক করল পুলিশ
-
৫ মাসে ২৩ ফাঁসির নির্দেশ, খুনের হুমকির মুখে সেই বিচারক বললেন, ‘ভয় পাওয়ার চেয়ে মরে যাওয়া ভালো’