৬ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২০ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

৬ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২০ জানুয়ারি ২০২০ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বেশ আটঘাট বেঁধে রাতদুপুরে সরকারি বাংলোয় ঢুকে ছিল চোরের দল। আশা ছিল, বড়লোকদের বাড়ি থেকে বেশ ভাল কিছু আদায় হবে, ভরে যাবে ঝোলা। কিন্তু এ কী! কষ্ট করে তালা ভেঙে, ঘরে ঢুকে, আলমারির দরজা ভেঙে বেমালুম বোকা বনে গেল তারা। আলমারি যে শূন্য, ঘর ভোঁ ভাঁ। রেগেমেগে একটি চিরকূট রেখে গেল চোরের দল, যাতে লেখা – ‘তোমরা ভীষণ কিপটে। তোমাদের ঘর থেকে কিছুই পেলাম না। আমার রাতটাই বরবাদ হয়ে গেল।’ মধ্যপ্রদেশের শাজাপুরে চোরের সেই চিরকূটই আপাতত ভাইরাল নেটদুনিয়ায়।

robber's-letter

মধ্যপ্রদেশের আদর্শ নগরের সরকারি বাংলো। গ্রামোন্নয়ন বিভাগের ইঞ্জিনিয়ার পরবেশ সোনি থাকেন এই বাংলোয়। পাশেই বাড়ি আদর্শ নগরের বিচারক এবং যুগ্ম জেলাশাসকের। বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ছিলেন না পরবেশ সোনি। সে কথা বিলক্ষণ জানতেন চোর বাবাজিরা। তাই রাতের আঁধার নামতেই বেশ প্রস্তুতি নিয়ে ঢুকে পড়েন সরকারি বাংলোয়। কিন্তু সত্যিই বোধহয় ভাগ্য খারাপ ছিল। বাড়ি ঢুকে আলমারি, সেলফ, শোকেস খুলে নিয়ে যাওয়ার মতো কিছুই পেল না তারা। অতএব, হাতে রইল শুধু ডায়েরি আর কলম। এটুকুই পরবেশ সোনির ঘর থেকে মিলেছে। তা এইই যখন হাতের কাছে আছে, একটু সদ্ব্যবহার তো করা যেতেই পারে। এমনটা ভেবেই চিঠি লিখে ফেলল চোরের দলের একজন।

[আরও পড়ুন: নদীর নিচে সোনার খনি! ব্রিটেনে খোঁজ মিলল সবথেকে বড় স্বর্ণ টুকরোর]

হিন্দি ভাষায় গোটা গোটা অক্ষরে লেখা – ‘তুমি বড় কিপটে। দরজা ভেঙে কষ্ট করে ভিতরে এলাম, তার কোনও দামই পেলাম না। রাতটা বড় খারাপ কাটল আমার।’ সকালবেলা ঘরে ঢুকে কফি টেবিলের উপর এই চিঠি আর ঘরের লন্ডভন্ড অবস্থা দেখে ইঞ্জিনিয়ার পরবেশ সোনি বুঝে গিয়েছেন, ঘটনা ঠিক কী ঘটেছে। হাসবেন নাকি রাগবেন, বুঝতে পারছেন না। যদিও শেষমেশ পুলিশকে খবর দেন। পুলিশে এসে তল্লাশি চালিয়ে জানায় যে শোকেস, সেলফ ভাঙচুর করা ছাড়া আর কিছুই করতে পারেনি চোরের দল। পুলিশ যাই-ই বলুক, চুরি করতে এসে কিছু না পেয়ে এমন রেগেমেগে চিঠি লেখা চোর কিন্তু খুঁজলেও মিলবে না, তা বলাই যায়।

[আরও পড়ুন: যেন অবিকল লতার কণ্ঠ, সোশ্যাল মিডিয়া কাঁপাচ্ছে খুদের গানের ভিডিও]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং