দুধ থেকে সোনা, যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে গৃহস্থ! এই ৭ দিকে খরচ কমাতে পারলেই দিনশেষে হবে সঞ্চয়
মূল্যবৃদ্ধির বাজারে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের দামামা। তারই জেরে উত্তাল বাজার দর। জ্বালানি সংকটে ভুগতে হচ্ছে মানুষকে। পকেটে টান দিয়ে বেড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম। রন্নার গ্যাসে যেমন খরচ বেড়েছে গেরস্তের, তেমনি লিটার প্রতি ২টাকা দাম বেড়েছে দুধের। সোনার দামেও ভির্মি খাওয়ার জোগাড়। সব মিলিয়ে মধ্যবিত্ত সংসার টলমল।
দুধের প্যাকেট থেকে গাড়ির জ্বালানি—সবকিছুর দামই এখন আকাশছোঁয়া। পকেট গড়ের মাঠ। মেপেজোকে চলা সংসারে বেড়েছে অতিরিক্ত খরচ। অথচ আয়ের পরিমাণ নির্দিষ্ট। ফলে সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মানুষকে। এই অগ্নিমূল্যের বাজারে সংসার চালানো চাট্টিখানি কথা নয়। কিন্তু একটু সচেতন হলেই তা সম্ভব। সবদিক সামলে কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করবেন খেরোর খাতা? রইল তার হালহদিশ।
আরও পড়ুন:
মাত্র ১০ মিনিট। এরই মধ্যে মুদিখানার জিনিসপত্র আপনার বাড়িতে পৌঁছে যাচ্ছে। বিভিন্ন গ্রসারি অ্যাপের জনপ্রিয়তায় এমনটা সম্ভব হয়েছে। কিন্তু পেঁয়াজ বা আটা ফুরোলেই টুকটাক অর্ডার করার অভ্যাস খরচ বাড়ায়। বারবার ডেলিভারি চার্জ দেওয়ার চেয়ে সপ্তাহে বা মাসে একবার পরিকল্পনা করে বড় বাজার করুন। এতে খরচে লাগাম টানা অনেক সহজ হবে।
আমাদের প্রাত্যহিক জীবনে সোশাল মিডিয়ার একটা প্রত্যক্ষ প্রভাব রয়েছে। অফিসের পার্টি হোক বা ডেটিং, নতুন পোশাক পরে যেকোনও অনুষ্ঠানে হাজির হওয়াটা একটা ফ্যাশন। আর এর জেরে মাঝেমধ্যেই প্রয়োজনের বাইরে জামাকাপড় কেনার চল বেড়েছে। সব অনুষ্ঠানে নতুন পোশাক না কিনে, আলমারিতে থাকা পোশাকগুলোই নতুন কায়দায় ঘুরিয়ে ফিরিয়ে পরুন। গুণমানের দিকে নজর দিন, সংখ্যার দিকে নয়।