জনপ্রিয় গায়িকাকে অপহরণ করে খুন! খাল থেকে উদ্ধার দেহ, কোন ‘অপরাধে’ করুণ পরিণতি?
নৃশংস ঘটনা! গায়িকার পরিণতিতে শোকের আবহ সঙ্গীত দুনিয়ায়।
আরও পড়ুন:
গায়িকার পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন, মোগা জেলার ভালুর গ্রামের সুখবিন্দর সিংয়ের সঙ্গে ইন্দরের পরিচয় ছিল। শুধু তাই নয়, গায়িকার ভাই যতিন্দর পুলিশের অভিযোগ করেন যে, সুখবিন্দর সিং তাঁর বোনকে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন, কিন্তু ইন্দর সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর দাবি, সুখবিন্দর সিংহ ওরফে সুখা নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরেই ইন্দরকে বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিলেন।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রায় তিন বছর আগে ইনস্টাগ্রামের সুবাদে ইন্দর ও সুখবিন্দরের পরিচয় হয়েছিল। ধীরে ধীরে তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। তবে পরবর্তীতে ইন্দর জানতে পারেন যে, সুখবিন্দর আগে থেকেই বিবাহিত এবং তাঁর এক সন্তানও রয়েছে। সত্যিটা জানার পরেই সম্পর্ক থেকে সরে আসতে চান ইন্দর এবং বিয়ের প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেন। পরিবারের অভিযোগ, এর পর থেকেই সুখবিন্দর নানাভাবে হুমকি দিচ্ছিল।
আরও পড়ুন:
যতিন্দর এও দাবি করেন যে, রাগের বশে সুখবিন্দর ও তার সহযোগীরা ইন্দরকে বন্দুক দেখিয়ে অপহরণ করে এবং পরে খুনে করে খালে দেহ ফেলে। গায়িকার পরিবারের অভিযোগ, 'হত্যাকাণ্ডের পর সুখবিন্দর সিং কানাডায় পালিয়ে গিয়েছেন। খুনের উদ্দেশ্য নিয়েই কানাডা থেকে পাঞ্জাবে এসেছিলেন সুখবিন্দর। এদিকে প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, সুখবিন্দর কানাডা থেকে ভায়া নেপাল হয়ে ভারতে ঢুকেছিলেন।
খবর, ইন্দর নিখোঁজ থাকায় তাঁর ভাই যতিন্দর সিং পুলিশে একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, যেখানে ২ জনের নামোল্লেখও করেন তিনি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ১৫ মে মোগার বাসিন্দা সুখবিন্দর সিং ওরফে সুখা এবং তার সহযোগী করমজিৎ সিংয়ের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করেছিল। তবে, গায়িকার পরিবারের অভিযোগ, FIR-এর পরও পুলিশের তরফে কোনও বড় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
১৯৯৭ সালে জন্ম ইন্দরের। গানের পাশাপাশি রূপটান শিল্পী হিসেবেও জনপ্রিয় ছিলেনষ 'আফগান জট্টি', 'লানেদারনি', 'সোনে দি ওয়াং', 'কিসান অ্যান্থেম', 'জিজা', 'রিচ স্ট্যান্ডার্ড', 'আকড়', 'কাদো তি মিলেগি'র মতো বহু গান পাঞ্জাবের মাটিতে তাঁকে খ্যাতি এনে দিয়েছিল। সেই গায়িকার এমন পরিণতিতে শোকের আবহ সঙ্গীত দুনিয়ায়। (ছবি- সংগৃহীত)