এবার লাল শিফন শাড়িতে দেশি লুকে দুষ্টু 'আস্কারা' দিলেন সৃজলা। যা দেখে ভক্তদের প্রায় মূর্চ্ছা যাওয়ার জোগাড়! সৃজলা এখন মুম্বই ইন্ডাস্ট্রিতে ব্যস্ত হিন্দি ধারাবাহিক নিয়ে।
৪৫
শোনা গিয়েছে, ওড়িয়া সিনেমার মাধ্যমে সৃজলার অভিনয় সফর শুরু। তারপর রোহন ভট্টাচার্যর বিপরীতে ‘জামাই বরণ’ সিনেমায় দেখা যায় তাঁকে। রোহনের সঙ্গে সৃজলার প্রেমের খবরও শোনা যায়। এখন নাকি দু’জনের পথ আলাদা।
৫৫
সে যাই হোক, ২০২১ সালে ‘মন ফাগুন’ সিরিয়ালে প্রিয়দর্শিনী ওরফে পিউর চরিত্রে অভিনয় শুরু করেন সৃজলা। বিপরীতে ছিলেন ছোটপর্দায় হ্যান্ডসাম হাঙ্ক শন বন্দ্যোপাধ্যায়। (ছবি- ইনস্টাগ্রাম)
ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের স্বর্ণালী ইতিহাস লেখার অন্যতম দুই কারিগর- চিরাগ শেট্টি এবং সাত্ত্বিকসাইরাজ রণকিরেড্ডি। অলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় পুরুষ হিসাবে ব্যাডমিন্টনে পদক জয়ের স্বপ্ন দেখাচ্ছে এই জুটি।
৪১০
মীরাবাই চানু। টোকিও অলিম্পিকে রুপো পেয়েছিলেন এই ভারত্তোলক। এবার সোনার পদক নিয়ে প্যারিস থেকে ফিরতেই পারেন তিনি।
৫১০
২০২৩ এশিয়ান গেমসে ব্রোঞ্জ জিতে ছিলেন। ভারতীয় কুস্তিগিরদের মধ্যে তিনিই সবার প্রথম প্যারিসে নামার যোগ্যতা অর্জন করেন। ১৯ বছর বয়সি অন্তিম পাঙ্ঘালকে নিয়েও স্বপ্ন রয়েছে ভারতবাসীর।
দুটি অলিম্পিক থেকে ইতিমধ্যেই দুটি পদক জিতেছেন পিভি সিন্ধু। তৃতীয়বারের চেষ্টায় সোনা জিততে পারেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টনের রানি, আশায় দেশবাসী।
৭১০
গত অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন বক্সার লভলিনা বরগোহাঁই। অসমের মেয়ে ফের অলিম্পিক থেকে পদক আনতে পারেন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের।
৮১০
গত অলিম্পিকে চতুর্থ হয়েছিলেন। অল্পের জন্য হাতছাড়া হয়েছিল পদক। তবে প্রথম ভারতীয় মহিলা গলফার হিসাবে এবার অলিম্পিকে পদক জেতার অন্যতম দাবিদার অদিতি অশোক।
৯১০
কুস্তিগিরদের আন্দোলনের অন্যতম প্রধান মুখ ছিলেন ভিনেশ ফোগাট। সতীর্থদের জন্য ন্যায়বিচার চেয়ে আন্দোলন করতে গিয়ে বারবার ব্যাহত হয়েছে তাঁর কুস্তির অনুশীলন। তিনি পদক জিতবেন, পোডিয়ামে তেরঙ্গা ওড়াবেন, এমনটাই আশা দেশবাসীর।
১০১০
আশা জাগিয়েও টোকিও অলিম্পিকে পদক জিততে পারেননি মনু ভাকের। তবে তরুণী শুটার এবার ভালো পারফরম্যান্স করবেন বলেই আশাবাদী। ১২ বছরে প্রথমবার শুটিংয়ে অলিম্পিক পদক তাঁর হাত ধরেই আসবে ভারতে, আশা দেশবাসীর।
বুধবার স্বর্ণবেশে সাজলেন জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা। যে সাজপোশাককে সেখানকার চলিত ভাষায় 'সুনা বেশা' বলা হয়।
২৯
আট দিনের মাথায় গুন্ডিচা মন্দির থেকে নিজভূম পুরীর উদ্দেশে রওনা দেন প্রভু জগন্নাথ। সবে মাসির বাড়ি থেকে ফিরেছেন তিন ভাইবোন। প্রথা অনুযায়ী, মন্দিরে প্রবেশ করানোর আগে স্বর্ণ অলঙ্কারে সাজানো হয় জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রাকে।
কথিত রয়েছে, রাজা কপিলেন্দ্র দেব প্রতিবেশী রাজ্য জয় করে ১৬টি হাতি বোঝাই করে এই বিপুল পরিমাণ সোনার গয়না নিয়ে এসেছিলেন। জানা যায়, ১৪৬০ সাল নাগাদ মন্দিরে সেই সমস্ত মূল্যবান ধনরত্ন তিনি দান করে দেন ঈশ্বর সেবায়। সেই থেকেই প্রতিবছর জগন্নাথ, বলভদ্র, সুভদ্রাকে স্বর্ণবেশে সাজানোর রীতি রয়েছে।
৭৯
যা কিনা জগন্নাথভূমে আজও পালিত হয় সাড়ম্বরে। এদিনও পুরীর মন্দির চত্বরে উপচে পড়ে পূন্যার্থীদের ভিড়। পরে আবার কার্তিক, পৌষ, ফাল্গুনের পূর্ণিমা তিথিতে সোনার বেশে সাজেন প্রভু।
৮৯
অধরপনা: সুনা বেশের পরের দিন দ্বাদশীর দিন হয় অধরপনা উৎসব। কী এই অধরপনা? এই রীতি অনুযায়ী দ্বাদশীর দিন সন্ধ্যা বেলায় জগন্নাথদেবকে সরবত খাওয়ানো হয়।
৯৯
তারপর পালিত হয় রসগোল্লা উৎসব। ত্রয়োদশীর দিন পালন করা হয় এই উৎসব। জগন্নাথ দেবকে কয়েকশো হাঁড়ির রসগোল্লা ও ৫৬ ভোগ নিবেদন করা হয়। এই উৎসবের মধ্য দিয়ে শেষ হয় তিনদিনের ‘সাজা’। তৃতীয় দিনেই মূল রত্নবেদীতে তোলা হয় বলরাম, জগন্নাথ, সুভদ্রাকে। (ছবি- এক্স হ্যান্ডেল)