নাইটদের এভারেস্ট জয়! এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে পৌঁছে গেলেন কেকেআরের 'সুপারফ্যান' অশোক চক্রবর্তী। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে তিনি বেস ক্যাম্পে পৌঁছে জাতীয় পতাকার সঙ্গে উড়িয়েছেন কেকেআরের পতাকাও।
২৭
অশোক চক্রবর্তী নবদ্বীপের বাসিন্দা। কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রতি তাঁর অনন্য টান। ইডেন গার্ডেন্সে কেকেআরের প্রত্যেক ম্যাচেই সশরীরে হাজির হন তিনি। তাঁর সারা শরীরে থাকে বেগুনি রং। সঙ্গে নেন পতাকা এবং শঙ্খ।
দলের প্রতি এমন টান দেখে অশোককে বিনামূল্যে ম্যাচ দেখার জন্য 'গোল্ডেন টিকিটে'র ব্যবস্থা করে দিয়েছে কেকেআর ম্যানেজমেন্ট। সেই তিনি এখন পৌঁছে গেলেন এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে।
৪৭
স্টেডিয়াম এবং শহরের সীমানা ছাড়িয়ে কেকেআর-কে অন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন। ১৯ অক্টোবর এভারেস্ট বেস ক্যাম্পে পৌঁছেছিলেন তিনি। পতাকা তো বটেই, দলের জার্সিও বহন করেছিলেন তিনি।
৫৭
এই ঘটনায় গর্বিত নাইট রাইডার্স পরিবার। কারণ, তাদের এক 'সদস্য' বেগুনি-সোনালি রঙের আভিজাত্যকে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।
বেকনাইটরাইডার নামক ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লেখা হয়, 'নাইট রাইডার্স পরিবার কোনও সীমানা মানে না। আমাদের সুপারফ্যান অশোক চক্রবর্তী তাঁর আবেগকে বিশ্বের শীর্ষে নিয়ে গিয়েছে। এর জন্য আমরা গর্বিত। প্রবল মনোবল এবং কেকেআরের পতাকা এবং জার্সির মর্যাদাকে এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে পৌঁছে দিয়েছেন।'
৭৭
আরও লেখা হয়েছে, 'অশোক দেখিয়েছেন, আমাদের রং কেবল স্টেডিয়ামে নয়, সর্বোচ্চ শৃঙ্গেও উজ্জ্বল। এমন ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ।'
সিকিমে তুষারপাত শুরু। মঙ্গলবার সকাল থেকে হালকা তুষারপাত চলছে পূর্ব সিকিমের উঁচু এলাকায়। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে পাহাড়ি রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে।
২৭
আবহাওয়া দপ্তরের সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, ভারী তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে উত্তর সিকিমে। অবরুদ্ধ হতে পারে পথঘাট। কিন্তু সতর্কবার্তায় থোড়াই কেয়ার। তুষারপাতের খবর মিলতে পর্যটকের ভিড় বাড়ছে উত্তর ও পূর্ব সিকিমের বিস্তীর্ণ এলাকায়।
আবহাওয়া দপ্তরের বুলেটিনে বলা হয়েছে, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে ২৯ অক্টোবর থেকে উত্তরের পাহাড়-সমতলের মতো সিকিমেও আবহাওয়ার পরিবর্তন শুরু হবে। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ওই পাহাড়ি রাজ্যের জেলাগুলিতে বৃষ্টি ও তুষারপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু তার আগেই মঙ্গলবার সকাল থেকে পূর্ব সিকিমের নাথু-লা, বাবা মন্দির ছাঙ্গু উপত্যকা ও শেরথাংয়ে মতো উঁচু এলাকায় শুরু হয়েছে হালকা বৃষ্টি সঙ্গে হালকা তুষারপাত।
৪৭
পুজোর পরে পর্যটন মরশুমে প্রথম তুষারপাতের খবর মিলতে পর্যটকের ভিড় বাড়ছে চিন সীমান্ত এলাকায়। মেঘলা আকাশ দেখে মঙ্গলবার সাত সকালেই কয়েকশো গাড়ি বোঝাই পর্যটক ছাঙ্গু উপত্যকা এবং নাথু-লা সীমান্তে হাজির হয়েছেন। কিছুক্ষণের মধ্যে কনকনে ঠান্ডা হাওয়ায় পেজা তুলার মতো ভেসে বেড়ানো তুষারকণা পেয়ে যান তারা।
৫৭
কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দপ্তরের সিকিম কেন্দ্রের অধিকর্তা গোপীনাথ রাহা জানান, ক্রমশ বৃষ্টিপাতের সঙ্গে তুষারপাত বাড়বে। উত্তর সিকিমের উঁচু এলাকায় ভারী তুষারপাতের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, সিকিম রাজ্যের বেশিরভাগ এলাকায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সুবাদে তুষারপাতের অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়ে চলেছে। বিশেষ করে উত্তর সিকিমের মঙ্গন জেলায়, উঁচু এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত অথবা ভারী তুষারপাত হতে পারে।
৩০ অক্টোবর গ্যাংটক, মঙ্গন, পাকিয়ং, গিয়ালশিং, নামচি এবং সোরেং জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের ফলে তুষারপাতের সম্ভাবনা প্রবল। ৩১ অক্টোবর ভারী বৃষ্টির জেরে ভূমিধসের যথেষ্ট ঝুঁকি রয়েছে। ওই কারণে তুষারপাত দেখতে যে পর্যটকরা পড়িমরি সিকিমে ছুটছেন আবহাওয়া দপ্তরের তরফে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে চলা, রাস্তা, ট্রেন ও বিমানের পরিস্থিতি খোঁজে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
৭৭
কারণ, ৩১ অক্টোবর অতিভারী বর্ষণের জেরে সিকিমের বেশিরভাগ জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবহাওয়া দপ্তর ৩০ অক্টোবর 'হলুদ' এবং ৩১ অক্টোবর 'কমলা' সতর্কতা জারি করেছে।