বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগে আরও চমকের ভাবনা সিএবির। টুর্নামেন্ট শুরু হয়ে গিয়েছে প্রায় এক সপ্তাহ হতে চলল। এবারের টি-টোয়েন্টি লিগকে কীভাবে আরও আকর্ষণীয় করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। ফাইনালে যেমন জমকালো সমাপ্তির ভাবনা রয়েছে সিএবি কর্তাদের। তেমনই সেমিফাইনাল ঘিরেও বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে।
২৮
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সুনিধি চৌহানের পারফরম্যান্স দেখেছিল ইডেন। জানা গিয়েছে, ২৬ জুন ইডেনে দুটো সেমিফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে। একটা দুপুরে আর একটা সন্ধেয়।
শোনা গেল, সেমিফাইনালের দিন ইডেনে উপস্থিত থাকবেন দুই বলিউড তারকা সারা আলি খান আর আদিত্য রয় কাপুর। টসের সময় কিংবা পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানা তাঁরা থাকবেন।
৪৮
ইডেনে বসে বেশ কিছুক্ষণ ম্যাচও দেখার কথা আদিত্য আর সারার। ৬ জুলাই মুক্তি পাবে তাঁদের নতুন ছবি মেট্রো ইন দিনো। তার আগেই বেঙ্গল প্রো টি-২০র ময়দানে হাজির থাকবেন সারা-আদিত্য।
৫৮
অতিথি তালিকায় যুবরাজ সিংয়ের মতো প্রাক্তন তারকা যেমন রয়েছেন, তেমনই ভারতের টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব রয়েছেন। আপাতত যা খবর, তাতে যুবরাজ আর সূর্যর ফাইনালে থাকার ব্যাপারটা মোটামুটি নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুরো ব্যাপারটা চূড়ান্ত হয়ে যাবে।
২৩ জুনের ম্যাচে ভারতীয় ক্রীড়া জগতের আরও এক নক্ষত্র উপস্থিত থাকবেন। তিনি অবশ্য টেনিস জগতের। মহেশ ভূপতি। ইডেনে তিনিও ম্যাচ দেখবেন। এছাড়াও ফাইনাল ঘিরে হাজারো পরিকল্পনা রয়েছে।
৭৮
আপাতত যা ঠিক হয়েছে, তাতে ফাইনালের দিন আলাদা করে কোনও সমাপ্তি অনুষ্ঠান হচ্ছে না। বরং ফাইনালে যাতে বেশি সংখ্যক তারকা ক্রিকেটারদের নিয়ে আসা যায়, সিএবি সেই চেষ্টা করছে।
৮৮
ফাইনালে থাকছে বিশেষ লেজার শো'র ব্যবস্থা। অতীতে আন্তর্জাতিক ম্যাচ কিংবা আইপিএলের সময় যা দেখেছে ইডেন। সঙ্গে থাকছে আতসবাজির প্রদর্শনীও। সবমিলিয়ে এবারের বেঙ্গল প্রো টি-টোয়েন্টি লিগ যে আরও জাঁকজমকভাবেই শেষ হবে, সেটা এখনই বলে দেওয়া যায়।
পয়লা আষাঢ়ে মরশুমের প্রথম ইলিশ এল ডায়মন্ড হারবার পাইকারি মাছবাজারে। নদী-সমুদ্রে মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার দু'দিনের মধ্যেই সমুদ্র থেকে জালবন্দি হল প্রায় ৩০ টন ইলিশ। খুশি মৎস্যজীবীরা।
২১১
দু'মাসের নিষেধাজ্ঞার সময়কাল কাটিয়ে ১৪ জুন গভীর রাতে সমুদ্রে ইলিশ শিকারে বেরিয়েছিলেন মৎস্যজীবীরা। প্রায় আড়াই থেকে তিন হাজার ট্রলার সমুদ্রে বেরিয়েছে রুপোলী শস্যের শিকারে। মরশুমের প্রথমেই সোমবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার ঘাটে ভিড়েছে বেশ কিছু ট্রলার।
এদিন ওই ঘাটে প্রায় তিরিশটি ট্রলার সমুদ্র থেকে ইলিশ নিয়ে ফিরেছে। প্রতি ট্রলারেই গড়ে এক টন করে ইলিশ এসেছে। যেগুলি ৬০০ থেকে ৮০০ গ্রাম কিংবা তারও বেশি ওজনের ইলিশ। বিকেলেই এদিন নিলামের জন্য ওই ইলিশ এসে পৌঁছায় ডায়মন্ডহারবারের নগেন্দ্রবাজার পাইকারি মাছের বাজারে।
৪১১
ডায়মন্ড হারবারে পাইকারি বাজারের আড়তদার জগন্নাথ সরকার জানান, মরশুমের প্রথম ইলিশ এদিন পাইকারি বাজারে আসে। পাইকারি বাজারে ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ এদিন বিকোয় কেজি প্রতি ৮০০-৯০০ টাকা দরে এবং ৮০০-৯০০ গ্রাম ওজনের ইলিশ বিকোয় ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা কেজি প্রতি দরে।
৫১১
ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সম্পাদক বিজন মাইতি বলেন, "আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় সমুদ্রে ইলিশের ঝাঁক রয়েছে। মৎস্যজীবীরা তাই প্রথম মরশুমি ইলিশ জালবন্দি করতে সক্ষম হয়েছেন। আবহাওয়া এমনই অনুকূলে থাকলে আগামী কয়েকদিনই ইলিশ নিয়ে আরও ট্রলার ভিড়বে কাকদ্বীপ, রায়দিঘি, নামখানা, ডায়মন্ড হারবারের ঘাটে ঘাটে।"
তিনি জানান, "ডিম পাড়তে সমুদ্র থেকে ইলিশের ঝাঁক এখন মোহনার কাছাকাছিই রয়েছে। ফলে নিষেধাজ্ঞার সময়সীমা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রের গভীরে না গিয়েই মোহনা থেকে স্বল্প দূরত্বেই জালবন্দি হচ্ছে বড় ইলিশ। ফলে খুবই কম সময়ের মধ্যে মৎস্যজীবীরা উপকূলে ইলিশভর্তি ট্রলার ভেড়াতে সক্ষম হচ্ছেন।"
৭১১
দক্ষিণ ২৪ পরগনার সহ মৎস্য অধিকর্তা (সামুদ্রিক, ডায়মন্ডহারবার) সুরজিৎ কুমার বাগ বলেন, "লোভের বশবর্তী না হয়ে মৎস্যজীবীরা ইলিশের প্রজননকাল এই দু'মাসের সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে মাছ ধরতে না যান তবে আগামীদিনে বড়সড় সুস্বাদু ইলিশের আগের মত ফের দেখা মিলবেই। তাই নির্দিষ্ট সময়কালে মাছ ধরায় নিষেধ আইনের পাশাপাশি সচেতন হতে হবে মৎস্যজীবীদেরও।"
৮১১
দু'মাস ধরে সমুদ্রে মৎস্যশিকারে সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকার কারণে প্রচন্ড অনটনে দিন কাটছিল মৎস্যজীবীদের। সরকারি নিষেধের সেই বেড়াজাল তুলে নেওয়ায় প্রথম মরশুমেই ইলিশশিকারে বেরিয়ে বড় ইলিশ জালবন্দি করতে পেরে খুশির রোশনাই এখন সুন্দরবনের মৎস্যজীবী মহল্লায়।
৯১১
আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতি না বদলালে আগামী কয়েকদিন এভাবেই আরও টন টন ইলিশ জালবন্দি করে লাভের আশায় দিন গুণছেন মৎস্যজীবীরা।
১০১১
প্রসঙ্গত, প্রত্যেক বছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন ইলিশের প্রজননের সময় সরকারি নির্দেশে ৬১ দিন সমুদ্রে মাছ ধরা বন্ধ থাকে। ফলে এই সময়ে সামুদ্রিক মাছের সংকট দেখা দেয়।
১১১১
কোল্ড স্টোরেজে সংরক্ষিত ইলিশ এই সময় চড়া দামে বাজারে বিক্রি হয়ে থাকে। তথ্য: সুরজিৎ দেব
যদিও স্থানীয় ব্যবসায়ীদের দাবি উড়িয়ে দিয়েছেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর দাবি, ‘‘একটা গাড়ি আসতে গেলেও তো কিছু সময় লাগে। ওয়াটগঞ্জ, গার্ডেনরিচ থেকে দমকলের গাড়ি এসেছে। জীবন বিপন্ন করে কাজ করেন আমাদের লোকজন। তা ছাড়া, দোকান করার সময়ে অনেকেই ঠিক মতো নিয়ম মানেন না। আমি কাউকে দোষ দিচ্ছি না। একটা ঘটনা ঘটেছে, আমরা দেখব।’’
৭৮
কারও দোকানের ভিতরে ছিল প্রয়োজনীয় নথিপত্র। কারও বা দোকানে ছিল নগদ টাকা। রাক্ষুসে আগুন গিলেছে সবই। কী করবেন কিছুই ভেবে পাচ্ছেন না ব্যবসায়ীরা। মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়েছে।
৮৮
সকাল থেকে ধ্বংসাবশেষে পরিণত হওয়া মার্কেটে ব্যবসায়ীদের ভিড়। সব হারিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তাঁরা। ছবি: সুখময় সেন।