কাক-কোকিলে টের পায়নি প্রেমের কথা, হিরণের মতো আচমকা বিয়ে করে অবাক করেছেন আর কারা?
কে কে রয়েছেন তালিকায়?
পঁচিশ সালেই শোনা গিয়েছিল হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের জীবনে উঁকি দিয়েছে নতুন বসন্ত! যদিও গত লোকসভা নির্বাচনে ঘাটালে দেবের কাছে হারের পর গেরুয়া শিবিরের নেতা-অভিনেতাকে রাজনীতির ময়দানে সেভাবে দেখা যায়নি, তবে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে কান পাতলেই শোনা যেত, সম্পর্কে তৃতীয় কারও প্রবেশের জন্যেই নাকি প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতার সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে হিরণের। এমন আবহেই ইন্ডাস্ট্রির ‘মাচো মস্তানা’র সঙ্গে জনৈক রহস্যময়ীর সম্পর্কের গুঞ্জন শুরু হয়। এবার জল্পনাকে সত্যি করেই দ্বিতীয়বার...
আরও পড়ুন:
বৈবাহিক জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস কলকাতায় নয়, বরং শহর থেকে বহুদূরে বারাণসীতে শুরু করলেন অভিনেতা। মা গঙ্গাকে সাক্ষী রেখে বিশেষ বান্ধবীর সিঁথি রাঙিয়ে দিলেন সিঁদুরে। বারাণসীর ঘাট থেকে ভাইরাল হওয়া সেই ছবিতেই দেখা গেল, লাল বেনারসিতে সেজেছিলেন কনে। অন্যদিকে ছিমছাম হলুদ পাঞ্জাবিতেই বিয়ে সারতে দেখা গেল হিরণকে। পাত্রীর পরিচয় নিয়ে কৌতূহল অস্বাভাবিক নয়! হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় স্ত্রী’র নাম ঋত্বিকা গিরি পেশায় মডেল। ফেসবুক পোস্টে নিজেই এই...
প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা আর হিরণের যে এক কন্যাসন্তান রয়েছে, সেখবর কারও অজানা নয়। তবে একমাত্র মেয়েও নাকি বাবার থেকে বছরখানেক ধরে দূরত্ব বাড়িয়েছে। রাজনীতির কাজের জন্য বছরখানেক খড়্গপুরে থাকতেন নেতা-অভিনেতা। তখনই নাকি স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছিল তাঁর। প্রথম স্ত্রীর বিবাহবিচ্ছেদ না করেও কীভাবে দ্বিতীয় বিয়ে, উঠছে সে প্রশ্ন। ইতিমধ্যে হিরণের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করেন প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা।
সংঘ পরিবারের সঙ্গে বরাবর যুক্ত। জীবন নিয়মে বাঁধা। জনমানসে পরিচিতি দুঁদে রাজনৈতিক নেতা হিসেবে। রাজনীতির হাজারও ব্যস্ততার মাঝে শরীরচর্চা করতে ভোলেন না। প্রায় প্রতিদিনই ইকো পার্কে নিয়ম করে হাঁটতে যান দিলীপ। সারেন জনসংযোগ। তারই মাঝে রিঙ্কুর সঙ্গে আলাপ। উত্তর কলকাতা শহরতলির বিজেপির মহিলা মোর্চার পর্যবেক্ষক রিঙ্কুর সঙ্গে মন দেওয়া নেওয়ার খবর কাক কোকিলেও টের পায়নি কেউ।
আরও পড়ুন:
রাজনীতিতে উজ্জ্বল কেরিয়ার মহুয়া মৈত্রর। করিমপুরের বিধায়ক থেকে জেলায় দলের সাংগঠনিক দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছেন। পরপর দু’বার কৃষ্ণনগর থেকে ঘাসফুলের প্রার্থী হয়ে বড়সড় ব্যবধানে জিতেছেন। জেলায় তাঁর দাপটই আলাদা। এলাকায় দ্রুত কাজ থেকে শুরু করে সংগঠনকে একসূত্রে বেঁধে রাখার কাজ মহুয়া সাফল্যের সঙ্গে করে চলেছেন। রাজনীতি নিয়ে শত ব্যস্ততার মাঝেই গাঁটছড়া বাঁধেন মহুয়া।
২০১৫ সালে পিয়া চক্রবর্তীকে বিয়ে করেছিলেন অনুপম রায়। ৬ বছরের মাথায় বিচ্ছেদের ঘোষণা। এরপর ২০২৩ সালে নভেম্বরে টলিউডের মোস্ট এলিজেবল ব্যাচেলর পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে অনুপমের প্রাক্তন পিয়া বিয়ে সারেন। তার ঠিক পরের বছর ২ মার্চ, প্রস্মিতার সঙ্গে রেজিস্ট্রির মধ্যে দিয়ে চারহাত এক হয় অনুপম ও প্রস্মিতার। গানের দুনিয়ার দুই মানুষের মন দেওয়া নেওয়া যে কবে হল, নিজেরা তা মনে করতে পারেন না।
পরিচালক আদিত্য ধরকে যে মন দিয়ে বসে আছেন তা কাক কোকিলেও টের পায়নি। ২০২১ সালের ৪ জুন হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডিতে একেবারে ঘনিষ্ঠ বৃত্তে সাদামাটা বিয়ে সারেন ইয়ামি গৌতম। অভিনেত্রী চুপিসারে বিয়ের প্রসঙ্গে আগে মুখ খোলেন। বলেন, "দুজনেই ব্যক্তিগত জীবনটাকে গোপনে রাখতে এবং নিজের মতো করে কাটাতে পছন্দ করি। আমরা তেমন জুটি নই যাঁরা আউটিংয়ে যেতে খুব পছন্দ করেন।''
আল্লার পথে চলবেন বলে বিনোদন জগৎ ছেড়েছিলেন সানা খান। সোশাল মিডিয়ায় তা জানিয়ে অনুরোধ করেছিলেন, তাঁকে যেন আর কেউ কোনও কাজের অফার না দেন। এই ঘোষণার কিছুদিনের মধ্যে ২০২০ সালে সুরাটের বাসিন্দা মৌলানা মুফতি আনাস সায়েদকে বিয়েও করে ফেলেন। সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় আপলোড করে ক্যাপশনে জানিয়েছিলেন “আল্লার জন্যই একে অপরকে ভালবাসতে পেরেছি। আল্লার কৃপায় বিয়ে করতে পেরেছি। আল্লাই যেন আমাদের ইহলোক ও পরলোকে একসঙ্গে...
গত বছর চুপিসারে দ্বিতীয় বিয়ে সেরে ফেলেন রশিদ খান। তার আগে ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে আফগান স্পিনার প্রথমবার বিয়ে করেছিলেন। কাবুলের এক নামকরা হোটেলে বসে রশিদের বিয়ের বাসর। খাস পাস্তুনি পোশাকে সুসজ্জিত ছিলেন ২৬ বছরের তারকা। তিনি একা নন, বিয়ে হয় তাঁর আরও তিন ভাইয়ের। আমির খলিল, রাজা খান ও জাকিউল্লাহর সঙ্গে রশিদও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ফলে প্রশ্ন উঠছে, আগের স্ত্রীর সঙ্গে কি বিচ্ছেদ হয়েছে...