দেশের প্রথম শব্দের জাদুঘর কলকাতায়, রয়েছে ২২ ভাষার শব্দভাণ্ডার! ‘শব্দলোকে’ আর কী দেখবেন?
জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ হল, একটি নির্দিষ্ট শব্দের শতাব্দীজুড়ে বিবর্তনের ধারাকে অনুসরণ করা যাবে।
মোট ৯টি গ্যালারি নিয়ে তৈরি হয়েছে এই শব্দের জাদুঘর। ১) আদি শব্দ, ২) মাতৃভাষা, ৩) নব-রস, ৪) ভাষার বিবর্তন, ৫) প্রতিটি ভাষায় মহাপুরুষদের অবদান, ৬) মৌখিক ঐতিহ্য, ৭) প্রদর্শন (পারফর্মিং), ৮) সর্বজনীন সংলাপ, ৯) পাবলিক লাইব্রেরির ইতিহাস। প্রতিটি গ্যালারি সেজে উঠেছে নানা ছবি, কারুকার্য, বিভিন্ন আদি ভাষার (ব্রাহ্মী, পালি ইত্যাদি) লিপি দিয়ে। ছবি: কৌশিক দত্ত
আরও পড়ুন:
জাদুঘরের অন্যতম আকর্ষণ হল, একটি নির্দিষ্ট শব্দের শতাব্দীজুড়ে বিবর্তনের ধারাকে অনুসরণ করা যাবে। কোনও শব্দ হাজার বা ২০০০ বছর আগে কীভাবে উচ্চারিত হত, তার অর্থ কী ছিল এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কীভাবে তার পরিবর্তন ঘটেছে, তার তথ্য ও নমুনা এখানে পাওয়া যাবে। ভাষাবিদ, গবেষক, শিক্ষার্থী এবং সাধারণ দর্শকদের কাছে এটি এক ‘অমূল্য’ ভাণ্ডার। ছবি: কৌশিক দত্ত
ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্য ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণের লক্ষ্যে এই মিউজিয়াম। দেশের বিভিন্ন ভাষার পারস্পরিক সম্পর্ক, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং ভাষার ক্রমবিকাশ সম্পর্কেও এখানে তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে। প্রযুক্তিনির্ভর এই প্রদর্শনীতে দর্শকরা শুধু তথ্য পড়বেন না, বরং শুনতে এবং দেখতে পারবেন ভাষার বিবর্তনের যাত্রাপথ। ছবি: কৌশিক দত্ত
আরও পড়ুন:
উল্লেখ্য, ২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রথম এই ধরনের একটি শব্দ জাদুঘর গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। ২০২১ থেকে তার কাজ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর সেই ভাবনার বাংলায় বাস্তব রূপ পেল এবছর, ২০২৬ সালে। রবিবার উদ্বোধন করলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: কৌশিক দত্ত