স্কুল ও খেলার সাঁড়াশি চাপে ঘর ছাড়েন শুটার দময়ন্তী! অ্যাথলিট সন্তানকে সামলাবেন কীভাবে?
সমীক্ষা বলছে, অ্যাথলিট পড়ুয়াদের নাকি মানসিক চাপ থাকে সবচেয়ে বেশি।
শুধু দময়ন্তী নন। সমীক্ষা বলছে, অ্যাথলিট পড়ুয়াদের নাকি মানসিক চাপ থাকে সবচেয়ে বেশি। তাই তাঁদের অবসাদের কালো ছায়া গ্রাস করে সহজেই। সাবধান না হলে যেকোনও মুহূর্তে ঘটতে পারে অঘটন। আপনার সন্তানও যদি অ্য়াথলিট হয়, তার দিকে বিশেষ নজর দিতে হবে। নইলে দময়ন্তীর মতো সে অবসাদে ভুগতে পারে। বড়সড় কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়ার মতো ভুলও করে ফেলতে পারে।
আরও পড়ুন:
অ্যাথলিট পড়ুয়াদের সকালে, বিকালে খেলার মাঠে অনুশীলনে যোগ দিতে হয়। আবার মাঝে আছে স্কুল। সন্ধ্যার পর লেখাপড়া। একের পর এক নানা চাপ সামলাতে সামলাতে শারীরিক দুর্বলতা তৈরি হয়। যার ফলে মনোনিবেশে সমস্যা দেখা দেয়। তার ফলে মূলত অবসাদের জন্ম। কমপক্ষে ৫৮ শতাংশ অ্যাথলিট পড়ুয়া এভাবে মানসিক ও শারীরিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
আরও পড়ুন:
এবার জেনে নেওয়া যাক, কোন কোন উপসর্গ দেখে বুঝবেন আপনার অ্যাথলিট সন্তান মানসিক অবসাদে ভুগছে। যদি দেখলে খেলা এবং পড়া - দু'ক্ষেত্রেই আপনার সন্তানের পারফর্ম্যান্সের অবনতি ঘটছে তাহলে সতর্ক হোন। এছাড়া সন্তানের শারীরিক নানা সমস্যাও দেখা যেতে পারে। ঘুমের ব্যাঘাত, রক্তচাপ বৃদ্ধি ও মুড সুইংয়ের সমস্যা হতে পারে। সন্তান হঠাৎ রেগে যায় কিংবা অল্পেই বিরক্ত হয়ে যায় বুঝতে হবে সমস্যা হচ্ছে।
উপসর্গগুলি দেখলেই সাবধান হোন। সন্তানের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন। তাকে বলুন, সাপ্তাহিক রুটিন তৈরি করতে। সেই মতো পড়াশোনা এবং খেলাধূলা সামাল দেওয়ার পরামর্শ দিন। সময়ানুবর্তিতাই চাপমুক্ত হতে সাহায্য করবে আপনার সন্তানকে। তাকে ঠিকমতো খাওয়াদাওয়া করতে বলুন। পর্যাপ্ত ঘুমও প্রয়োজন। তাতেই শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে।