২৮ বছর পর ফের বিশ্বজয়ের পালক জুড়েছিল ভারতের মুকুটে। বহু যুদ্ধের নায়করা আজও দেশবাসীর নয়নমণি। বর্তমানে তাঁদের সম্পত্তি কত? বীরেন্দ্র শেহওয়াগ ২০১১-র বিশ্বকাপে ৩৮০ রান করেছিলেন। বর্তমানে ধারাভাষ্যকার হিসেবে যুক্ত। তাঁর সম্পত্তি আনুমানিক ৩৮৫ কোটি টাকা।
২১০
শচীন তেণ্ডুলকর: ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি। ৯ ম্যাচে ৪৮২ রান সংগ্রহ করেছিলেন লিটল মাস্টার। সম্প্রতি মাস্টার্স লিগও জিতেছেন। তাঁর আনুমানিক সম্পত্তি ১৪৫৪ কোটি টাকা।
গৌতম গম্ভীর: বিশ্বকাপ ফাইনালে তাঁর ৯৭ রানের ইনিংস আর জার্সিতে মাটির দাগ আজও মনে রেখেছেন ক্রিকেট ভক্তরা। বর্তমানে তিনি জাতীয় দলের কোচ। গম্ভীরের আনুমানিক সম্পত্তি ২৭৩ কোটি টাকা।
৪১০
বিরাট কোহলি: সেদিনের তরুণ আজ ভারতীয় ক্রিকেটের প্রধান মুখ। জাতীয় দলের নেতৃত্ব সামলেছেন দীর্ঘদিন। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ব্যাটার আজও টিম ইন্ডিয়ার প্রধান শক্তি। তাঁর সম্পত্তি আনুমানিক ১২৮৩ কোটি টাকা।
৫১০
মহেন্দ্র সিং ধোনি: ফাইনালে ৯১ রান করে জয়ের অন্যতম কারিগর। ছক্কা হাঁকিয়ে ২৮ বছর পর ট্রফি এনে দিয়েছিলেন দেশকে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিলেও চেন্নাইয়ের হয়ে আইপিএলে খেলছেন। তাঁর আনুমানিক সম্পত্তি ৯৪৯ কোটি টাকা।
যুবরাজ সিং: বিশ্বকাপের সেরা ক্রিকেটার। শরীরে মারণব্যাধি নিয়েও ৩৬২ রান ও ১৫টি উইকেট সংগ্রহ ছিল তাঁর। সম্প্রতি মাস্টার্স লিগ জয়ী দলেও ছিলেন তিনি। তাঁর সম্পত্তি আনুমানিক ২৯৯ কোটি টাকা।
৭১০
সুরেশ রায়না: বিশ্বকাপ জয়ে কার্যকরী ভূমিকা ছিল এই অলরাউন্ডারের। আইপিএলে চেন্নাইয়ের জার্সিতেও সফল। বর্তমানে তিনি ধারাভাষ্যের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর সম্পত্তি আনুমানিক ২১৩ কোটি টাকা।
৮১০
হরভজন সিং: বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক। স্পিন জাদুতে বন্দি করে রেখেছিলেন বিশ্বের সেরা ব্যাটারদের। বর্তমানে ধারাভাষ্য দিতে দেখা যায় ভাজ্জিকে। আম আদমি পার্টির তরফ থেকে রাজ্যসভার সদস্য তিনি। হরভজনের আনুমানিক সম্পত্তি ৭০ কোটি টাকা।
৯১০
জাহির খান: বিশ্বকাপে ৯ ইনিংসে ২১ উইকেট নিয়েছিলেন। ভারতীয় বোলিংয়ের প্রধান অস্ত্র ছিলেন। বর্তমানে লখনউ সুপার জায়ান্টসের মেন্টর। ২০২৩-র তথ্য অনুযায়ী তাঁর আনুমানিক সম্পত্তি ২০৯ কোটি টাকা।
১০১০
শ্রীসন্থ: বিশ্বকাপ ফাইনালে খেলেছিলেন কেরলের ক্রিকেটার। বহু বিতর্কে জড়িয়েছেন ক্রিকেট জীবনে। ক্রিকেটের বাইরে বিনোদনজগতেও যাতায়াত আছে। অভিনয় কেরিয়ারের পাশে তিনি ধারাভাষ্যের সঙ্গে যুক্ত। তাঁর আনুমানিক সম্পত্তি ৮ কোটি টাকা।
ফুটবল ইতিহাসের কিংবদন্তি ফেরেঙ্ক পুসকাস। ১৯২৭ সালের ১ এপ্রিল হাঙ্গেরির বুদাপেস্টে তাঁর জন্ম। রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে ১৮০ ম্যাচে ১৫৬ গোল আছে। বর্তমানে বছরের সেরা আকর্ষণীয় গোলের পুরস্কার দেওয়া হয় পুসকাসের নামে।
২৮
প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার অজিত ওয়াদেকারের জন্ম ১৯৪১ সালে। দেশের হয়ে ৩৭টি টেস্টে ২১১৩ রান আছে তাঁর। ওয়াদেকারের নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পেয়েছিল ভারত। সিকে নায়ডু জীবনকৃতি পুরস্কার ছাড়াও অর্জুন পুরস্কার ও পদ্মশ্রী সম্মানেও ভূষিত হয়েছিলেন তিনি।
ইংল্যান্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার ডেভিড গাওয়ারের জন্ম ১৯৫৭ সালে। দেশের হয়ে ১১৪টি টেস্টে ৮২৩১ রান ও ১১৪টি ওয়ানডেতে ৩১৭০ রান করেছেন তিনি। ২০১৮ সালে ইংল্যান্ডের সর্বকালের সেরা টেস্ট একাদশে তাঁর নাম ঘোষিত হয়।
৪৮
নিজের সময়ের অন্যতম সেরা মিডফিল্ডার ছিলেন ক্লেরেন্স সিডর্ফ। ১৯৭৬ সালের ১ এপ্রিল জন্ম নেদারল্যান্ডসের এই ফুটবলারের। আয়াক্স, রিয়াল মাদ্রিদ ও এসি মিলান, তিনটি দলের সঙ্গে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ের বিরল রেকর্ড রয়েছে।
৫৮
স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের জন্ম ১৯৭১ সালের ১ এপ্রিল। নিউজিল্যান্ডের জার্সিতে ১১১টি টেস্টে করেছেন ৭১৭২ রান। ২৮০টি ওয়ানডেতে করেছেন ৮০৩৭। দীর্ঘদিন নিউজিল্যান্ডকে নেতৃত্বও দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি আইপিএলে চেন্নাই সুপার কিংসের কোচ।
ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার মুরলী বিজয়ের জন্ম ১৯৮৪ সালে। দেশের হয়ে ৬১টি টেস্টে তাঁর রান সংখ্যা ৩৯৮২। চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে একাধিকবার আইপিএল জিতেছেন। ২০১৩-র ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জয়ী দলেও ছিলেন এই ওপেনার।
৭৮
ইংল্যান্ডের ক্রিকেটার জোফ্রা আর্চারের জন্ম ১৯৯৫ সালে। দেশের হয়ে ৩১টি ওয়ানডে খেলেছেন তিনি। ২০১৯-র বিশ্বকাপ জয়ী দলেও ছিলেন তিনি। আইপিএলে তাঁর দল রাজস্থান রয়্যালস।
৮৮
ভারতীয় ফুটবল দলের অন্যতম শক্তি সাহাল আবদুল সামাদ। বর্তমানে তিনি খেলেন মোহনবাগানে। ১৯৯৭ সালের ১ এপ্রিল জন্ম ভারতীয় মিডফিল্ডারের। দেশের হয়ে ৩৯টি ম্যাচে ৩টি গোল রয়েছে সাহালের।