একটি ছবিতে আবার জলের স্রোতে বেসামাল বিকিনি সামলাতে ব্যস্ত ছিলেন দিশা। সেই মুহূর্তেই হয়েছেন ক্যামেরাবন্দি। ছবি কে তুলেছেন? তা অভিনেত্রীই বলতে পারবেন।
৪৬
‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’র মাধ্যমে বলিউডে পরিচিতি পান দিশা। তারপর টাইগার শ্রফের সঙ্গে ‘বাগী’, সলমন খানের সঙ্গে ‘রাধে’ সিনেমায় অভিনয় করে নজর কাড়েন।
৫৬
আগামীতে অভিনেত্রীর ঝুলিতে রয়েছে প্রভাসের 'Kalki 2898 AD', দক্ষিণী তারকা সূর্যর 'কাঙ্গুবা' আর বলিউডের 'ওয়েলকাম' সিরিজের নতুন ছবি 'ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল'।
বলিউডে বহু দিন ধরেই টাইগার শ্রফ ও দিশা পাটানির প্রেমের গুঞ্জন শোনা যায়। মাঝে দুজনের ব্রেকআপের জল্পনা ছিল তুঙ্গে। তবে এখন নাকি আবার কাছাকাছি এসেছেন দুই তারকা। ছবি: ইনস্টাগ্রাম।
চলতি বছরের অন্যতম সেরা সিনেমা 'লাপাতা লেডিজ'। একথায় অনেকেই সায় দেবেন। তাতেই পুষ্পা রানি ওরফে জয়ার চরিত্রে নজর কেড়েছেন প্রতিভা রাণ্টা।
২৬
অভিনয়ে প্রতিভার কতটা প্রতিভা রয়েছে তার প্রমাণ 'লাপাতা লেডিজ'। এই প্রতিভাই আবার সোশাল মিডিয়ায় বোল্ড অ্যান্ড বিন্দাস। লাজের আগল খুলে মুক্ত পাখির মতো সেখানে তাঁর বিচরণ।
শিমলার মেয়ে প্রতিভা। একেবারে 'স্মল-টাউন গার্ল' যাঁকে বলে। কিন্তু স্বপ্ন তাঁর ছিল বড়। যার জন্য এই গ্ল্যামার দুনিয়ার এই বিশাল ছাদের প্রয়োজন।
৪৬
অভিনয়ের তাগিদেই প্রতিভার মুম্বইয়ে আসা। সিরিয়ালের মাধ্যমে কেরিয়ার শুরু করেন প্রতিভা। 'কুরবান হুয়া', 'আধা ইশক' ধারাবাহিকে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।
৫৬
কিন্তু ভাগ্যে তাঁর লেখা ছিল 'লাপাতা লেডিজ'। তাই তো পরিচালক কিরণ রাও ও প্রযোজক আমির খানের নজরে পড়ে যান। ফল পুষ্পা রানি ওরফে জয়ার চরিত্র।
ত্রিমুকুট জয় থেকে আর ঠিক কদম দূরে মোহনবাগান। বহু চড়াই-উৎরাই পার করে স্বপ্নপূরণের কাছে পৌঁছেছে গতবারের আইএসএল খেতাব বিজয়ীরা। মরশুমের শুরুতে ঘরের মাঠে ৩-১ গোলে পাঞ্জাবকে হারিয়ে অভিযান শুরু করে সবুজ-মেরুন শিবির। গোল করেন কামিংস, পেত্রাতোস ও মনবীর সিং।
২৯
টানা সাত ম্যাচ অপরাজিত ছিলেন শুভাশিসরা। কিন্তু তার পরই শুরু হয় চোট-আঘাতের পালা। সারা মরশুমের জন্য ছিটকে যান আশিক কুরুনিয়ান। চোটের তালিকায় নাম ওঠে আনোয়ার আলি, মনবীর সিংয়েরও।
কথায় বলে দুঃসময় কখনও একা আসে না। একদিকে চোটের সমস্যা, অন্যদিকে টানা ম্যাচ হারতে শুরু করে জুয়ান ফেরান্দোর দল। মুম্বই সিটি, গোয়া, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো তিন শক্তিধর দলের কাছে টানা হারে মোহনবাগান। বিতর্কিত মুম্বই ম্যাচে কার্ড সমস্যায় বাদ যান দলের একাধিক ফুটবলার।
৪৯
বিপর্যয়ের ফলে ফেরান্দোকে বিদায় জানানো হয়। সেই পদে প্রত্যাবর্তন ঘটে হাবাসের। দায়িত্ব নেওয়ার পর দলের ভোল বদলে দেন হাবাস। নতুন বছরে টানা আটটি ম্যাচ অপরাজিত ছিল মোহনবাগান। যার মধ্যে ছিল কলকাতা ডার্বি। সেই ম্যাচ ২-২ ড্র হয়।
৫৯
ফিরতি ডার্বিতে অপ্রতিরোধ্য হয়ে ওঠে মোহনবাগান। প্রথমার্ধেই তিন গোল দিয়ে দলকে এগিয়ে দেন কামিন্স, কোলাসো ও পেত্রাতোস। একসময় পুরনো রেকর্ড ভেঙে যাওয়ার ভয়ও তাড়া করছিল লাল-হলুদ সমর্থকদের মনে। শেষ পর্যন্ত সল ক্রেসপো ব্যবধান কমান। ম্যাচ শেষ হয় ৩-১ গোলে।