বৃহস্পতিবার যখন বিমান দুর্ঘটনার খবরে সারা দেশের মন খারাপ। ঠিক তারই মাঝে করিশ্মা কাপুরের প্রাক্তন স্বামী পোলো খেলতে খেলতে হঠাৎই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান তিনি। এইসময় তিনি ছিলেন লন্ডনে।
২১০
২০০৩ সালে করিশ্মা কাপুরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন সঞ্জয়। তবে করিশ্মাই তাঁর প্রথম স্ত্রী নন। তাঁর আগে এবং করিশ্মার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পরেও বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন সঞ্জয়। রয়েছে তিন সন্তান। কাপুর পরিবারের প্রাক্তন শিল্পপতি জামাইয়ের সম্পত্তির অঙ্ক ঠিক কত জানেন? জানলে চোখ কপালে উঠবে আপনার।
সোনা কমস্টারের চেয়ারম্যান সঞ্জয় কাপুর ছিলেন বিশ্বের ২৭০৩ ধনী ব্যক্তি। একইসঙ্গে সঞ্জয় ছিলেন ইভি ম্যানুফাকচারিং (EV) কোম্পানির কর্ণধারও। শিল্পপতি সঞ্জয় কাপুরের এই সংস্থার সম্পত্তির পরিমাণ ১০,৩০০ কোটি। এছাড়াও তাঁর স্থাবর অস্থাবর সব মিলিয়ে ৪০,০০০ কোটি টাকার সম্পত্তি রয়েছে।
৪১০
ব্যক্তিগত জীবনেও সঞ্জয় কাপুরের কম টুইস্ট নেই। তিন তিনটে বিয়ে সঞ্জয়ের। রয়েছে তিনটি সন্তান।
৫১০
সঞ্জয় প্রথম গাঁটছড়া বাঁধেন নন্দিতা মেহেতানির সঙ্গে। সেই বিয়ের মেয়াদ ছিল মাত্র দু'বছর। ২০০৩ সালে সেই বিয়ে ভেঙে যায়।
ওই বছরেই করিশ্মার সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন সঞ্জয়। হন কাপুর'জামাই'। তবে সেই বিয়েও শেষ অবধি টেকেনি। ২০১৪ সালে আলাদা হন করিশ্মা ও সঞ্জয়।
৭১০
২০১৬ সালে তাঁদের আইনত বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। সেই বিয়ে ভাঙার পর গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন সঞ্জয়ের বিরুদ্ধে করিশ্মা।
৮১০
দু'জনের রয়েছে দুই সন্তান। মেয়ে সামাইরা ও ছেলে কিয়ানকে নিয়ে কাপুর পরিবারেই থাকেন লোলো।
৯১০
এরপর ২০১৭ সালে মডেল প্রিয়া সচদেবের সঙ্গে ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসেন সঞ্জয়। রয়েছে তাঁদের এক পুত্রসন্তান আজারিয়াস কাপুর। দ্বিতীয় স্ত্রী প্রিয়া সচদেবের মেয়েকেও নিজের সন্তানের মতোই লালন করছিলেন সঞ্জয়।
১০১০
বৃহস্পতিবার বিমান দুর্ঘটনার পর দুঃখপ্রকাশ করে এক পোস্ট করেন সঞ্জয়। জীবন যে কত অনিশ্চিত তা তাঁর পোস্টে তুলে ধরেছিলেন। এরপর নিজেও সেই অনিশ্চিত জীবনেরই শিকার হলেন করিশ্মার প্রাক্তন স্বামী। (ছবি: ফেসবুক)
রাজনীতির ময়দান থেকে শুরু করে বড় পর্দা-- দেব যেন সাক্ষাৎ এক চরিত্র। বাংলা সিনেদুনিয়ার প্রথম সারির অভিনেতাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। ২০০৬ সালে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে আত্মপ্রকাশ দেবের।
২৬
আর এই দু’দশকে সিনেজগতে দেবের বিবর্তন নজরে পড়ার মতো। ছকভেঙে যেভাবে একের পর এক চরিত্রে ধরা দিচ্ছেন, তা নিঃসন্দেহে প্রত্যক্ষ করার মতো।
‘পাগলু’ কিংবা ‘দুই পৃথিবী’র সুপারস্টার বছরখানেক ধরে যেভাবে ছক ভেঙে ক্যামেরার সামনে ধরা দিচ্ছেন, তাতে মুগ্ধ হয়েছেন সিনে-সমালোচকরাও। যে কোনও চরিত্র আত্মস্থ করতেও কোনওরকম কসরত বাকি রাখেননি তিনি। সে গোলোন্দাজ হোক কিংবা রঘু ডাকাত, সব লুকেই চমক দিয়েছেন তিনি।
৪৬
ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘রঘু ডাকাত’ দেবকে নিয়ে উন্মাদনার অন্ত নেই। পঁচিশের দুর্গাপুজোর জন্য মুখিয়ে বসে রয়েছেন দেব ভক্তরা। তার প্রাক্কালেই 'এমনি' এমনি ছক্কা হাঁকাচ্ছেন তিনি।
৫৬
কখনও ক্লিনসেভ লুকে আবার কখনও বা একমুখ দাড়ি নিয়ে ঘায়েল করছেন মহিলা অনুরাগীদের। এবারও নতুন ফটোশুটে 'ড্যাপার' লুকে বাজিমাত অভিনেতা-সাংসদের।
কেরিয়ারের গোড়া থেকে দেবকে সচরাচর যে ধরনের চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যেত, ২০১৯ সাল থেকে অভিনেতার চরিত্র নির্বাচনে হাওয়াবদল এসেছে। টলিপাড়ার ‘রোম্যান্টিক হিরো’ ইমেজ ভেঙে তিনি ভিন্ন চরিত্রে ধরা দিয়েছেন।
অহমেদাবাদে ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা। টেক অফের খানিকক্ষণের মধ্যেই বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান। লন্ডনগামী উড়ানের দুর্ঘটনায় অন্তত ২০০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এর আগে এরকমই একাধিক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দেশ। এক নজরে ফিরে দেখা যাক অতীতের সেই সব মর্মান্তিত অধ্যায়। ২০১০ সালে ম্যাঙ্গালোর বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামতেই দুর্ঘটনার শিকার হয় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। বিমানটি দুবাই থেকে আসছিল। মর্মান্তিক এই...
২১২
২০০০ সালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাটনার একটি আবাসনে ভেঙে পড়ে অ্যালায়েন্স এয়ার লাইন্সের বিমান। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৫৫ জন যাত্রীর। প্রাণ যায় আরও ৫ জনের। তবে তাঁরা বিমানের ভিতর ছিলেন না।
১৯৯৬ সালে হরিয়ানায় মাঝআকাশে সৌদি আরব ও কাজাখাস্তানের দু'টি বিমানের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ৩৪৯ জনের। ভারতের মাটিতে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা এটিই।
৪১২
১৯৯৩ সালে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদ থেকে যাত্রা শুরুর পরই রানওয়ের শেষে প্রান্তে একটি ট্রাকে ধাক্কা খায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। মৃত্যু হয় ৫৫ জন যাত্রীর। জানা যায়, পাইলটের ভুল এবং যোগাযোগে ফাঁক থাকার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
৫১২
১৯৯১ সালে পাইলটের ভুলে ইম্ফলে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ৬৯ জন যাত্রীর।
১৯৯০ সালে বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ৯২ জন যাত্রীর।
৭১২
১৯৮৮ সালে আহমেদাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। মৃত্যু হয় ১৩০ জন যাত্রীর। জানা যায়, পাইলটের ভুলের কারণেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
৮১২
১৯৭৮ সালে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে মুম্বইয়ে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ২১৩ জন যাত্রীর।
৯১২
১৯৭৬ সালে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে মুম্বইয়ের বান্দ্রা উপকূলের কাছে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ৯৫ জন যাত্রীর।
১০১২
১৯৭২ সালে মুম্বইয়ে ভেঙে পড়ে জাপানের একটি বিমান। মৃত্যু হয় ৮৫ জন যাত্রীর। এই দুর্ঘটনাটি ঘিরে সংঘাত বাঁধে দু’দেশের। জাপানের অভিযোগ ছিল, ভুল সিগনালিং-এর কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু জাপানের সেই অভিযোগ খণ্ডন করে ভারত জানায়, পাইটল অবতরণের নির্দেশনামা সঠিকভাবে অনুসরণ করেননি।
১১১২
১৯৬৩ সালে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরুর পরই দুর্ঘটনার শিকার হয় ইউনাইটেড আরব এয়ারলাইন্সের একটি বিমান। মৃত্যু হয় ৬৩ জন যাত্রীর। জানা যায়, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারায়।
১২১২
১৯৬২ সালে নেভিগেশন ত্রুটির কারণে মুম্বইয়ের পাহাড়ি অঞ্চলে ভেঙে পড়ে আলিটালিয়া এয়ারলাইন্সের বিমান। মৃত্যু হয় ৯৪ জন যাত্রীর।