অহমেদাবাদে ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনা। টেক অফের খানিকক্ষণের মধ্যেই বিমানবন্দরের কাছে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার যাত্রীবাহী বিমান। লন্ডনগামী উড়ানের দুর্ঘটনায় অন্তত ২০০ জনের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এর আগে এরকমই একাধিক ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার সাক্ষী থেকেছে দেশ। এক নজরে ফিরে দেখা যাক অতীতের সেই সব মর্মান্তিত অধ্যায়। ২০১০ সালে ম্যাঙ্গালোর বিমানবন্দরের রানওয়েতে নামতেই দুর্ঘটনার শিকার হয় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। বিমানটি দুবাই থেকে আসছিল। মর্মান্তিক এই...
২১২
২০০০ সালে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাটনার একটি আবাসনে ভেঙে পড়ে অ্যালায়েন্স এয়ার লাইন্সের বিমান। দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় ৫৫ জন যাত্রীর। প্রাণ যায় আরও ৫ জনের। তবে তাঁরা বিমানের ভিতর ছিলেন না।
১৯৯৬ সালে হরিয়ানায় মাঝআকাশে সৌদি আরব ও কাজাখাস্তানের দু'টি বিমানের সংঘর্ষে মৃত্যু হয় ৩৪৯ জনের। ভারতের মাটিতে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা এটিই।
৪১২
১৯৯৩ সালে মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদ থেকে যাত্রা শুরুর পরই রানওয়ের শেষে প্রান্তে একটি ট্রাকে ধাক্কা খায় এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। মৃত্যু হয় ৫৫ জন যাত্রীর। জানা যায়, পাইলটের ভুল এবং যোগাযোগে ফাঁক থাকার কারণে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
৫১২
১৯৯১ সালে পাইলটের ভুলে ইম্ফলে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ৬৯ জন যাত্রীর।
১৯৯০ সালে বেঙ্গালুরু বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ৯২ জন যাত্রীর।
৭১২
১৯৮৮ সালে আহমেদাবাদ বিমানবন্দরে অবতরণের সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান। মৃত্যু হয় ১৩০ জন যাত্রীর। জানা যায়, পাইলটের ভুলের কারণেই মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটে।
৮১২
১৯৭৮ সালে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে মুম্বইয়ে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ২১৩ জন যাত্রীর।
৯১২
১৯৭৬ সালে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে মুম্বইয়ের বান্দ্রা উপকূলের কাছে ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান। মৃত্যু হয় ৯৫ জন যাত্রীর।
১০১২
১৯৭২ সালে মুম্বইয়ে ভেঙে পড়ে জাপানের একটি বিমান। মৃত্যু হয় ৮৫ জন যাত্রীর। এই দুর্ঘটনাটি ঘিরে সংঘাত বাঁধে দু’দেশের। জাপানের অভিযোগ ছিল, ভুল সিগনালিং-এর কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু জাপানের সেই অভিযোগ খণ্ডন করে ভারত জানায়, পাইটল অবতরণের নির্দেশনামা সঠিকভাবে অনুসরণ করেননি।
১১১২
১৯৬৩ সালে মুম্বই বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরুর পরই দুর্ঘটনার শিকার হয় ইউনাইটেড আরব এয়ারলাইন্সের একটি বিমান। মৃত্যু হয় ৬৩ জন যাত্রীর। জানা যায়, খারাপ আবহাওয়ার কারণেই বিমানটি নিয়ন্ত্রণ হারায়।
১২১২
১৯৬২ সালে নেভিগেশন ত্রুটির কারণে মুম্বইয়ের পাহাড়ি অঞ্চলে ভেঙে পড়ে আলিটালিয়া এয়ারলাইন্সের বিমান। মৃত্যু হয় ৯৪ জন যাত্রীর।
অনুশীলনে তিনি চোট পেয়েছিলেন অল্পবিস্তর। এরপর অসংখ্য কাটিয়ে সেই অনুশীলনেই বিশাল ছক্কায় ভেঙেছিলেন স্টেডিয়ামের ছাদ। আইপিএল ভালো যায়নি।
২৮
জাতীয় কর্তব্য সব সময় আলাদা। আর তাই পুরনো ব্যর্থতা ভুলে আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য নিজেকে ঝালিয়ে নিচ্ছেন টিম ইন্ডিয়া সহ-অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। দেখা গিয়েছে, প্রস্তুতিতে তিনি বেশ 'হাইলাইটেড'।
বিসিসিআই তাদের এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে ভারতীয় উইকেটরক্ষককে কিছুটা বিরক্ত দেখা যাচ্ছে। এমনকী পারেননি হতাশা গোপন করতে। ঠিক কী হয়েছিল? অনুশীলনের সময় এমন কিছু ঘটেছিল, যাতে তাঁকে খুবই বিরক্ত লাগছিল।
৪৮
ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ ক্যাচিং ও উইকেটে নির্ভুল থ্রো-ও প্র্যাকটিস করাচ্ছিলেন। থ্রো-র পালা আসে পন্থের কাছেও। কিন্তু অল্পের জন্য তাঁর থ্রো লক্ষ্যভ্রষ্ট। আর তাতেই হতাশ হয়ে 'আরে ইয়ার' বলে চিৎকার করে ওঠেন। ওই সময় শুভমান-সহ টিম ইন্ডিয়ার আরও অনেক ক্রিকেটারই ছিলেন।
৫৮
এখানেই শেষ নয়। দেখা গিয়েছে, বেশ খোশমেজাজেই রয়েছেন টিম ইন্ডিয়ার ক্রিকেটাররা।
মহম্মদ সিরাজ একটা ক্যাচ ধরে নিজের 'সেলিব্রেশন মুড' অন রেখেছিলেন।
৭৮
সাই সুদর্শনের নেওয়া একটা ক্যাচের দরাজ প্রশংসা করেন গিল।
৮৮
এভাবেই ভারতীয় দলের অন্দরমহলের ছবিটা আপাতত বেশ সুখেরই মনে হচ্ছে। এখন দেখার, খেলায় তার কতটা প্রভাব পড়ে। ২০ জুন থেকে শুরু হতে চলেছে ভারত-ইংল্যান্ড টেস্ট সিরিজ।