সব খেলার সেরা… মেসি-নেইমার-রোনাল্ডোয় রঙিন কলকাতার অলিগলি, দেদার বিকোচ্ছে বিশ্বকাপ মোমবাতি!
বিশ্বকাপে জ্বরে কাঁপছে কলকাতা।
রাত জেগে চলছে বিশ্বকাপ দেখা। আর এদিকে ফিফা গলিতে রাত জেগে চলছে বিশ্বকাপের রঙে সাজিয়ে তোলার কাজ। সার দিয়ে ঝুলছে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার পতাকা। আঁকা হচ্ছে নেইমারের ছবি। থাকছেন মেসি-রোনাল্ডোরা। কোথাও সিউউউ বলছেন পর্তুগিজ তারকা। কোথাও বা বিশ্বকাপ হাতে আনন্দে উদ্বেল আর্জেন্টিনার কিংবদন্তি। ছবি: ব্রতীন কুণ্ডু
আরও পড়ুন:
এবার তিন দেশের বিশ্বকাপে তিনটি ম্যাসকট রয়েছে। বাংলার ফুটবলপ্রেমীদের আহ্বান জানাতে তাদের গ্রাফিতিও তৈরি আছে। স্পেন, জার্মানি থেকে ঘানা, কোরিয়া কোনও দেশের পতাকাই বাদ নেই। আর আছে বিশ্বকাপ ট্রফির ছবি। তবে একটু বেশিই গুরুত্ব পেয়েছে ব্রাজিল। সাম্বার ঝলক আর সমর্থকের আবেগ দেওয়ালে দেওয়ালে ধরা পড়ছে। ছবি: ব্রতীন কুণ্ডু
বিশ্বকাপ একটা উৎসব। আর সেটাকে মাথায় রেখে কলকাতার বিশ্বকাপ গলিকে সাজিয়ে তোলাও তো একটা উৎসব। চার বছর পর এলেও তা যেন বারো মাসে তেরো পার্বনের শামিল। ফিফা গলিতে ঢুকলে মনে হবে, যেন আপনিই পৌঁছে গিয়েছেন বিশ্বকাপের কোনও স্টেডিয়ামে। আর শুধু এই কটা দিন নয়। সারা বছর জুড়েই এখানে উন্মাদনা থাকে। ছবি: ব্রতীন কুণ্ডু
আরও পড়ুন:
আসলে 'সব খেলার সেরা বাঙালির তুমি ফুটবল।' বিশ্বকাপের সেই মহাযজ্ঞে বাঙালির আবেগ আর বাঁধ মানছে না। চায়ের ঠেক থেকে স্কুল-কলেজের আড্ডা। সব জায়গায় একটাই চর্চা। কে হবে চ্যাম্পিয়ন? কার আক্রমণ বেশি শক্তিশালী? দেশের ফুটবলভক্তরাও মগজাস্ত্রে ছক কষছেন, কীভাবে দল সাজানো উচিত। বিশ্বকাপ গলির কাজকর্ম তাতে বাড়তি উন্মাদনা এনে দিচ্ছে। ছবি: ব্রতীন কুণ্ডু
শুধু রাস্তায় নয়। এবার বিশ্বকাপ আপনার ঘর আলো করে দিতে পারে। কীভাবে? চলুন পরিচয় করানো যাক তুহিন মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তিনি তৈরি করেছেন বিশ্বকাপের আদলে মোমবাতি। কোনও ছাঁচে ঢেলে নয়, পুরোটাই হাতে তৈরি। জ্বালাতে পারবেন, ঘরও সাজিয়ে রাখতে পারবেন। এছাড়া কিছু মোমের বলও বানিয়েছেন তিনি। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
আর এর নেপথ্যে তুহিনবাবুর সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তাঁর মেয়ে। কন্যার অনুরোধেই মোমের বিশ্বকাপ বানান তিনি। তবে কোনও ঝঞ্ঝাট রাখতে চাননি। বিশ্বকাপে একেক জন একেক দলের সমর্থক। তাই বিভাজন না বানিয়ে শুধু ট্রফিই বানিয়েছেন। এছাড়া ইচ্ছা রয়েছে প্লেয়ারদের কার্টুন তৈরি করার। রোনাল্ডো, মেসি, এমবাপে, নেইমারদের মোমের মূর্তি তৈরিতে এখন মজেছেন তিনি। ছবি: শুভ্ররূপ বন্দ্যোপাধ্যায়