ছোট্টবেলার প্রেম, বিছানায় অন্য ‘সঙ্গিনী’ থাকলেও সন্তানের মা হাউগসেংই! চেনেন হালান্ডের প্রেমিকাকে?
বাবা হওয়ার পর বদলে গিয়েছেন হালান্ড। বিশ্বকাপেই তার প্রমাণ রাখছেন ভাইকিং গোলমেশিন।
একসময় ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখতেন হাউগসেং। নরওয়ের শহর ব্রাইনে হালান্ডের সঙ্গেই বড় হয়েছেন। এক ক্লাবেই খেলতেন দু'জনে। ছোট থেকেই পরিচয়। এরপর হালান্ড ব্রাইনে থেকে মল্ডে, রেডবুল সালবার্জ, বরুসিয়া ডর্টমুন্ড হয়ে ম্যাঞ্চেস্টার সিটিতে খেলেন। প্রিমিয়ার লিগ, চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিতেছেন। সেখানে হাউগসেং একটা সময়ের পর ফুটবল কেরিয়ারকে বিদায় জানান। নতুন অভিযান শুরু করেন মডেলিংয়ে।
আরও পড়ুন:
ছোটবেলা থেকে পরিচয় হলেও প্রেম শুরু অনেক পরে। ২০২১-এ হালান্ড খেলেন ডর্টমুন্ডে। গোলের জন্য এগিয়ে গেলেও প্রেমের জন্য তিনি এগোননি। সেখানে প্রথম হাত বাড়ান হাউগসেংই। ২০২৫-এ একটি সাক্ষাৎকারে হালান্ড স্বীকার করেন, "ওই আমাকে প্রথম মেসেজ করে। আমরা এক ক্লাবে খেলতাম। কিন্তু ও আমাকে প্রথম প্রেমপ্রস্তাব পাঠায়।" হালান্ড ফেরাননি।
আরও পড়ুন:
অন্যদিকে হাউগসেং নিজের কেরিয়ার খুঁজে নিয়েছেন মডেলিং ও ভ্লগিংয়ে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেন। চলতি বছরের জুন মাসে নরওয়ের ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদেও ছবি আসে হাউগসেংয়ের। নরওয়ের বিখ্যাত গয়না সংস্থা 'ল্যাংগার্ড' হাউগসেংকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবে ঘোষণা করে। ফ্যাশানের প্রতি চিরকালই তাঁর আগ্রহ ছিল। মা হওয়ার পর পোশাকের ধরনও বদলেছে।
সেভাবেই বিশ্বকাপ মাতিয়ে দিয়েছেন দু'জনে। একজন বিশ্বকাপে ব্রাজিল-সেনেগালের বিরুদ্ধে গোলের পর গোল করছেন। অন্যজন মাঠের বাইরে সমর্থন করে যাচ্ছেন। গ্যালারিতে রূপের দ্যুতি ছড়াচ্ছেন। কখনও একসঙ্গে 'মিষ্টি' ছবি তুলছেন। হাত ধরে ঘুরছেন। বিশ্বকাপের ভাইরাল জুটি। তবে ফুটবল পর্ব শেষ হলেই দু'জনে একসঙ্গে রান্না করেন, ভিডিও গেম খেলেন। ফাঁক পেলেই কাউকে কিছু না বলে ঘুরতে চলে যান।
তবে শুধু হাউগসেং নয়, হালান্ডের আরও 'প্রেমিকা' আছে। যাদের নিয়ে শুতে যান নরওয়ে তারকা। না, তারা কোনও রক্তমাংসের মানুষ নন। সেগুলো হল ফুটবল। ২০২০-এ একটি ম্যাচে হ্যাটট্রিকের পর তিনি বলেছিলেন, "আমি যতগুলো হ্যাটট্রিক করেছি, সেই ম্যাচের বলগুলো নিয়ে ঘুমোতে যাই। ওরা আমার প্রেমিকা।" তখন হালান্ডের হ্যাটট্রিক ছিল পাঁচটি। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭-এ।